Saturday, April 18, 2015
Monday, April 13, 2015
আপনার মেমোরী কার্ড/পেনড্রাইভ Format নিচ্ছে না (নিয়ে নিন সমাধান)
আজ আমার দোকানে এক কাস্টমার আসল ,
তার প্রবলেম হল মেমোরী কার্ডে কোন
কিছু ডিলেট এবং কি কিছু লোড নিচ্ছে না,
অনেক দোকানদার কে দেখাল, কেউ পারলো
না, অবশেষে অন্য লোকের মারফতে আমার
কাছে আসল, তার আশা আছে আমি পারব।
প্রথমে আমি ও ফরম্যাট গিয়ে দেখি write
protected করা মেমোরী টি ।
(ইনশাআল্লাহ আমি ও নেমে পড়লাম সমস্যা
সমাধানে পেয়ে গেলাম অবশেষে সমাধান)
প্রথমে My Computer এ রাইট বাটন ক্লিক
করে Manage এ ক্লিক করুন।
এবার, Disk Management ক্লিক করুন। তাহলে
মেমোরী কার্ড/পেনড্রাইভ শো করবে
মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Format এ
ক্লিক করে নিচের মত ফরম্যাট দিয়ে দিন।
এবার দেখুন কত সুন্দর ভাবে মেমোরী
কার্ড/পেনড্রাইভ ফরম্যাট হয়ে গেল।
নিয়মটি জেনে রাখুন হয়ত তো কোন এক সময়
সমস্যায় পড়লে কাজে আসবে। এখন আপনি
মেমোরিতে লোড এবং ডিলেট করতে
পারবেন।
আজ এই পর্যন্ত। আল্লাহ হাফেজ
মানি ম্যানেজার, আপনার খরচের হিসেব রাখুন সহজে
এই apps টি দিয়ে আপনি আপনার আয়-ব্যয় এর হিসেব রাখতে পারবেন, মাস শেষে সম্পূর্ণ সামারিও পেয়ে যাবেন।
তো চলুন কি ভাবে ব্যবহার করতে হয় তা শিখি - প্রথমেই নিচের লিঙ্ক থেকে নামিয়ে নিন apps টি। 
আপনার Android Mobile এ সেটআপ দিন।
দেখেন উপরের মতোই ভিউ হয়েছে, কিন্তু ব্লাঙ্ক দেখাবে। আমার টায় কিছু Information দেখাচ্ছে, এই গুলো আপনাদের শেখানোর জন্যই যোগ করেছি।
আপনার আয়ের টাকা লিখবেন Income (+) এর ঘরে। আর ব্যয়ের টাকা লিখবেন Payment (-) এর ঘরে।
a) দেখেন
আমি এইখানে Transaction এর ঘরে Total লিখেছি, তার পাশে Income+ এ ৭২৬৭০.১৫
টাকা লিখেছি। এই টা হচ্ছে আমার এই মাষের মোট ইনকাম।b) দেখেন আমি এইখানে Transaction এর ঘরে Masum লিখেছি, তার পাশে (Payment (-) এর ঘরে) কারন আমি Masum কে 5000 টাকা দিয়ে দিচ্ছি, এইটাই আমার খরচ।
c) দেখেন আমি এইখানে Transaction এর ঘরে Islam লিখেছি, তার পাশে Income+ এ 50000 টাকা লিখেছি। এই টা হচ্ছে Islam আমাকে আমার টাকা ফেরত দিয়েছে। যা আমি অকে দার দিয়ে ছিলাম।
তাহলে সব শেষে Balance এ দেখেন ১১৭৬৭০.১৫ টাকা আছে, তো এই ভাবে আমি আমার হিসেব রাখি। যখন ইচ্ছে তখনি আমি আমার হিসেব পেয়ে যাই।
ব্যবহার করে দেখেন, ভালো লাগবে।
এবার আপনার সাইট থেকে আয় করেন প্রতি Click এ ১.৮০ টাকা।
সাইটা নতুন আমার চেনা। ওরা টাকা পেইড করে ঠিক মতে যার কারনে আপনাদের পরিচয় করে দিচ্ছি।
মাএ ৫০ Click এ এক ডোলার।
প্রথমে লিংকে জান
গিয়ে রেজিস্টার করেন।
এবার Email And Password দিয়ে লগিন করেন
, তার পর লগিন করা হলে নিচে যান গিয়ে দেখবেন
.star. Sites & Adcodes
লেখা আছে সেখানে গিয়ে আপনার সাইটের ডোমেইন নেম দিয়া রেজি করেন
তার পর Ad code এ গিয়ে
Redirect Ad Link
HTML Adcode
Pop Under Adcode
JavaScript Adcode
যে কোন একটা থেকে কোড নিয়ে আপনার সাইটের Html Code এ গিয়ে সাইটের যে কোন স্থানে পেস্ত করেন।
এবার আপনার পেস্ট করা কোডে কেউ যদি কিল্ক করে তা হলে আপনার একাউন্টে ডোলার জমবে
★টাকা তুলার নিয়ম ★
যদি এপনর দেয়া এডে ২১ বার কিল্ক করা হয় তা হলে Pyout এ গিয়া যে বাভে টাকা তুলতে চান সে নামে কিল্ক করেন
যমেন recharge করতে চাইলে mobile recharge a click করে আপনার নাম্বার টা দেন ব্যস ২ ঘন্টার মধ্য টাকা পেয়ে যাবেন।
কেউ যদি না বুঝেন তাহলে আমাকে যানান
ফেসবুকে আমি
মাএ ৫০ Click এ এক ডোলার।
প্রথমে লিংকে জান
গিয়ে রেজিস্টার করেন।
এবার Email And Password দিয়ে লগিন করেন
, তার পর লগিন করা হলে নিচে যান গিয়ে দেখবেন
.star. Sites & Adcodes
লেখা আছে সেখানে গিয়ে আপনার সাইটের ডোমেইন নেম দিয়া রেজি করেন
তার পর Ad code এ গিয়ে
Redirect Ad Link
HTML Adcode
Pop Under Adcode
JavaScript Adcode
যে কোন একটা থেকে কোড নিয়ে আপনার সাইটের Html Code এ গিয়ে সাইটের যে কোন স্থানে পেস্ত করেন।
এবার আপনার পেস্ট করা কোডে কেউ যদি কিল্ক করে তা হলে আপনার একাউন্টে ডোলার জমবে
★টাকা তুলার নিয়ম ★
যদি এপনর দেয়া এডে ২১ বার কিল্ক করা হয় তা হলে Pyout এ গিয়া যে বাভে টাকা তুলতে চান সে নামে কিল্ক করেন
যমেন recharge করতে চাইলে mobile recharge a click করে আপনার নাম্বার টা দেন ব্যস ২ ঘন্টার মধ্য টাকা পেয়ে যাবেন।
কেউ যদি না বুঝেন তাহলে আমাকে যানান
ফেসবুকে আমি
Friday, February 27, 2015
Tsu ব্যাবহার করে আয় করুন । (ফেসবুকের মাষ্টার কপি)
আসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহ্র রহমতে ভালো আছেন।আমি ও ভালো আছি। আজ আপনাদের শাথে শেয়ার করবো কিভাবে Tsu ব্যাবহার করে আয় করা যায় । সাথে পেমেন্ট প্রুফ ও দিব ।

আমরা সাধারণত ফেইসবুক থেকে কোন ইনকাম করতে পারি না। যার পুরটাই চলে যায় ফেইসবুকের তহবিলে। কিন্তু tsu বলেছে যে তার ইনকামের ৯০% দিয়ে দিবে তার ইউজারকে। এবং এর অনেক প্রমান ও আছে।
Like= 0.01$, Comment=0.02$ And Share=0.05$

৩০০ ফ্রেন্ড হওয়ার পরেই আপনার ইনকাম শুরু হবে। আপনি আপনার পোষ্ট এ যত লাইক, কমেন্ট, শেয়ারার আর ভিউয়ার পাবেন, আপনার ইনকাম তত বাড়বে। আর তাই Like, Comments & share হলো এই সাইটের ইনকাম এর মূল হাতিয়ার । তার চেয়ে বড় হলো Family Tree তৈরি করা। মেম্বার যত বেশি হবে, ইনকাম ও তত বাড়বে। কারন, আপনি যাদের ইনভাইট করবেন, তাদের ইনকামের ৫০% বোনাস পাবেন আপনি। এরপর বাকি সার্কেল তো আছেই।
Tsu তে জয়েন করুন এখান থেকে ।।
এখানে আপনার সম্পূর্ণ ডিটেইলস দিয়ে সাইন আপ করুন। এরপর ভিতরে প্রোফাইল ঠিক করুন আপনার মত করে।
এর পুরোটাই হলো ফেইসবুকের মত। এখানে ফেইসবুক, টুইটার, ইউটুব এর লিংক দিতে পারেন শেয়ার বাড়ানোর জন্য। ভালো রেসপন্স পাবেন।
মোবাইল দিয়ে Tsu ব্যাবহার হলে আপনাকে প্লে ষ্টোর থেকে Tsu অ্যাপটি ইন্সটল করতে হবে।
পেমেন্ট প্রুফ :-


কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহ্র রহমতে ভালো আছেন।আমি ও ভালো আছি। আজ আপনাদের শাথে শেয়ার করবো কিভাবে Tsu ব্যাবহার করে আয় করা যায় । সাথে পেমেন্ট প্রুফ ও দিব ।

আমরা সাধারণত ফেইসবুক থেকে কোন ইনকাম করতে পারি না। যার পুরটাই চলে যায় ফেইসবুকের তহবিলে। কিন্তু tsu বলেছে যে তার ইনকামের ৯০% দিয়ে দিবে তার ইউজারকে। এবং এর অনেক প্রমান ও আছে।
Like= 0.01$, Comment=0.02$ And Share=0.05$
৩০০ ফ্রেন্ড হওয়ার পরেই আপনার ইনকাম শুরু হবে। আপনি আপনার পোষ্ট এ যত লাইক, কমেন্ট, শেয়ারার আর ভিউয়ার পাবেন, আপনার ইনকাম তত বাড়বে। আর তাই Like, Comments & share হলো এই সাইটের ইনকাম এর মূল হাতিয়ার । তার চেয়ে বড় হলো Family Tree তৈরি করা। মেম্বার যত বেশি হবে, ইনকাম ও তত বাড়বে। কারন, আপনি যাদের ইনভাইট করবেন, তাদের ইনকামের ৫০% বোনাস পাবেন আপনি। এরপর বাকি সার্কেল তো আছেই।
Tsu তে জয়েন করুন এখান থেকে ।।
