আমি এখন আপনাদের সাথে উইন্ডোজ ৭ এর একটা লোডার শেয়ার করতে যাচ্ছি যেটা দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার উইন্ডোজ ৭ কে Activate করতে পারবেন । ডাউনলোড করে extract করবেন তারপর একটা ফাইল পাবেন সেটাকে ওপেন করে install করবেন ব্যাস আপনার কাজ শেষ । দেখবেন আপনার পিসির উইন্ডোজ ৭ Activate হয়ে গেছে । আমি লোডারটা 2shared এ আপলোড করে দিয়েছি । লোডারটা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন । আমি নিজে এটা চেক করে দেখেছি এটা ১০০% কাজ করে ।
Tuesday, March 25, 2014
আপনি কি আপনার উইন্ডোজ ৭ কে Activate করতে চান ? তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্যই
আপনি কি ল্যাপটপ ইউজ করেন? ল্যাপটপ খুব গরম হয়ে যায়? তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্যই
কিভাবে আপনার ল্যাপটপটা ঠাণ্ডা করবেন সেই নিয়েই আমার আজকের এই টিউন , তো চলুন আর বেশি বাজে কথা না বলে কাজের কথায় আসি ।



এছারা আপনি ইউটিউব থেকে এই ভিডিওটাও দেখতে পারেন এটা খুব কাজে দেবে
১) ল্যাপটপ রাখার জন্য একটা মসৃণ , শক্ত ও সমতল জায়গা খুঁজুন :
আমরা অনেক সময় বিছানায় ল্যাপটপটা নিয়ে কাজ করি । কখনই বিছানাতে রেখে ল্যাপটপ এ কাজ করবেন না । ল্যাপটপটা একটা মসৃণ , সমতল আর শক্ত জায়গাতে রাখুন যাতে হাওয়া চলাচল রুদ্ধ না হয় । কোলে রেখেও কাজ করাটা ঠিক না , মাটিতেও রাখবেন না ল্যাপটপটা কে কারন মাটি থেকে খুব সহজেই ধুলোবালি প্রবেশ করবে । সবথেকে ভালো একটা পরিস্কার টেবিল এ ল্যাপটপটা রেখে কাজ করুন । পারলে ঠাণ্ডা ঘরে ল্যাপটপটা রেখে কাজ করুন আর ল্যাপটপটাতে কখনই সরাসরি সূর্যালোক পরতে দিবেন না ।২) ল্যাপটপকে ধুলোবালি মুক্ত রাখুন :
ল্যাপটপ গরম হওয়ার একটা অন্যতম কারন হল ল্যাপটপে ময়লা জমা । ময়লা পরিস্কার করার জন্য আপনি computer vacuum ইউজ করতে পারেন । আর একটা উপায় হল ল্যাপটপটা খুলুন আর সরাসরি ফ্যানের তলায় রাখুন তবে খেয়াল রাখবেন যাতে ল্যাপটপটার কোন অংশে ক্ষতি না হয় । তবে এসব করার আগে যেটা অবশ্যই মনে রাখবেন সেটা হল ল্যাপটপটা যেন বন্ধ করা থাকে । আর যদি আপনি ল্যাপটপটার ময়লা পরিস্কার করতে না পারেন তাহলে service center এ নিয়ে গিয়ে দেখতে পারেন । কোন কোন ল্যাপটপ এ Dedusting বলে একটা অপশন থাকে যাতে আপনার ল্যাপটপটার ফ্যান এর স্পীড বেড়ে গিয়ে ময়লা পরিস্কার হয় । চেক করুন আপনার ল্যাপটপটাতে এ ধরনের কোন অপশন আছে কিনা ।৩) একটা স্ট্যান্ড কিনুন :
ল্যাপটপ এর জন্য বিভিন্ন স্ট্যান্ড কিনতে পাওয়া যায় সম্ভব হলে এরকম একটা স্ট্যান্ড কিনুন ।৪) ল্যাপটপ এর সেটিংস্ চেক করুন :
চেষ্টা করবেন একটু দামি ল্যাপটপ কিনতে বিশেষত যারা Game খেলেন আর Movie দেখেন । যদি আপনার ল্যাপটপ এর সফটওয়্যার গুলো ভালো কাজ করে তাহলে ওগুলো কে বিনা কারনে আপডেট করবেন না । যখন আপনি ল্যাপটপটা ব্যাটারিতে চালাবেন তখন চেষ্টা করবেন স্ক্রীন এর brightness কমিয়ে রাখার , যেসব application আপনি তখন ব্যবহার করবেন না সেগুলো বন্ধ করে রাখবেন । এতে করে আপনার ল্যাপটপটার সিপিউ এর উপর চাপ কমবে । সর্বোপরি, দেখবেন যেন ল্যাপটপটার power-management settings গুলো সব ঠিক আছে ।৫) ল্যাপটপটাকে রেস্ট দিন :