এখানে আপনার সম্পূর্ণ ডিটেইলস দিয়ে সাইন আপ করুন। এরপর ভিতরে প্রোফাইল ঠিক করুন আপনার মত করে।
এর পুরোটাই হলো ফেইসবুকের মত। এখানে ফেইসবুক, টুইটার, ইউটুব এর লিংক দিতে পারেন শেয়ার বাড়ানোর জন্য। ভালো রেসপন্স পাবেন।
মোবাইল দিয়ে Tsu ব্যাবহার হলে আপনাকে প্লে ষ্টোর থেকে Tsu অ্যাপটি ইন্সটল করতে হবে।
পেমেন্ট প্রুফ :-
কি ভাবে পেন ড্রাইভের Write Protection রিমুভ করবেন
আসসালামু আলাইকুম । কেমন আছেন সবাই ? আশা
করি ভালই আছেন । আজ আমি আপনাদের দেখাতে চলেছি কি করে পেন ড্রাইভের রাইট
প্রটেকশন দূর করা যায় ।
সবার প্রথমে পেন ড্রাইভটি আপনার কম্পিউটারে সংযুক্ত করুন।
এরপর Win Key + R চেপে রান কমান্ড নিয়ে আসুন। রান কমান্ডে regedit লিখে regedit.exe নিয়ে আসুন।
এখন regedit থেকে
\Computer\
\HKEY_LOCAL_MACHINE\
\SYSTEM\
\CurrentControlSet\
\Control\
\StorageDevicePolicies\
এর ভেতরে যান। ডান পাশে দেখবেন (Default)
এবং WriteProtect নামে দুইটা ফাইল আছে। যদি WriteProtect নামে কোন ফাইল না
থাকে তবে ডান পাশে ফাকা জায়গায় মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে New >>
DWORD (32-bit) value থেকে নতুন একটা ফাইল তৈরি করুন এবং নাম
দিন WriteProtect
এখন ঐ WriteProtect ফাইল ডাবল ক্লিক করে Value Data তে মান 0 করে দিন ।
যাদের কম্পিউটারে WriteProtect ফাইল আগে
থেকেই আছে তাদের WriteProtect ফাইল তৈরি করার দরকার নাই। তারা শুধু Value
Data তে মান 0 করে দিলেই হবে।
দেখা হবে আরেক টিউনে আজকের মত বিদায় ।
Wednesday, February 25, 2015
Hack wifi password using All Android phone 100% working 2015 (With Video Tutorial)
Hack Wifi Password Using Android Phone 100% Working 2015
আজ আপনাদের দেখাবে কিভাবে অন্যের Wifi Password হ্যাক করে ফ্রি Wifi ব্যবহার করবেন।
তবে অবশ্যই আপনার ফোনটি Rooted Permission হতে হবে।
♦কাজের কথা আসা যাক♦
আমার মনে হয় আগে ভিডিও Tutorial টা দেখে নিলেই ভাল। এতে যারা New,তারা সহযেই বুঝতে পারবেন।
নিছ থেকে ভিডিও Tutorial টি ডাউনলোড করে নিন।
[Wifi Hacking Video Tutorial]
যারা ভিডিও Tutorial না বুঝেন তারা বিস্তারিত দেখুন
আগে আপনার মোবালের Setting এ গিয়ে Wifi Connect অন করে নিন এবং যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হ্যাক করতে চান তা সিলেক্ট করুন।
দেইখেন আবার Wifi নেটের আওতার বাহিরে থাইকা গুতা গুতি কইরেন না।
তারপর নিছ থেকে Wps Connect এ্যাপটি ডাউনলোড করে ওপেন করুন।
[Wps Connect.apk]
>>এরপর মোবাইলের অপসন থেকে Automatic সিলেক্ট করুন।

>>এবার দেখুন আপনে যে যে Wifi এর আওতায় আছেন তা সো করছে।

>>এখন আপনে যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হাইজেক করতে চান, তাতে ক্লিক করুন।
>>তারপর দেখুন নিছের ছবির মত তিনটি কোড সো করবে।আপনে এখান থেকে যে কোন একটি কোড সিলেক্ট করে Try Pin এ ক্লিক করুন।

>> এবার দেখুন আপনার সামনে,আপনার কাঙ্খিত Wifi এর পাচওয়ার্ড হাজির।

ব্যাস, এবার আপনার মোবাইলের Wifi সেটিং এ গিয়ে যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হ্যাক করছেন তাতে এড করে দিন।আরকি এবার ফ্রি চালাতে থাকুন।
আজ এ পর্যন্তই.....
সবাই ভাল থাকবেন টেকটিউনস এর সাথেই থাকুন।
আজ আপনাদের দেখাবে কিভাবে অন্যের Wifi Password হ্যাক করে ফ্রি Wifi ব্যবহার করবেন।
তবে অবশ্যই আপনার ফোনটি Rooted Permission হতে হবে।
♦কাজের কথা আসা যাক♦
আমার মনে হয় আগে ভিডিও Tutorial টা দেখে নিলেই ভাল। এতে যারা New,তারা সহযেই বুঝতে পারবেন।
নিছ থেকে ভিডিও Tutorial টি ডাউনলোড করে নিন।
[Wifi Hacking Video Tutorial]
যারা ভিডিও Tutorial না বুঝেন তারা বিস্তারিত দেখুন
আগে আপনার মোবালের Setting এ গিয়ে Wifi Connect অন করে নিন এবং যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হ্যাক করতে চান তা সিলেক্ট করুন।
দেইখেন আবার Wifi নেটের আওতার বাহিরে থাইকা গুতা গুতি কইরেন না।
তারপর নিছ থেকে Wps Connect এ্যাপটি ডাউনলোড করে ওপেন করুন।
[Wps Connect.apk]
>>এরপর মোবাইলের অপসন থেকে Automatic সিলেক্ট করুন।
>>এবার দেখুন আপনে যে যে Wifi এর আওতায় আছেন তা সো করছে।
>>এখন আপনে যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হাইজেক করতে চান, তাতে ক্লিক করুন।
>>তারপর দেখুন নিছের ছবির মত তিনটি কোড সো করবে।আপনে এখান থেকে যে কোন একটি কোড সিলেক্ট করে Try Pin এ ক্লিক করুন।
>> এবার দেখুন আপনার সামনে,আপনার কাঙ্খিত Wifi এর পাচওয়ার্ড হাজির।
ব্যাস, এবার আপনার মোবাইলের Wifi সেটিং এ গিয়ে যে Wifi টির পাচওয়ার্ড হ্যাক করছেন তাতে এড করে দিন।আরকি এবার ফ্রি চালাতে থাকুন।
আজ এ পর্যন্তই.....
সবাই ভাল থাকবেন টেকটিউনস এর সাথেই থাকুন।
Tuesday, February 24, 2015
আজ থেকেই অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ১০০% গ্যারান্টি (A to Z বিস্তারিত আলোচনা)
অনলাইনে আয় করার ১০০ এর অধিক পদ্ধতি আছে। তার মধ্যে আমার ২০-২৫ টি
পদ্ধতি সম্পর্কে ধারনা আছে।তাহলে বুজুন অনলাইন Earning জগত টা কত বড়। এখানে
আমি কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যেমন
1)Ptc (সব চেয়ে সহজ ) 2) Google adsense 2) Affiliate marketing 3) Web development ( Html / PHP / CSS )
4)
CMS based web Development ( joomla/ WordPress ) 5) Dollar sell &
buy 6) Forex 7) Web design 8) Online Survey 9) SEO 10) Data entry
11) Chitika ads 12) Blogging 13)Animation 14) Email marketing 15) Social
marketing ( Fb, twitter,google+,) বিস্তারিত বর্ননা নিচে দিলাম :
1)PTC (সব চেয়ে সহজ)
PTC নাম শুনে আবার ভয় পেয়েন না নিচের সম্পূর্ণ লেখাটি পড়েন তাহলেই বুজতে পারবেন।১ টাকাও Invest করতে হবে না
Dolencer/skylencer
এর কারনে বাংলাদেশ এর সবাই মনে করে PTC সাইট ই মানে ধোঁকা বাজি । কিন্ত
না, শুধু ধৈর্য ধরে আসল সাইট চিনতে পারলে মাসে ৪০০০ হাজার থেকে শুরু করে ২
লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। কিন্তু সমস্যা হল আসল সাইট চিনা। কারন
প্রতিদিন নতুন নতুন সাইট অনলাইন এ আসে। ১-১২ মাসের মধ্যে Scam করে চলে
যায়। So নতুন সকল সাইট scam ধরে নিয়ে নতুন কোন সাইট এ কাজ করবেন না। যে সব
সাইটের বয়স ৫ বছর শুধু সেই সব সাইট হল আসল সাইট। কারন যারা ৫ বছর যাবত কোন
প্রকার ঝামেলা ছাড়া payment দিয়ে যাচ্ছে তারা scam হতে পারে না।আর যদি
মনে করেন নিজে নিজে Google search করে সাইট বের না করে অভিজ্ঞ কার
সহায়তা নিবেন সে ক্ষেত্রে আমি ত আছিই। কারন আমি গত ৩ বছর যাবত ptc সাইটে
কাজ করছি। বেশির ভাগ লোক Google search করে PTC সাইট বের করে কাজ করে।১
মাস পরে যখন সাইট scam করে তখন বলা শুরু করে সব ptc সাইট ভুয়া। কিন্তু
আমার কথা হচ্ছে সব সাইট যদি ভুয়া হত তাহলে ৩০০০ হাজার কোটি টাকার এই Market
কিভাবে টিকে আছে?
২০০৩ সালে সর্ব প্রথম PTC সাইট
চালু হয় । England এর একজন এটা চা্লুকরে। কিন্তু তখন PTC সাইট জনপ্রিয়
হয়নি। ২০০৭ সালে আমেরিকা থেকে Jim Grago – ClixSense Inc (USA) চালু করে।
২০০৮ সালে পর্তুগাল থেকে Fernando Neobux নামক সাইট টি চালু করে।Neobux
এর এখন আমেরিকায় অফিস আছে। ২০০৯ সালে Germany এর tim kolb চালু করে
Bucks247 নামের সাইট টি। ২০০৯ সালে Finland এর Serenity &
Saket(indian) নামের দুই জন versity student চালু করে Cashnhits নামের সাইট
টি। পরে
Serenity & Saket দুই জন বিয়ে করে,যাইহোক ২০০৯ সালে Dimitrios Kornelatos – “Kordim” (Greece থেকে) – Scarletclicks & gptplanet নামে দুইটি সাইট চালু করে। নাম প্রকাশ না করে কেও একজন আমেরিকার থেকে Ayuwage & Innocurrent নামের দুই টি কিছুটা ভিন্ন ধরনের সাইট চালু করে ২০০৯ ও ২০১০ সালে। আরও ১০-২০ টি সাইট আছে। যারা কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়া ৫ বছর যাবত payment দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু Neobux/clixsence /Ayuwage & Innocurrent ছাড়া অন্য সাইট এর ইনকাম খুব কম।আমি শুধু এই ৪ টি সাইট এ কাজ করার পক্ষ পাতি।
Serenity & Saket দুই জন বিয়ে করে,যাইহোক ২০০৯ সালে Dimitrios Kornelatos – “Kordim” (Greece থেকে) – Scarletclicks & gptplanet নামে দুইটি সাইট চালু করে। নাম প্রকাশ না করে কেও একজন আমেরিকার থেকে Ayuwage & Innocurrent নামের দুই টি কিছুটা ভিন্ন ধরনের সাইট চালু করে ২০০৯ ও ২০১০ সালে। আরও ১০-২০ টি সাইট আছে। যারা কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়া ৫ বছর যাবত payment দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু Neobux/clixsence /Ayuwage & Innocurrent ছাড়া অন্য সাইট এর ইনকাম খুব কম।আমি শুধু এই ৪ টি সাইট এ কাজ করার পক্ষ পাতি।
বেশি টাকা কামাতে চাইলে Clixsense এ কাজ করুন:
আমার ধারনা clixsense না আসলে ptc সাইট ই আসত না।তাই আমি clixsense
কে mother of all ptc site বলেছি।আসলে clixsense এর মাদ্ধমেই ptc সাইট
চালু হয়। ২০০৭ সালে।আপনি যেনে অবাক হবেন যে Clixsense ই একমাত্র company
যারা আমেরিকাতে tv তে পর্যন্ত অ্যাড দেয়।clixsense থেকেও হাজার হাজার ডলার
কামানো যায়।কিন্তু clixsense এর একটি প্রব্লেম হল এরা RENTED REFERRAL
বিক্রি করে না।আপনাকে যা কামাতে হবে সব Direct Referral এর মাধ্যমে।
clixsense মেম্বার ১ কোটি। একবার চিন্তা করেন একটা ptc সাইট এর মেম্বার ১
কোটি...।
কিভাবে SIGNUP করবেন |
1. প্রথমে নিচের Banner e ক্লিক করেন।
2. ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত পাবেন :
৩. First name অংশে নিজের আসল নামের First name দেন।Last name দেন......। আমার মনে হয় আপনারা পারবেন।Signup করার পর আপনার ইমেইল একটি লিঙ্ক পাঠাবে।আপনাকে ইমেইল এ গিয়ে ঐ লিঙ্ক কে ক্লিক করে তা অ্যাক্টিভ করতে হবে।তার পর আপনি login এ ক্লিক করে login কারার পর একটি page আসবে। ঐ খানে আপনাকে কিছু তথ্য পুরন করতে হবে। payment email অংশে যে ইমেইল দিয়ে Signup করেছেন সে ইমেইল ই দেন।যেহেতু বাংলাদেশ এ paypal নাই শুধু payza আছে। তাই payza ব্যাবহার করবেন । PAYZA Account না থাকলে এখান থেকে খুলুন
SIGN UP PAYZA ACCOUNT
কিভাবে Clixsense থেকে আয় করবেন??
নিচের ছবির মত view ads এ ক্লিক করুন:
ঐ খানে ( View ads) এ ক্লিক করার পর অ্যাড এর পেজ আসবে।ঐ খানে অ্যাড এ ক্লিক করার পর অ্যাড অন্য Tab এ ওপেন হবে।ঐ খানে আপনাকে পাচ টি ছবি থেকে বিড়াল এর ছবি তে ক্লিক করতে হবে। নিচের ছবির মত
এখানে পাচ নম্বর টা হল বিড়াল।বিড়াল এ ক্লিক করলে তারপর টাইমার শুরু হবে( 3 Sec -15-30 Sec) শেষ হলে এই Tab কেটে দিয়ে আবার আরেকটি অ্যাড দেখেন।
হতাশ হয়েন না। আপনারা হয় তো ভাবতেছেন যেহেতু RENTED REFERRAL নাই।আর আপনার পক্ষে DIRECT REFERRAL যোগার করা সম্ভব না তাই এই সাইট এ কাজ করে লাভ কি?সমসসা নাই আমি শিখিয়ে দিব কিভাবে আপনি CLIXSENSE এর জন্য DIRECT REFERRAL যোগার করতে পারবেন।
URL অংশ--আপনি Clixsense এ Signup করলে ওরা আপনার জন্য একটি পারসনাল Referral link দিবেন।যা অন্য কারও সাথে মিলবে না। নিচে আমার রেফেররাল লিঙ্ক :
ভাই কষ্ট করে পোস্ট করেছি তাই দয়াকরে যদি কাজ করে থাকেন তাহলে আমার Referral link থেকে account খুলুন ।
Sign Up click here
৩. First name অংশে নিজের আসল নামের First name দেন।Last name দেন......। আমার মনে হয় আপনারা পারবেন।Signup করার পর আপনার ইমেইল একটি লিঙ্ক পাঠাবে।আপনাকে ইমেইল এ গিয়ে ঐ লিঙ্ক কে ক্লিক করে তা অ্যাক্টিভ করতে হবে।তার পর আপনি login এ ক্লিক করে login কারার পর একটি page আসবে। ঐ খানে আপনাকে কিছু তথ্য পুরন করতে হবে। payment email অংশে যে ইমেইল দিয়ে Signup করেছেন সে ইমেইল ই দেন।যেহেতু বাংলাদেশ এ paypal নাই শুধু payza আছে। তাই payza ব্যাবহার করবেন । PAYZA Account না থাকলে এখান থেকে খুলুন
SIGN UP PAYZA ACCOUNT
কিভাবে Clixsense থেকে আয় করবেন??
নিচের ছবির মত view ads এ ক্লিক করুন:
ঐ খানে ( View ads) এ ক্লিক করার পর অ্যাড এর পেজ আসবে।ঐ খানে অ্যাড এ ক্লিক করার পর অ্যাড অন্য Tab এ ওপেন হবে।ঐ খানে আপনাকে পাচ টি ছবি থেকে বিড়াল এর ছবি তে ক্লিক করতে হবে। নিচের ছবির মত
এখানে পাচ নম্বর টা হল বিড়াল।বিড়াল এ ক্লিক করলে তারপর টাইমার শুরু হবে( 3 Sec -15-30 Sec) শেষ হলে এই Tab কেটে দিয়ে আবার আরেকটি অ্যাড দেখেন।
হতাশ হয়েন না। আপনারা হয় তো ভাবতেছেন যেহেতু RENTED REFERRAL নাই।আর আপনার পক্ষে DIRECT REFERRAL যোগার করা সম্ভব না তাই এই সাইট এ কাজ করে লাভ কি?সমসসা নাই আমি শিখিয়ে দিব কিভাবে আপনি CLIXSENSE এর জন্য DIRECT REFERRAL যোগার করতে পারবেন।
TITLE অংশে নিজের ইচ্ছা মত Title দেন।অথবা দিতে পারেন clixsense-No.1 ptc site
Description অংশে ইচ্ছা মত দেন অথবা লিখতে পারেন Clixsense-Many way of earning-Earn 200-300$ per month.URL অংশ--আপনি Clixsense এ Signup করলে ওরা আপনার জন্য একটি পারসনাল Referral link দিবেন।যা অন্য কারও সাথে মিলবে না। নিচে আমার রেফেররাল লিঙ্ক :
My Affiliate Link | http://www.clixsense.com/?7276171 |
Sign Up click here
Monday, February 9, 2015
আজ থেকে mouse এর কাজ keyboard দিয়ে করুন
আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, আপনারা হয়তো এতক্ষণে বুঝে গেছেন।
তো কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
আশা করি সবাই আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, আপনারা হয়তো এতক্ষণে বুঝে গেছেন।
তো কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
- এই কাজটি করার জন্য প্রথমে start বাটন এ ক্লিক করুন।
- আপনি এখানে অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন।
- তার মধ্য থেকে আপনি control panel এ ক্লিক করুন।
- এখানেও আপনি অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন ,তার মধ্য থেকে আপনি accecibility options এ ক্লিক করুন।
- দেখবেন যে আপনার সামনে একটি বক্স open হয়েছে।
- এই বক্স এর মধ্যে আপনি 4-5 টা ট্যাব দেখতে পাবেন।এখন আপনি মাউস ট্যাবে ক্লিক করুন।
- এখানে use mouse key লেখার বাম পাশে টিক চিহ্ন দেওয়ার জন্য একটি বক্স দেখতে পাইছেন,তাতে টিক চিহ্ন দেন।
- কাজ শেষ।
- এবার আপনি keyboard এর ডান পাশের 123456789 এই button গুলো টিপ দেন।mouse_and_kb02
- দেখবেন যে কাজ করতেছে।যদি কাজ না করে তাহলে num lock বাটন এ চাপ দিন।
- এবার দেখবেন কাজ করতেছে।
Friday, January 30, 2015
কোন রকম সফটওয়্যার ছারাই delete করুন আপনার পিসি এর সব shortcut folder
আমরা মোটামুটি সবাই sortcut virus সম্বন্ধে জানি।
আর এও জানি shortcut ভাইরাস যদি একবার পিসি তে প্রবেশ করে
তাহলে ...তা সরানো...খুবি ঝামেলার
তো যা হোক আমি একটি পদ্ধতি পেয়েছি জার মাধ্যমে shortcut ভাইরাস কে
ডিলিট করা যাবে
এবার কাজের কথায় আসি কি করতে হবে
প্রথমে আপনার পিসি এর কম্পিউটার এর ভিতর ঢুকুন
এরপর একেবারে ডানদিকে উপরে যে search box টা পাবেন ওইটায়
টাইপ করুন .lnk এবার enter দিন ...একটু অপেক্ষা করুন যতক্ষণ না
searching সম্পূর্ণ হয়
searching শেষ হওয়ার পর ধিরে ধিরে সব shortcut ফোল্ডার গুলু আসতে থাকবে
এখন কীবোর্ড এর ctrl+A একসাথে চেপে ধরে সবগুলো সিলেক্ট করে
ডিলিট করে ফেলুন
কিছু কিছু ফাইল নাও ডিলিট হতে পারে...এতে কোন সমসসা নেই
ডিলিট করার পর পর ই ভাল মানের একটি ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ ৭ অথবা ৮ দিয়ে নতুন করে সেটআপ দিন
আশা করি সব কিছু যদি ঠিক ঠাক মত করতে পারেন তাহলে ১০০% সফল হবেন
চিত্র...১

চিত্র...২

পরবর্তীতে জাতে shortcut virus আর না আসে এ জন্য ভাল মানের একটা antivirus ব্যবহার করুন
আমার কাছে kaspersky টা খুব ভাল লেগেছে
note: আপনার যদি কম্পিউটার বিষয়ে কম জ্ঞান থাকে ,তাহলে আপনি এটা করতে জাবেন না...computer সম্বন্ধে মোটামুটি জানে তাদের কাছে নিয়ে জান...............