একটানা গেম খেলবেন না বা বেশি ভারি কাজ করবেন না । পারলে আপনার ল্যাপটপটাকে রেস্ট দিন । ল্যাপটপটাকে একটানা কয়েকদিন চালানও ঠিক না । ল্যাপটপটাকে ঠাণ্ডা করার জন্য কুলারও ব্যবহার করতে পারেন ।এছারা আপনি ইউটিউব থেকে এই ভিডিওটাও দেখতে পারেন এটা খুব কাজে দেবে
আপনার ল্যাপটপকে রাখুন ঠাণ্ডা সবসময়
ডেক্সটপ কম্পিউটার বহনের ঝামেলার কারনে ল্যাপটপ কম্পিউটারই এখন সবার
পছন্দ। তাছাড়া ল্যাপটপ কম্পিউটার এখন আধুনিকতার একটি অংশ। তরুনদের পছন্দের
তালিকায় প্রথমেই ল্যাপটপ কম্পিউটার। সহজে বহনযোগ্য, বিদ্যুৎ ছাড়াও
দীর্ঘক্ষণ কাজ এবং নানাবিধ কারনে ল্যাপটপ শুধু তরুণদেরই নয় সবারই পছন্দের
তালিকায় প্রথম। কিন্তু এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এর ঝক্কি ঝামেলাও কিন্তু
কম নয়। বিশেষ করে ল্যাপটপএর কন একটা যন্ত্র নষ্ট হলে পরিবর্তন করাতাও অনেক
ঝামেলার ব্যাপার। এ জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করার সময় কিছুটা সতর্কতা
অবলম্বন করতে হয়। যার মধ্যে একটি ল্যাপটপ যাতে গরম না হয়ে যায়। এ জন্য
আমরা অনেকেই ল্যাপটপএর স্ট্যান্ড ব্যবহার করি। এই ল্যাপটপ এর স্ট্যান্ড
আপনিও বানাতে পারেন আপনার ঘরে বসেই। যা আপনার ল্যাপটপকে রাখবে ঠাণ্ডা সব
সময়। তবে এর জন্য কিছু জিনিস প্রয়োজন।
যা যা প্রয়োজনঃ
১. ৬ টি প্লাস্টিক এর পিভিসি অ্যাঙ্গেল
২. পিভিসি পাইপঃ
৪. স্প্রে রঙ।
প্রথমেই
১ নং ছবির মত ২০ সেন্টিমিটার লম্বা একটি পাইপ এর মধ্যে ২ টি অ্যাঙ্গেল আঠা
দিয়ে ভালভাবে জোড়া লাগান এবং অপর মাথায় র একটি একটি অ্যাঙ্গেলসহ ৭
সেন্টিমিটার লম্বা পাইপটি জোড়া লাগান। হয়ে গেল স্ট্যান্ড এর একটি অংশ।
একইভাবে আরও একটি অংশ বানান। এবার ২২ সেন্টিমিটার লম্বা পাইপটি দিয়ে আগের
বানানো ২ টি অংশ জোড়া দিন ২ নং ছবির মত। এবার আপনার পছন্দমত রঙ করুন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার ল্যাপটপ এর স্ট্যান্ড।
যা যা প্রয়োজনঃ
১. ৬ টি প্লাস্টিক এর পিভিসি অ্যাঙ্গেল
২. পিভিসি পাইপঃ
- ২২ সেন্টিমিটার লম্বা একটি
- ২০ সেন্টিমিটার লম্বা দুইটি
- ৭ অথবা ৮ সেন্টিমিটার দুইটি
৪. স্প্রে রঙ।
কিন্তু
একটা ব্যপার মনে রাখবেন আপনি আপনার ল্যাপটপ এর মাপেই এটা বানাবেন। এখানে
স্ট্যান্ডার্ড মাপ দেখানো হয়েছে। এছাড়াও আপনি আপনার ট্যাব, নোটবুক,
আইপ্যাড এর জন্যও একইভাবে স্ট্যান্ড বানাতে পারেন। পিভিসি পাইপের পরিবর্তে
আপনি ইলেক্ট্রিক পাইপও ব্যবহার করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মজবুত কম হবে।
Monday, March 24, 2014
কম্পিউটার ক্র্যাশ হতে বেঁচে থাকাতে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস
ডিটিজাল জীবনে অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো হুটহাট করেই ঘটে। কোন কিছু বুঝে উঠার
আগেই সাড়ে সর্ব্বনাশ টা ঘটে যায়। তখন আমাদের মনে হয় হয়ত আরেকটু সতর্ক হওয়া
দরকার ছিল। যাই হোক, চোর চলে যাওয়ার পর মাথায় এত বুদ্ধির আগমন ক্ষতিপূরণ
যে কতটা করতে পারে তা আমার মত আপনারাও ভালো যানেন।
তাই সময় থাকতে সব বিষয়েই একটু সতর্ক থাকা দরকার। তাহলে হয়ত কিছু অনাঙ্খিত ব্যাপার এড়িয়ে চলা সম্ভব হবে। আপনার আমার কম্পিউটার যে কোন সময় ক্র্যাশ করতেই পারে। এটাকে অনাঙ্খিত না বললেও চলে। পিসি তে বসে একটা জরুরী রিপোর্টের উপর কাজ করছেন অথবা একটি অনলাইন গেমে আজ রেকর্ড পয়েন্ট পেয়ে যেতে মাত্র কিছুক্ষনই বাকী। হঠাৎ পিসি ফ্রিজ হয়ে গেল! কোন সাড়া শব্দ নাই। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আশায় বুক বেধে আবার চেষ্টা করলেন। কিছুই হল না। পিসি আর কথা বলে না।
এরপর ........
সেই ডেড ব্লু স্ক্রীন এরর। আপনাকে পিসি রিবুট করতে বলে নয়ত আপনার সিস্টেম ক্র্যাশ করতে পারে। এই ফ্রিজিং এর ক্ষিতকর ইফেক্ট এর ব্যাপারে হয়ত অনেকেরই আইডিয়া আছে। এই ফ্রিজিং যে সমস্ত কারণে ঘটে থাকে এবং যেভাবে আমরা এই ফ্রিজিং/ ক্র্যাশিং থেকে বেচে থাকতে পারব তার উপর একটু ধারনা নেয়া যাক -
এই সমস্ত RAM প্রবলেম গুলোকে চেক করার জন্যে আপনাকে কোন বিস্বস্ত মেমরি টেস্টিং টুল ব্যবহার করতে পারেন যার সাহায্যে আপনি বিভিন্ন টেষ্টের মাধ্যমে এরর ফাইন্ড আউট ও করতে পাবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে আপনার চিপগুলো ( অন্তত একটি ) কে একবার খুলে ফেলে পিসি স্টার্ট করে দেখতে পারেন যে সেই এররগুলোর কি অবস্থা। এবং সেই থেকে আপনি হয়ত আপনার এরর কে খুজেও পেয়ে যেতে পারেন।
এই সমস্ত সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে একটি ভালো এবং বাস্বস্ত এ্যান্টি ভাইরাস কে বেছে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনাকে একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, নয়ত আবার সমস্ত উটকো ঝামেলা পোহাতে হতে পারে আপনাকে। তাই আবারো বলে রাখি, সাবধান!!! আপনার এ্যান্টি ভাইরাস আপনাকেই বেছে নিতে হবে এবং সেগুলোর আপডেটিং এর ক্ষেত্রেও আপনাকে কড়া নজর রাখতে হবে।
তাই টিউনার বন্ধুদের আবার বলি, বার বার বলি, সময় থাককে একটু সচেতন হই।
আজ কেন জানি সেই পুরোনো লাইন দুটো আবার মনে পরে যাচ্ছে
তাই সময় থাকতে সব বিষয়েই একটু সতর্ক থাকা দরকার। তাহলে হয়ত কিছু অনাঙ্খিত ব্যাপার এড়িয়ে চলা সম্ভব হবে। আপনার আমার কম্পিউটার যে কোন সময় ক্র্যাশ করতেই পারে। এটাকে অনাঙ্খিত না বললেও চলে। পিসি তে বসে একটা জরুরী রিপোর্টের উপর কাজ করছেন অথবা একটি অনলাইন গেমে আজ রেকর্ড পয়েন্ট পেয়ে যেতে মাত্র কিছুক্ষনই বাকী। হঠাৎ পিসি ফ্রিজ হয়ে গেল! কোন সাড়া শব্দ নাই। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে আশায় বুক বেধে আবার চেষ্টা করলেন। কিছুই হল না। পিসি আর কথা বলে না।
এরপর ........