আর এও জানি shortcut ভাইরাস যদি একবার পিসি তে প্রবেশ করে
তাহলে ...তা সরানো...খুবি ঝামেলার
তো যা হোক আমি একটি পদ্ধতি পেয়েছি জার মাধ্যমে shortcut ভাইরাস কে
ডিলিট করা যাবে
এবার কাজের কথায় আসি কি করতে হবে
প্রথমে আপনার পিসি এর কম্পিউটার এর ভিতর ঢুকুন
এরপর একেবারে ডানদিকে উপরে যে search box টা পাবেন ওইটায়
টাইপ করুন .lnk এবার enter দিন ...একটু অপেক্ষা করুন যতক্ষণ না
searching সম্পূর্ণ হয়
searching শেষ হওয়ার পর ধিরে ধিরে সব shortcut ফোল্ডার গুলু আসতে থাকবে
এখন কীবোর্ড এর ctrl+A একসাথে চেপে ধরে সবগুলো সিলেক্ট করে
ডিলিট করে ফেলুন
কিছু কিছু ফাইল নাও ডিলিট হতে পারে...এতে কোন সমসসা নেই
ডিলিট করার পর পর ই ভাল মানের একটি ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ ৭ অথবা ৮ দিয়ে নতুন করে সেটআপ দিন
আশা করি সব কিছু যদি ঠিক ঠাক মত করতে পারেন তাহলে ১০০% সফল হবেন
চিত্র...১
চিত্র...২
পরবর্তীতে জাতে shortcut virus আর না আসে এ জন্য ভাল মানের একটা antivirus ব্যবহার করুন
আমার কাছে kaspersky টা খুব ভাল লেগেছে
note: আপনার যদি কম্পিউটার বিষয়ে কম জ্ঞান থাকে ,তাহলে আপনি এটা করতে জাবেন না...computer সম্বন্ধে মোটামুটি জানে তাদের কাছে নিয়ে জান...............
Sunday, January 25, 2015
অনলাইনে নিরাপদ থাকতে করনীয়। জানুন ও মানুন, নইলে পস্তাবেন!!!
অনলাইনে কোনোকিছু প্রকাশ করার পর তা কখনোই মুছে ফেলা যায় না। এমনকি তার
ওপর আর পোস্টদাতার নিয়ন্ত্রণও থাকে না। আপনি অনলাইনে থাকতে ভালোবাসেন তার
মানে এই নয় যে, আপনার সবকিছু ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ
করতে হবে। টাইমস অফ ইন্ডিয়া অনুসরণে পাঁচটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হল।
আপনার অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসি যতই নিশ্ছিদ্র হোক, যত বাছাই করা অনলাইন
বন্ধু থাকুক না কেন, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে এ লেখায় দেওয়া কয়েকটা বিষয়
কখনোই অনলাইনে প্রকাশ করবেন না।
১. অন্তরঙ্গ ফটো ও ভিডিও
আপনার বর্তমান সময়ে সঙ্গীর সঙ্গে দারুণ উত্তেজনায় যদি কোনো অন্তরঙ্গ ভিডিও বা ছবি অনলাইনে পোস্ট করেন তা শিগগিরই আপনাকে ভোগানো শুরু করবে। অনলাইনের কোনো কিছু সম্পূর্ণ ডিলিট করা যায় না। যে মুহূর্ত আপনি কলিগ, বস, ভাইবোন বা পিতামাতাকে দেখাতে চান না, সেগুলো কখনোই ইন্টারনেটে দেবেন না।
২. ফোন নম্বর ও বিস্তারিত ঠিকানা
অনলাইন বন্ধুদের খুব ভালোভাবে বিশ্বাস করলেও এ ঝুঁকিটি নিতে যাবেন না কখনোই। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সরল হওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। ঠিক একই ভাবে অনলাইনে কোনো ভুয়া প্রতিষ্ঠানের লাকি ড্রয়ের জন্য ফর্ম ফিলাপ এড়িয়ে চলবেন। ভুয়া লাকি ড্র আপনাকে আনলাকি করে দিতে পারে।
৩. কাউকে আক্রমণ করবেন না
আপনার যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তা করাই ভালো। অনলাইন ব্যবহার করে কাউকে সরাসরি কোনো আক্রমণ করা উচিত নয়। কারণ তারা আপনাকে অনলাইন থেকে খুঁজে বের করতে পারবে সহজেই।
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত
আপনার বিল যদি অনলাইনে পরিশোধ করতে হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যাংকের বা বিল গ্রহণকারীর নিজস্ব ওয়েবসাইটে করা যেতে পারে। কিন্তু কখনোই আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর, এটিএম কার্ডের বিস্তারিত, পিন নম্বর কিংবা এ ধরনের কোনো তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করবেন না। কেউ এ ধরনের তথ্য চাইলে তাকে সন্দেহজনক তালিকায় রাখুন।
৫. প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত
আপনার দৈনন্দিন অনুভূতি, ভালোলাগা, খারাপলাগা, হাস্যরস ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় কোনো বাধা নেই। কিন্তু যদি ওমুক দোকানে কেনাকাটা করতে গেলাম, চায়ের দোকানে বসলাম ইত্যাদি প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত প্রকাশ শুরু করেন তাহলে তা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এ কারণে প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত অনলাইনে প্রকাশ করা অনুচিত।
১. অন্তরঙ্গ ফটো ও ভিডিও
আপনার বর্তমান সময়ে সঙ্গীর সঙ্গে দারুণ উত্তেজনায় যদি কোনো অন্তরঙ্গ ভিডিও বা ছবি অনলাইনে পোস্ট করেন তা শিগগিরই আপনাকে ভোগানো শুরু করবে। অনলাইনের কোনো কিছু সম্পূর্ণ ডিলিট করা যায় না। যে মুহূর্ত আপনি কলিগ, বস, ভাইবোন বা পিতামাতাকে দেখাতে চান না, সেগুলো কখনোই ইন্টারনেটে দেবেন না।
২. ফোন নম্বর ও বিস্তারিত ঠিকানা
অনলাইন বন্ধুদের খুব ভালোভাবে বিশ্বাস করলেও এ ঝুঁকিটি নিতে যাবেন না কখনোই। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সরল হওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। ঠিক একই ভাবে অনলাইনে কোনো ভুয়া প্রতিষ্ঠানের লাকি ড্রয়ের জন্য ফর্ম ফিলাপ এড়িয়ে চলবেন। ভুয়া লাকি ড্র আপনাকে আনলাকি করে দিতে পারে।
৩. কাউকে আক্রমণ করবেন না
আপনার যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তা করাই ভালো। অনলাইন ব্যবহার করে কাউকে সরাসরি কোনো আক্রমণ করা উচিত নয়। কারণ তারা আপনাকে অনলাইন থেকে খুঁজে বের করতে পারবে সহজেই।
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত
আপনার বিল যদি অনলাইনে পরিশোধ করতে হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যাংকের বা বিল গ্রহণকারীর নিজস্ব ওয়েবসাইটে করা যেতে পারে। কিন্তু কখনোই আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর, এটিএম কার্ডের বিস্তারিত, পিন নম্বর কিংবা এ ধরনের কোনো তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করবেন না। কেউ এ ধরনের তথ্য চাইলে তাকে সন্দেহজনক তালিকায় রাখুন।
৫. প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত
আপনার দৈনন্দিন অনুভূতি, ভালোলাগা, খারাপলাগা, হাস্যরস ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় কোনো বাধা নেই। কিন্তু যদি ওমুক দোকানে কেনাকাটা করতে গেলাম, চায়ের দোকানে বসলাম ইত্যাদি প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত প্রকাশ শুরু করেন তাহলে তা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এ কারণে প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত অনলাইনে প্রকাশ করা অনুচিত।
জেনে নিন ব্লগ থেকে আয় করার সেরা ৪টি উপায়
আমার আজকের লেখাটি মুলত যাদের নিজের ব্লগ আছে বা যারা নিজের ব্লগ চালু
করে ইন্টারনেটে ক্যারিয়ার গড়তে চায় তাদের জন্য। এই টিউনে আমি ব্লগ থেকে আয়
করার ৪ টি জনপ্রিয় উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
১। অ্যাড নেটওয়ার্কঃ ব্লগে অ্যাড শো করে আয় করা সম্পর্কে আমরা সবায় কম বেশি জানি কারণ এটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবচেয়ে কমন উপায়। এই পদ্ধতিতে আয় করার জন্য আপনার ব্লগে অনেক ভিসিটর থাকতে হবে। অবশ্যই সব ভিসিটর রিয়েল হতে হবে। অ্যাড শো করে আপনি প্রধাণত দুই ভাবে আয় করতে পারেন CPM এবং CPC.
CPM: CPM এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Mile, অর্থাৎ প্রতি ১০০০ জন ভিসিটরের জন্য আপনাকে পে করা হবে। তারা কোন অ্যাডে ক্লিক করলো কি করলো না তা চিন্তার বিষয় না। এই CPM রেট দেশ ভেদে ভিন্ন হয়। যেমনঃ সাধারণত আমাদের মত দেশের ক্ষেত্রে $0.10 - $1.50 এবং USA বা ইউরোপীয় দেশের ক্ষেত্রে $0.50 - $10 হয়ে থাকে।
CPC: CPC এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Click, অর্থাৎ আপনার অ্যাডে প্রতি ক্লিকের জন্য আপনাকে পে করা হবে। CPC দিয়ে ভাল আয় করতে হলে আপনার ব্লগের ভিসিটর অবশ্যই টার্গেটেড হতে হবে। CPC এর ক্লিক রেট দেশ এবং নেটওয়ার্ক ভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণত প্রতি ক্লিকের জন্য $0.10 - $100, কিছু কিছু ক্ষেত্রে $400 - $500 ও পে করে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাড নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Adsense
2. Chitika.com
3. Bidvertiser.com
4. Infolinks.com
5. Yllix.com
6. Green-red.com
২। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অনলাইনে আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেখানে আয়ের কোন সীমা নেই। মুলত কোন পণ্য অনলাইনে বিক্রি করাই হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। হতে পারে সেটা আপনার নিজের কোন পণ্য বা অন্য কারো পণ্য। বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে অনেক ধরনের পণ্য থেকে, আপনি আপনার নিজের পছন্দের পণ্য নিয়ে প্রমোট করতে পারেন। প্রত্যেক সেলের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন দেয়া হবে। এই কমিশনের পরিমাণ পণ্যের মূল্যের 5% শুরু করে 100% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Amazon associates
2. JVZoo
3. ClickBank
4. PeerFly
5. ShareAsale
6. ClickSure
৩। রিভিউ পোস্টঃ রিভিউ পোস্ট এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনার ব্লগ অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির হতে হবে। সাধারণত বাজারে কোন নতুন পণ্য আসলে সেটার প্রচার বাড়ানোর জন্য পেইড রিভিউ পোস্ট দেয়া হয়। ব্লগের মান ভেদে এক একটি রিভিউ পোস্টের জন্য $10 থেকে শুরু করে $2,000 পর্যন্ত দেয়া হয়। আপনি চাইলে আপনার ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ sponsoredreviews.com, payperpost.com)।
৪। অ্যাড স্পেস বিক্রিঃ সরাসরি কারো কাছে আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস বিক্রি করে আপনি সহজেই আয় করতে পারেন। সরাসরি অ্যাড বিক্রি করার জন্য আপনার ব্লগের মান ভাল হতে হবে এবং টার্গেটেড ভিসিটড় থাকতে হবে। সাধারণত ১ সাপ্তাহ, ১ মাস, ৩ মাস ইত্যাদি সময়ের জন্য আপনি আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস সেল করতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনি ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ buysellads.com)।
১। অ্যাড নেটওয়ার্কঃ ব্লগে অ্যাড শো করে আয় করা সম্পর্কে আমরা সবায় কম বেশি জানি কারণ এটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবচেয়ে কমন উপায়। এই পদ্ধতিতে আয় করার জন্য আপনার ব্লগে অনেক ভিসিটর থাকতে হবে। অবশ্যই সব ভিসিটর রিয়েল হতে হবে। অ্যাড শো করে আপনি প্রধাণত দুই ভাবে আয় করতে পারেন CPM এবং CPC.
CPM: CPM এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Mile, অর্থাৎ প্রতি ১০০০ জন ভিসিটরের জন্য আপনাকে পে করা হবে। তারা কোন অ্যাডে ক্লিক করলো কি করলো না তা চিন্তার বিষয় না। এই CPM রেট দেশ ভেদে ভিন্ন হয়। যেমনঃ সাধারণত আমাদের মত দেশের ক্ষেত্রে $0.10 - $1.50 এবং USA বা ইউরোপীয় দেশের ক্ষেত্রে $0.50 - $10 হয়ে থাকে।
CPC: CPC এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Click, অর্থাৎ আপনার অ্যাডে প্রতি ক্লিকের জন্য আপনাকে পে করা হবে। CPC দিয়ে ভাল আয় করতে হলে আপনার ব্লগের ভিসিটর অবশ্যই টার্গেটেড হতে হবে। CPC এর ক্লিক রেট দেশ এবং নেটওয়ার্ক ভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণত প্রতি ক্লিকের জন্য $0.10 - $100, কিছু কিছু ক্ষেত্রে $400 - $500 ও পে করে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাড নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Adsense
2. Chitika.com
3. Bidvertiser.com
4. Infolinks.com
5. Yllix.com
6. Green-red.com
২। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অনলাইনে আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেখানে আয়ের কোন সীমা নেই। মুলত কোন পণ্য অনলাইনে বিক্রি করাই হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। হতে পারে সেটা আপনার নিজের কোন পণ্য বা অন্য কারো পণ্য। বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে অনেক ধরনের পণ্য থেকে, আপনি আপনার নিজের পছন্দের পণ্য নিয়ে প্রমোট করতে পারেন। প্রত্যেক সেলের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন দেয়া হবে। এই কমিশনের পরিমাণ পণ্যের মূল্যের 5% শুরু করে 100% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Amazon associates
2. JVZoo
3. ClickBank
4. PeerFly
5. ShareAsale
6. ClickSure
৩। রিভিউ পোস্টঃ রিভিউ পোস্ট এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনার ব্লগ অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির হতে হবে। সাধারণত বাজারে কোন নতুন পণ্য আসলে সেটার প্রচার বাড়ানোর জন্য পেইড রিভিউ পোস্ট দেয়া হয়। ব্লগের মান ভেদে এক একটি রিভিউ পোস্টের জন্য $10 থেকে শুরু করে $2,000 পর্যন্ত দেয়া হয়। আপনি চাইলে আপনার ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ sponsoredreviews.com, payperpost.com)।
৪। অ্যাড স্পেস বিক্রিঃ সরাসরি কারো কাছে আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস বিক্রি করে আপনি সহজেই আয় করতে পারেন। সরাসরি অ্যাড বিক্রি করার জন্য আপনার ব্লগের মান ভাল হতে হবে এবং টার্গেটেড ভিসিটড় থাকতে হবে। সাধারণত ১ সাপ্তাহ, ১ মাস, ৩ মাস ইত্যাদি সময়ের জন্য আপনি আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস সেল করতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনি ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ buysellads.com)।
Sunday, January 18, 2015
নিজের মোবাইলটা বিক্রি করে দিচ্ছেন? তাহলে এই কাজগুলো অবশ্যই করে নিন আগে!