সেই ডেড ব্লু স্ক্রীন এরর। আপনাকে পিসি রিবুট করতে বলে নয়ত আপনার সিস্টেম ক্র্যাশ করতে পারে। এই ফ্রিজিং এর ক্ষিতকর ইফেক্ট এর ব্যাপারে হয়ত অনেকেরই আইডিয়া আছে। এই ফ্রিজিং যে সমস্ত কারণে ঘটে থাকে এবং যেভাবে আমরা এই ফ্রিজিং/ ক্র্যাশিং থেকে বেচে থাকতে পারব তার উপর একটু ধারনা নেয়া যাক -
সফটওয়্যার সমস্যা
সফটওয়্যার প্রবলেমগুলো তখনই দেখা দেয় যখন আপেডশানে সমস্যা হয় অথবা ডিভাইস ড্রাইভার সংক্রান্ত কোন সমস্যা দেখা দেয়। যদি এই রকম সমস্যা দেখা দেয় তখন আমাদের যা করনীয় তা হল - এই ফল্টি সফটওয়্যারকে আনইন্সটল করে দেয়া অথবা রিইন্সটল করে দেয়া। সম্ভব হলে আপডেট করে নেয়া।ত্রুটিপূর্ণ RAM
আমাদের অনেকের পিসিতে ই একাধীক RAM চিপ আছে। এই চিপ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো দেখা দেয় যখন এগুলোর কনফিগারেশানে কোন সমস্যা হয় অথবা ইন্টারনালি ফ্যাব্রিকেশান এর সময় কোন ফল্ট থেকে যায়। আর ভয়ের কথা হল এই চিপ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো খুবই বিপজ্জনক হয়ে থাকে এবং ফ্যাটাল এরর ঘটিয়ে থাকে। যা আপনার পিসিকে তার নরমাল ফাংশান হতে বিরত রাখতে পারে সর্বোপরি ক্র্যাশও ঘটাতে পারে।এই সমস্ত RAM প্রবলেম গুলোকে চেক করার জন্যে আপনাকে কোন বিস্বস্ত মেমরি টেস্টিং টুল ব্যবহার করতে পারেন যার সাহায্যে আপনি বিভিন্ন টেষ্টের মাধ্যমে এরর ফাইন্ড আউট ও করতে পাবেন। তাছাড়া আপনি চাইলে আপনার চিপগুলো ( অন্তত একটি ) কে একবার খুলে ফেলে পিসি স্টার্ট করে দেখতে পারেন যে সেই এররগুলোর কি অবস্থা। এবং সেই থেকে আপনি হয়ত আপনার এরর কে খুজেও পেয়ে যেতে পারেন।
হার্ডডিস্কে সমস্যা
এই সমস্যাটি আমাদের অনেকেরই হয়ে থাকে। সাধারনত অপ্রয়োজনীয় টুল ইন্সটল করে পিসি কে জ্যাম করে ফেললেও এই সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন পিসি ব্যবহারকারীদের আরেকটু সতর্ক হতে হবে। কারন এই জিনিস তারা একটু বেশী করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টেশানও অনেক সময় অনাকঙ্খিতভাবে পিসিকে স্লো ডাউন করে দিতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল ড্যামেজ করে দিতে পারে। এই জন্যে আপনাকে বুঝে শুনে সফটওয়্যারে ইন্সটল করতে হবে। আর আর ইন্সটলিং এর জন্যে আপনি একটি ভাল থার্ড পার্টি আন ইন্সটলার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। যেমন - রিভো আনইন্সটলার। যাতে সফটওয়্যার আন ইন্সটল করার পর কোন লেফটওভার ফাইল থেকে না যায়। আপনি চাইলে একটি ডিস্ক ক্লিনআপ সফটওয়্যার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এমনই একটি ডিস্ক ক্লিনার হল সিক্লিনার। যা আপনার জাঙ্ক ফাইলগুলো কে পিসি থেকে রিমুভ করে দেবে।ভাইরাল এবং স্পাইওয়্যার ইনফেকশান