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আপনি কি চাইছেন আপনার পুরোনো
হ্যান্ডসেটটি বিক্রি করে দিয়ে নতুন একটি সেলফোন কিনতে? তবে আপনার সদ্য
ব্যবহৃত সেলফোনটি বিক্রি করার আগে সতর্কতার সাথে যে কাজগুলো অবশ্যই করবেন :
১. ফোন সেটে থাকা সব নম্বর কপি করে নিন :
অনেক সময় সিমে সেভ করার জায়গা শেষ হয়ে গেলে নম্বরগুলো হ্যান্ডসেটে সেভ হয়ে যায়। আপনি যদি আপনার হ্যান্ডসেটটি বিক্রি করে দিতে চান তাহলে অবশ্যই বিক্রির আগে ফোনের সব নম্বর হয় আপনার ল্যাপটপে নতুবা সিমকার্ডে সেভ করে নিন অথবা নতুন ফোনসেটে সেভ করে নিন। এতে করে আপনার কাছ থেকে কোনো নম্বর হারিয়ে যাবে না। আর বিক্রির আগে হ্যান্ডসেটে থাকা সব নম্বর ডিলিট করে দিন।
২. ব্যাটারি ফুলচার্জ করুন :
আপনি আপনার সেটটি যেখানে বিক্রি করতে যাচ্ছেন সেখানে সেটটি দেয়ার আগে ফোনটির ব্যাটারি ফুলচার্জ করে নিন। এতে করে কোনো ধরনের টেকনিক্যাল সমস্যা থেকে আপনার ফোনটি দূরে থাকবে।
৩. ছবি এবং ভিডিও ডিলিট করুন :
আপনার হ্যান্ডসেটটিতে অনেক ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও থাকতে পারে। এগুলো যেন আপনার সেটের সাথে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির হাতে না যায় সেজন্য বিক্রির আগে অবশ্যই এগুলো ডিলিট করুন বা প্রয়োজনে ল্যাপটপে সেভ করে তারপরে ডিলিট করুন। এতে করে কোনো ধরনের সমস্যা তৈরি হবে না।
৪. মেসেজ ডিলিট করুন :
ছবি এবং ভিডিওর মত আপনার কিছু ব্যক্তিগত মেসেজ থাকতে পারে। আপনার নিজের সেফটির জন্য হ্যান্ডসেটটি বিক্রির আগে আপনি এগুলো অবশ্যই ডিলিট করে নিন। এতে করে আপনার ব্যক্তিগত কোনো বিষয়ই কোনো তৃতীয় পক্ষ জানতে পারবে না।
৫. রিস্টোর ফ্যাক্টরি সেটিং সেট আপ দিতে পারেন :
আপনি আপনার সেলফোনটি বিক্রির আগে ফ্যাক্টরি সেটিংসে রিস্টোর সেটআপ দিতে পারেন। এতে করে আপনার কোনো ধরনের তথ্য নতুন ব্যবহারকারী পাবে না, পাশাপাশি সেটটি একেবারে নতুনের মত ব্যবহার করতে পারবেন।
১. ফোন সেটে থাকা সব নম্বর কপি করে নিন :
অনেক সময় সিমে সেভ করার জায়গা শেষ হয়ে গেলে নম্বরগুলো হ্যান্ডসেটে সেভ হয়ে যায়। আপনি যদি আপনার হ্যান্ডসেটটি বিক্রি করে দিতে চান তাহলে অবশ্যই বিক্রির আগে ফোনের সব নম্বর হয় আপনার ল্যাপটপে নতুবা সিমকার্ডে সেভ করে নিন অথবা নতুন ফোনসেটে সেভ করে নিন। এতে করে আপনার কাছ থেকে কোনো নম্বর হারিয়ে যাবে না। আর বিক্রির আগে হ্যান্ডসেটে থাকা সব নম্বর ডিলিট করে দিন।
২. ব্যাটারি ফুলচার্জ করুন :
আপনি আপনার সেটটি যেখানে বিক্রি করতে যাচ্ছেন সেখানে সেটটি দেয়ার আগে ফোনটির ব্যাটারি ফুলচার্জ করে নিন। এতে করে কোনো ধরনের টেকনিক্যাল সমস্যা থেকে আপনার ফোনটি দূরে থাকবে।
৩. ছবি এবং ভিডিও ডিলিট করুন :
আপনার হ্যান্ডসেটটিতে অনেক ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও থাকতে পারে। এগুলো যেন আপনার সেটের সাথে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির হাতে না যায় সেজন্য বিক্রির আগে অবশ্যই এগুলো ডিলিট করুন বা প্রয়োজনে ল্যাপটপে সেভ করে তারপরে ডিলিট করুন। এতে করে কোনো ধরনের সমস্যা তৈরি হবে না।
৪. মেসেজ ডিলিট করুন :
ছবি এবং ভিডিওর মত আপনার কিছু ব্যক্তিগত মেসেজ থাকতে পারে। আপনার নিজের সেফটির জন্য হ্যান্ডসেটটি বিক্রির আগে আপনি এগুলো অবশ্যই ডিলিট করে নিন। এতে করে আপনার ব্যক্তিগত কোনো বিষয়ই কোনো তৃতীয় পক্ষ জানতে পারবে না।
৫. রিস্টোর ফ্যাক্টরি সেটিং সেট আপ দিতে পারেন :
আপনি আপনার সেলফোনটি বিক্রির আগে ফ্যাক্টরি সেটিংসে রিস্টোর সেটআপ দিতে পারেন। এতে করে আপনার কোনো ধরনের তথ্য নতুন ব্যবহারকারী পাবে না, পাশাপাশি সেটটি একেবারে নতুনের মত ব্যবহার করতে পারবেন।
এবার কম্পিউটার অন-অফ হওয়ার সময় বাজবে গান…….
এই পোষ্টা আমার কাছেও খুব ভালো লেগেছে আশা করি আপনাদের ও ভালো লাগবে ।
কি ভাবছেন? যে কম্পিউটার ওপেন হবার সময় যদি Windows এর সাউন্ড না এসে যদি আপনার মনের মত একটা গান হত তাহলে খুব ভাল লাগত।
এই ভাএব যদি কারো মনে হয়,তাহলে তাদের আর চিন্তা নেই তাদের জন্য নিয়ে এলাম এই টিপর্স।
প্রথমে আপনার পছন্দের গানটি সিলেক্ট করুন এবং সেটাকে wav ফরমাটে পরিনত করুন এবং গানটি একটি নিরাপত যাগায় রাখুন এর পর Start>Control Panel>Sound And Audio drive>Sound,tap>Program Events>Start Windows>Browser> এভার আপনার গান সিলেক্ট করুন তার পর >Ok>Ok>এবার কম্পিউটার restart korun
ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন please।
Post টি ভাল লাগলে আমার ব্লগে ঘুরে আসবেন ।
একই সাথে Techolopo.com এ প্রকাশীত ।
Favoriteপ্রিয় টিউনসে যুক্ত কর
0
Saturday, January 17, 2015
WordPress Tutorial Bangal
WordPress Tutorial Part-01
বেশি কথা বলব না সবাই নিচের ভিডিও টা দেখে নিন সম্পূর্ণ বাংলা :
Saturday, January 10, 2015
Facebook ID hack হবে না ১০০% গ্যারান্টি
★★ ফেসবুক আইডি কখনো হ্যাক
হবেনা ★★
(১০০০% গ্যারান্টি)
×××××××××××××××××
ফেসবুকের ৯০%
ইউজাররা এটা জানেনা ।
আপনার পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ লগ ইন
করতে পারবেনা ।
তাহলে ধাপগুলা অনুসরণ করুন.....
১. ফেসবুকে লগ ইন করুন।
২. Settings & Privacy এ যান।
৩. Security এ যান।
৪. Login Approvals On
এর ডানপাশে Enable এ ক্লিক
করুন।
৫. খালি বক্সে আপনার ফোন
নাম্বার দিন। Ex. 186015.......
(0 দেয়া লাগবে না) ফোন
নাম্বার
কাজ
না হলে পাসওয়ার্ড দিন।
৬. আপনার ফোনে একটা ছয়
ডিজিটের কোড যাবে ।
৭.বক্সে কোডটি সাবমিট
করুন ।
*** এখন থেকে অন্যকোন
মোবাইল
বা পিসি দিয়ে আপনার
ফেসবুকে লগ ইন
করলে আপনার ফোনে কোড
আসবে ।
তাই আপনার
পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ
আপনার আইডি লগ ইন
করতে পারবে না ।
Comment এ একটা thanks
তো আশা করতে পারি,,
নাকি?? না হলে এসব সংগ্রহের
উৎসাহ পাই কিভাবে ?
হবেনা ★★
(১০০০% গ্যারান্টি)
×××××××××××××××××
ফেসবুকের ৯০%
ইউজাররা এটা জানেনা ।
আপনার পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ লগ ইন
করতে পারবেনা ।
তাহলে ধাপগুলা অনুসরণ করুন.....
১. ফেসবুকে লগ ইন করুন।
২. Settings & Privacy এ যান।
৩. Security এ যান।
৪. Login Approvals On
এর ডানপাশে Enable এ ক্লিক
করুন।
৫. খালি বক্সে আপনার ফোন
নাম্বার দিন। Ex. 186015.......
(0 দেয়া লাগবে না) ফোন
নাম্বার
কাজ
না হলে পাসওয়ার্ড দিন।
৬. আপনার ফোনে একটা ছয়
ডিজিটের কোড যাবে ।
৭.বক্সে কোডটি সাবমিট
করুন ।
*** এখন থেকে অন্যকোন
মোবাইল
বা পিসি দিয়ে আপনার
ফেসবুকে লগ ইন
করলে আপনার ফোনে কোড
আসবে ।
তাই আপনার
পাসওয়ার্ড
জানলেও কেউ
আপনার আইডি লগ ইন
করতে পারবে না ।
Comment এ একটা thanks
তো আশা করতে পারি,,
নাকি?? না হলে এসব সংগ্রহের
উৎসাহ পাই কিভাবে ?
CSS font size সিএসএস ফন্ট সাইজ (font-size) বিভিন্ন ফন্ট ইউনিট
ওয়েব ডিজাইন এর ক্ষেত্রে সবথেকে বিভ্রান্তিকর যে বিষয়গুলো তার
মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সিএসএস ফন্ট সাইজ এর (font-size) ইউনিট নির্ধারন। এমন
কোন ওয়েব ডিজাইনার নেই যে এই বিষয়টা নিয়ে সমস্যায় ভুগে নাই বা বিভ্রান্তিতে
পড়ে নাই। ওয়েব ডিজাইন এ ব্যাবহার করার জন্য ফন্ট সাইজ নির্ধারণের ৫ ধরনের
ইউনিট বর্তমান। এগুলো হচ্ছে – px, pt, %(percent), em এবং rem. এই ৫ ধরনের
ইউনিটে পরিমাপের বিষয় আলাদা আলাদা। এদের কাজ করার ধরনও আলাদা।
তবে এদের মধ্যে কোন ইউনিট বেশি উপযোগী বা কোন ইউনিটে কাজ করা বেশি ভালো তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক এতোটাই বেশি যে নির্দিষ্ট করে কোন ইউনিট বাছাই করা মুশকিল। একেক ডিজাইনার এর মতে এক এক ইউনিট বেশি কার্যকর। তাই বাছাই করার আগে আপনার উচিত সবগুলো ইউনিট এর ব্যাবহার, কর্মপদ্ধতি এবং সুবিধা-অসুবিধা জেনে নেওয়া জাতে আপনার কোডিং টিচার এর শিখিয়ে দেওয়া ইউনিট অন্ধের মত ব্যাবহার না করে আপনি আপনার কাছে যেটা ভালো মনে হয় সেটা বাছাই করে কাজ করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন নিজের কাজ করতে সুবিধা এই ধরনের ইউনিট বাছাই না করে বরং সেই ধরনের ইউনিট বাছাই করুন যেটা রেস্পন্সিভ এর ক্ষেত্রে কম সমস্যা সৃষ্টি করবে। তো চলুন জেনে নেই বর্তমান চলমান ৫ ইউনিট সম্পর্কেঃ

পোস্টটি পূর্বে এখানে প্রকাশিত।
তবে এদের মধ্যে কোন ইউনিট বেশি উপযোগী বা কোন ইউনিটে কাজ করা বেশি ভালো তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক এতোটাই বেশি যে নির্দিষ্ট করে কোন ইউনিট বাছাই করা মুশকিল। একেক ডিজাইনার এর মতে এক এক ইউনিট বেশি কার্যকর। তাই বাছাই করার আগে আপনার উচিত সবগুলো ইউনিট এর ব্যাবহার, কর্মপদ্ধতি এবং সুবিধা-অসুবিধা জেনে নেওয়া জাতে আপনার কোডিং টিচার এর শিখিয়ে দেওয়া ইউনিট অন্ধের মত ব্যাবহার না করে আপনি আপনার কাছে যেটা ভালো মনে হয় সেটা বাছাই করে কাজ করতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন নিজের কাজ করতে সুবিধা এই ধরনের ইউনিট বাছাই না করে বরং সেই ধরনের ইউনিট বাছাই করুন যেটা রেস্পন্সিভ এর ক্ষেত্রে কম সমস্যা সৃষ্টি করবে। তো চলুন জেনে নেই বর্তমান চলমান ৫ ইউনিট সম্পর্কেঃ
ফন্ট সাইজ এর ৫ ইউনিট (5 units to declare font-size):
px (পিক্সেল ইউনিট):
এটি বহুল প্রচলিত একটি ইউনিট বিশেষ করে ওয়েব ডিজাইন এর জন্য। যারা ডিজাইন থেকে ওয়েবে কনভার্ট করার কাজ করেন ডিজাইনকে পিক্সেল পারফ্যাক্ট করতে এর কোন জুড়ি নেই। কিন্তু এই ইউনিট এর একটা বড় সমস্যা আছে যা খুব কম ডিজাইনার খেয়াল করেন। কিন্তু সমস্যাটা অন্তত আমার কাছে খুব প্রকট মনে হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে –সবার জানা যে এখনকার প্রায় সব ট্যাব বা এইজাতীয় ডিভাইসের ওয়াইড ১০২৪ পিক্সেল বা কোন কোন ক্ষেত্রে তারও বেশি। কিন্তু জানেন তো ১০২৪ পিক্সেল হচ্ছে ডেক্সটপ এর ছোট মনিটর এর রেজুলশন। এখন কথা হচ্ছে ১০২৪ পিক্সেল এর ডেক্সটপ মনিটর ১৪ ইঞ্চি হয়ে থাকে যেখানে অনেক ট্যাব এর ডিসপ্লে সাইজ ৬ ইঞ্ছি। তারমানে বুজতেই পারছেন এখানে ৬ ইঞ্ছির মধ্যেই ১০২৪ পিক্সেল শো করানো হয়। অর্থাৎ একই রেজুলশন এর জন্য অর্ধেকের থেকেও ছোট সাইজের ডিসপ্লে। এখন ভাবুন তো যদি ১২পিক্সেলের কোন লেখা ১৪ ইঞ্চি এর একটা মনিটরে ভালোভাবে দেখা যায় একটা ৬ ইঞ্চি এর ছোট ডিসপ্লে তে সেটা কিরকম দেখা যাবে। এখনো না বুজে থাকলে একই ডিজাইন দুই মনিটরে ব্রাউজ করে দেখুন, তাহলেই বুজতে পারবেন।তাই আপনার ডিজাইন পিক্সেল পারফ্যাক্ট করতে বা অন্য কোন কারনে আপনাকে যদি পিক্সেল ইউনিট ব্যাবহার করতেই হয় তাহলে এই বিষয়টির উপর নজর দিন। দেখে নিন বড় মনিটরে কত সাইজের ফন্ট ব্যাবহার করলে ছোট ডিভাইসে তা দেখতে সমস্যা হয় না। আর সম্ভব হলে এমন ফন্ট ব্যাবহার করুন যেটা যত ছোটই দেখাক স্পষ্ট দেখা যাবে। আর এই ফন্ট সাইজ ইউনিট ব্যাবহারের রুল নিম্নরূপঃ
font-size: 14px;
pt (পয়েন্ট ইউনিট):
এটা মুলত প্রিন্ট মিডিয়াতে বেশি জনপ্রিয়। ১ পয়েন্ট হচ্ছে ১ ইঞ্চি এর ৭২ ভাগের ১ ভাগ। এটার মাপটা অনেকটাই পিক্সেলের মত। তবে পিক্সেল থেকে এর পার্থক্য হল এই ইউনিট ব্যাবহার করলে আপনি স্কেল দিয়ে পরিমাপ করতে পারবেন কিন্তু পিক্সেলের ক্ষেত্রে তা নয়। অর্থাৎ আপনি পিক্সেলে করা একটা ইমেজ প্রিন্ট করলে তাতে কত পিক্সেল আছে তা আর পরিমাপ করতে পারবেন না। ট্যাব এর স্ক্রিন নিয়ে পিক্সেল এর ক্ষেত্রে যেই সমস্যার কথা বলছি তা এই ক্ষেত্রেও বিদ্যমান। এই ইউনিটের ব্যাবহার নিম্নরূপঃfont-size: 14pt;
percent (%) (পারসেন্ট ইউনিট):
px এবং pt এর ক্ষেত্রে ট্যাব বা ছোট ডিভাইস জনিত যেই সমস্যা ছিল সেটা পারসেন্ট ইউনিট এর ব্যাবহারে সল্ভ করা সম্ভব। যেকোনো ডিভাইসের ক্ষেত্রে রুট ফন্টের একটা ডিফল্ট সাইজ থাকে। মানে ধরুন যদি ১০২৪ পিক্সেলের বড় মাপের স্ক্রিনে font-size: 100% মানে ১২ পিক্সেল হয় তবে ছোট ডিভাইসের ক্ষেত্রে তা সাধারনত বেশিই হয়। অর্থাৎ সেই ক্ষেত্রে font-size: 100% হতে পারে ১৪ পিক্সেল। তাহলে আর এই ক্ষেত্রে ট্যাব নিয়ে কোন সমস্যা রইলো না। তবে সবক্ষেত্রে যে রুট ভেলু দিয়েই হিসেব করবে তা নয়। এটি ব্যাবহারে কোন সাব ইলিমেন্ট তার পেরেন্ট ইলিমেন্ট এর সাথেও রিলেশন করে। অর্থাৎ আপনি যদি কোন ul এর ফন্ট সাইজ দেন 120% তবে এটি হয়তো ১৪.৪ পিক্সেল হবে। কিন্তু এর ভেতরে কোন li তে যদি কোন ul থাকে তবে সেই ul এর ফন্ট সাইজ হবে ১৭.২৮ পিক্সেল আবার তার ভেতরে যদি আরেকটা ul থাকে তবে তার ফন্ট সাইজ হবে ২০.৭৪ পিক্সেল। কিভাবে? প্রথম ul ছিল 120%, এখন যদি 100% = 12 px হয় তবে 120% = 1.2*12px = 14.4px. এইবার পরবর্তী ul এর ক্ষেত্রে এটি মূল ফন্টের সাথে তুলনা না করে এর পেরেন্ট ইলিমেন্টের সাথে তুলনা করবে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে পেরেন্টের ফন্ট সাইজ 14.4px সুতরাং এর ফন্ট সাইজ হবে 14.4*1.2 = 17.28px, এইভাবে পরবর্তীতে আবার 17.28*1.2 = 20.74px; সুতরাং বুজতেই পারছেন, এটিরও সীমাবদ্ধতা আছে। যাই হোক এই ক্ষেত্রে এইভাবে ব্যাবহার করতে হবেঃfont-size: 120%;
em (ইএম ইউনিট):
ওয়েবে ব্যাবহারের জন্য ইএম হচ্ছে একটা জনপ্রিয় ইউনিট। এটি বহুল ব্যবহৃত। এর কাজের ধরন অনেকটাই পারসেন্টের মত। 1 em = current font size. তারমানে বুজতেই পারছেন ইএম এও পারসেন্টের মত সাব ইলিমেন্ট জনিত প্রবলেম আছে। এর পরেও ইএম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর জনপ্রিয়তা নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না যদি rem না আসতো। এর ব্যাবহার নিম্নরূপঃfont-size: 1em;
rem (আরইএম ইউনিট):
ব্যক্তিগতভাবে যদি বলি আমার সবথেকে প্রিয় ইউনিট এটি। কারন এটি আমার সব সমস্যার সমাধান করে। যদিও মাঝে মাঝে আমি ফন্টের ক্ষেত্রে rem এবং em মিক্স করে ব্যাবহার করি। এটির ইউনিট সিস্টেম em এবং % এর মত। শুধু পার্থক্য হচ্ছে এটি সবসময় রুট ফন্ট সাইজের থাকেই সম্পর্ক করে। অর্থাৎ ডিভাইস বা ব্রাউজারের 100% = 1rem. অর্থাৎ এটি আসার পর পেরেন্ট এন্ড চাইল্ড জনিত সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। যদিও অনেক ডিজাইনার এখনো এই ইউনিট সম্পর্কে অবগত নন। rem ইউনিট এ font-size এরকম:font-size: 1rem;তো এই পোস্টটি পড়ে থাকলে আপনি অবশ্যই বুজতে পারছেন কোন ফন্ট সাইজ ইউনিট ব্যবহার করা বেশি যুক্তিযুক্ত অথবা কোনটি আপনার জন্য ভালো। আশা করি পোস্টটি আপনার ওয়েব ডিজাইন ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।
পোস্টটি পূর্বে এখানে প্রকাশিত।
Thursday, January 8, 2015
মাউস হিসেবে ব্যবহার করুন আপনার যেকোন স্মার্টফোন।
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি। উপরের শিরোনাম দেখে হয়তো বুঝে গেছেন আজকে কি শেয়ার করব।
আপনার কাছে স্মার্টফোন আছে তাহলে আজকের টিউন আপনার জন্য। কীবোর্ড আর মাউস এ আপনি যা করতে পারতেন, আপনার স্মার্টফোন দ্বারা ঠিক তাই করতে পারবেন। আর বক বক না করে কাজের কথায় আসি।
আপনার স্মার্টফোনের জন্য নিচ হতে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি। উপরের শিরোনাম দেখে হয়তো বুঝে গেছেন আজকে কি শেয়ার করব।
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভাল আছি। উপরের শিরোনাম দেখে হয়তো বুঝে গেছেন আজকে কি শেয়ার করব।
আপনার কাছে স্মার্টফোন আছে তাহলে আজকের টিউন আপনার জন্য। কীবোর্ড আর মাউস এ আপনি যা করতে পারতেন, আপনার স্মার্টফোন দ্বারা ঠিক তাই করতে পারবেন। এজন্য আপনার ল্যাপটপ বা পিসিতে Wi-Fi থাকতে হবে। আর বক বক না করে কাজের কথায় আসি।
আপনার স্মার্টফোনের জন্য নিচ হতে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
iPhone/iPod এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
iPad (HD) এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
Android এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
Windows Phone এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
এখন আপনার পিসির জন্য নিচ হতে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
Mac 10.7 or higher এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
Mac 10.5 and 10.6 এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
Windows 8/7/XP/Vista এর জন্য এই লিঙ্কে গিয়ে এ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড করা শেষে ইন্সটল করুণ (মনে রাখবেন আপনার পিসিতে অবশ্যই WLan বা Wi-Fi ডিভাইস থাকতে হবে) এবং ওয়াইফাই এর মাধ্যমে কানেক্ট করে উপভোগ করুণ বেতার মাউস। এর মাধ্যমে আপনি যেই কাজ গুলো করতে পারবেন তা নিচের ভিডিও YouTube ও ছবি গুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন।
হোয়াটসঅ্যাপ দিয়ে কথা বলা যাবে স্কাইপে Skype to what's apps
ইন্টারনেটঃ জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে ‘কল ভায়া স্কাইপ’ নামে নতুন ফিচার যোগ করতে যাচ্ছে ইন্টারনেট ভিত্তিক মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ। ফিচারটি যোগ হলে হোয়াটসঅ্যাপের সাহায্যে স্কাইপে কল করা যাবে। সম্প্রতি ম্যাকটেকব্লগ নামের একটি ওয়েবসাইটে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে, শিগগিরই হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস কলিং ফিচারও যোগ করা হবে। এছাড়া কল হোল্ড, কল মিউট, কল ব্যাক, কল ব্যাক ম্যাসেজ ফিচারও যোগ করা হবে।
এদিকে, হোয়াটসঅ্যাপের ডেস্কটপ ভার্সন আনা হচ্ছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন এর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যাসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পাভেল ডুরাভ । তবে এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোন তথ্য প্রকাশ করেনি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।
Saturday, January 3, 2015
Google Play Store এর বিভিন্ন Error এবং সমাধান
প্লে-স্টোরে অনেক সময় অ্যাপ ডাউনলোড দিতে গেলে সেটা ডাউনলোড না হয়ে,
অথবা অর্ধেক হয়ে বিভিন্ন Error কোড বা Error ম্যাসেজ দেখায়। কখনো অ্যাপ্স
আপডেট হয় না, কখনো ডাউনলোড হলেও ইনষ্টল হয় না। ফলে আমরা অনেক চিন্তার
ভিতরে পড়ে যাই। তবে এখন চিন্তার কিছু নেই, গুগল প্লে-ষ্টোরের বিভিন্ন
Error সমস্যার সমাধান নিয়েই আজকের পোস্ট।
► Play Store Error-49
→ অ্যাপ্স ডাউনলোড অর্ধেক হয়ে বন্ধ হয়ে যায়।
●► সমাধানঃ এই সমস্যার কারণ হচ্ছে ফোনে Cache Full হয়ে যাওয়া। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্স ও গেমস এবং ফাইল ডিলেট করে দিন। Recovery Mode এ গিয়ে Wipe Cache অপশন সিলেক্ট করে Cache Clear করে, ফোন চালু করে প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।
► Play Store Error-403
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ ফোনে দুইটি গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার ফলে এরকম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একটি Account ডিলেট করে দিন এবং মূল অ্যাকাউন্ট দিয়ে গুগল প্লে-স্টোর ওপেন করুন। এরপর অ্যাপটি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোডের চেষ্টা করুন।
► Play Store Error-413
→অ্যাপ্স ডাউনলোড অথবা আপডেট করা যায় না।
●► সমাধানঃ Proxy ব্যবহার করলে তা গুগল প্লে-স্টোরের বিভিন্ন অপারেশনে সমস্যা করতে পারে। Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Google Play Store অ্যাপ দুটির Data এবং Cache Clear করে Force Stop করুন। সেই সাথে ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজারের Cache Clear করুন।
► Play Store Error-491
→অ্যাপ্স ডাউনলোড এবং আপডেট হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Accounts থেকে আপনার Google অ্যাকাউন্ট টি Remove করুন। এবার আপনার ফোন Restart করে আবার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে Login করুন। এরপর Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এর Data Clear করুন এবং সবশেষে Force Stop করুন।
► Play Store Error-492
→অ্যাপ্স Install করা যায় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Google Play Store অ্যাপ দুটির Data এবং Cache Clear করে Force Stop করুন। এবার কাস্টম রিকভারি মোডে প্রবেশ করুন। Wipe Delvik Cache করুন। অথবা, Data Wipe/Factory Reset করুন।
**নোটঃ- Factory Reset করলে আপনার ফোনের ডাটা মুছে দিবে। তাই প্রয়োজনীয় ডাটা ব্যাকাপ রেখে নিন।
► Play Store Error-919
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় কিন্তু চালু হয় না।
●► সমাধানঃ এই সমস্যার কারন, আপনার ফোনের আর খালি জায়গা নেই অর্থাৎ মেমোরি ফুল। তাই ফোনের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্স ও ডাটা (অডিও, ভিডিও অথবা অন্য কোন বড় ফাইল) ডিলেট করে দিন।
► Play Store Error-921
→কোন অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All থেকে Google Play Store অ্যাপের Cache Clear করুন। এতে কাজ না হলে Play Store এর Data Clear করুন। সবশেষে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টটি রিমোভ করে ফোন রিস্টার্ট দিন এবং পুনরায় গুগল অ্যাকাউন্ট Login করুন।
**নোটঃ- Data Clear করলে অ্যাপটিতে আপনার সেটিংসগুলো Default হয়ে যাবে।
► Play Store Error-923
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ অপর্যাপ্ত Cache Syncing এর সময়ে Error দেখায়। এক্ষেত্রে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট Remove করুন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলেট করুন। এবার Recovery Mode এ গিয়ে Wipe Cache করুন। সবশেষে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট পুনরায় লগ ইন করুন।
► Play Store Error-927
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Play Store অ্যাপ দুটির Data ও Cache Clear করে Force Stop করুন। এরপরে প্লে-ষ্টোর চালু করে ডাউনলোড করার করুন।
► Play Store Error-49
→ অ্যাপ্স ডাউনলোড অর্ধেক হয়ে বন্ধ হয়ে যায়।
●► সমাধানঃ এই সমস্যার কারণ হচ্ছে ফোনে Cache Full হয়ে যাওয়া। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্স ও গেমস এবং ফাইল ডিলেট করে দিন। Recovery Mode এ গিয়ে Wipe Cache অপশন সিলেক্ট করে Cache Clear করে, ফোন চালু করে প্লে-ষ্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।
► Play Store Error-403
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ ফোনে দুইটি গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার ফলে এরকম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে একটি Account ডিলেট করে দিন এবং মূল অ্যাকাউন্ট দিয়ে গুগল প্লে-স্টোর ওপেন করুন। এরপর অ্যাপটি প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোডের চেষ্টা করুন।
→অ্যাপ্স ডাউনলোড অথবা আপডেট করা যায় না।
●► সমাধানঃ Proxy ব্যবহার করলে তা গুগল প্লে-স্টোরের বিভিন্ন অপারেশনে সমস্যা করতে পারে। Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Google Play Store অ্যাপ দুটির Data এবং Cache Clear করে Force Stop করুন। সেই সাথে ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজারের Cache Clear করুন।
► Play Store Error-491
→অ্যাপ্স ডাউনলোড এবং আপডেট হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Accounts থেকে আপনার Google অ্যাকাউন্ট টি Remove করুন। এবার আপনার ফোন Restart করে আবার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে Login করুন। এরপর Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এর Data Clear করুন এবং সবশেষে Force Stop করুন।
► Play Store Error-492
→অ্যাপ্স Install করা যায় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Google Play Store অ্যাপ দুটির Data এবং Cache Clear করে Force Stop করুন। এবার কাস্টম রিকভারি মোডে প্রবেশ করুন। Wipe Delvik Cache করুন। অথবা, Data Wipe/Factory Reset করুন।
**নোটঃ- Factory Reset করলে আপনার ফোনের ডাটা মুছে দিবে। তাই প্রয়োজনীয় ডাটা ব্যাকাপ রেখে নিন।
► Play Store Error-919
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় কিন্তু চালু হয় না।
●► সমাধানঃ এই সমস্যার কারন, আপনার ফোনের আর খালি জায়গা নেই অর্থাৎ মেমোরি ফুল। তাই ফোনের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্স ও ডাটা (অডিও, ভিডিও অথবা অন্য কোন বড় ফাইল) ডিলেট করে দিন।
► Play Store Error-921
→কোন অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All থেকে Google Play Store অ্যাপের Cache Clear করুন। এতে কাজ না হলে Play Store এর Data Clear করুন। সবশেষে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টটি রিমোভ করে ফোন রিস্টার্ট দিন এবং পুনরায় গুগল অ্যাকাউন্ট Login করুন।
**নোটঃ- Data Clear করলে অ্যাপটিতে আপনার সেটিংসগুলো Default হয়ে যাবে।
► Play Store Error-923
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ অপর্যাপ্ত Cache Syncing এর সময়ে Error দেখায়। এক্ষেত্রে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট Remove করুন এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলেট করুন। এবার Recovery Mode এ গিয়ে Wipe Cache করুন। সবশেষে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট পুনরায় লগ ইন করুন।
► Play Store Error-927
→অ্যাপ্স ডাউনলোড হয় না।
●► সমাধানঃ Settings>Apps>All এ গিয়ে Google Services এবং Play Store অ্যাপ দুটির Data ও Cache Clear করে Force Stop করুন। এরপরে প্লে-ষ্টোর চালু করে ডাউনলোড করার করুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)