ভাইরাসের মত ম্যালিসিয়াস ইনফেকশান ট্রোজান, ওর্মস এবং ভিভিন্ন স্পাইওয়্যার আপনার সিস্টেমে চুপিচুপি একটা বাজে অভিজ্ঞতার স্বাদ পাইয়ে দিতে পারে। এই সমস্ত ম্যালওয়্যার বিভিনন্ন ধরনের কম্পিউটার এরর জেনারেট করতে পারে। এর মধ্যে আছে - সিস্টেম ক্র্যাশ, পার্সোনাল ডাটা চুরি হওয়া এবং সবচেয়ে বাজে ব্যাপারটা হল আপনার হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ হওয়া।এই সমস্ত সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে একটি ভালো এবং বাস্বস্ত এ্যান্টি ভাইরাস কে বেছে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনাকে একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, নয়ত আবার সমস্ত উটকো ঝামেলা পোহাতে হতে পারে আপনাকে। তাই আবারো বলে রাখি, সাবধান!!! আপনার এ্যান্টি ভাইরাস আপনাকেই বেছে নিতে হবে এবং সেগুলোর আপডেটিং এর ক্ষেত্রেও আপনাকে কড়া নজর রাখতে হবে।
রেজিষ্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যা
রেজিষ্ট্রি ব্যাপারটাকে আমরা অনেকেই গুরুত্ব দেইনা। যদিও বাস্তবে একটি খুবই ইম্পরটেন্ট সেকশান। আনস্টেবল, ফ্র্যাগমেন্টেড এবং স্লো রেজিস্ট্রিরির কারণে আপনার সিস্টেমটা যদি ক্র্যাশ করেই ফেলে তাহলে আর দয়া করে অবাক হবেন না। এই সমস্ত রেজিষ্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যা এড়াতে একটি ভালো রেজিষ্ট্রি ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন এবং নিয়মিত আপনার রেজিস্ট্রি ক্লিয়ার করে রাখতে পারেন।তাই টিউনার বন্ধুদের আবার বলি, বার বার বলি, সময় থাককে একটু সচেতন হই।
আজ কেন জানি সেই পুরোনো লাইন দুটো আবার মনে পরে যাচ্ছে
আপনার কম্পিউটার নিয়ন্ত্রন করুন নিজের কথার মাধ্যমে (ভয়েস এক্টিভেটেড কম্পিউটার)
আসসালামু আলাইকুম,
আশা
করি সবাই ভাল আছেন।আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরব Windows Vita & Windows 7
এর একটি অসাধারন ফিচার।সম্প্রতি ঢাকার ডিজিটাল মেলায় নাকি বুয়েটের কিছু
ছাত্র এই বিষয়টি প্রদশরন করে।কিন্তু তারা নাকি দাবি করে এটা তাদের নিজেদের
আবিষকার।আসলে এই Software টি
নিরমান করেছে
Microsoft Company.যাই হোক আমরা এই Software এর মাধ্যমে Computer কে নিজের
Voice এর সাহায্য নিয়ন্ত্রন করতে পারব।এজন্য Computer এর সাথে একটি
Microphone হলেই আপনি কাজ করতে পারবেন।
এবারে আসুন কিভাবে কাজ করবেন সেটা নিয়ে আলোচনা করি।
প্রথমে Control Panel এ গিয়ে Search করুন Speech Recognition তারপর নিচের নিয়মে কাজ করুন।
কিছু Screenshot দিলাম এবং নিয়মাবলি।
আপনি প্রথমেই আপার Microphone Setup করে নিন।উপরের চিত্র অনুযায়ী।আপানার Microphone কি ধরনের সেটা নিরবাচন করুন।
Microphone Adjust করার জন্য কিছু লেখা দিবে সেগুলো পড়তে হবে।
তারপর প্রথম ছবির চিত্র অনুযায়ী Take Speech Tutorial এ ক্লিক করুন।তখন এরকম একটি
Screen আসবে।এখানে যেটা বলবে সেটা আপনাকে করতে হবে।
speech Recognition এর Switch ON\OFF এর জন্য Start listening\Stop listening
Voice ব্যবহার করতে হবে অথবা Microphone logo তে ক্লিক করতে হবে।
এখানে বলা হয়েছে say next to continue এখানে next বললে এটা পরবরতী স্তেপ এ চলে যাবে।
notepad,Wordpad,Microsoft office এর প্রোগ্রাম এ আপনি যেটা বলবেন সেটা Text এ পরিনত হবে।
মনে করেন একটা প্রোগ্রাম এ আপনি কাজ করছেন তখন আপনি Minimize that বললে সেটা Minimize হয়ে যাবে।Close that বললে বন্ধ হয়ে যাবে।
Scroll bar এর নিয়ন্ত্রন করার জন্য বলতে হবে Scroll Down\Up. তাহলে Scroll bar Move করবে।
Windows পরিবেশে start বললে Start Button Click হবে।
মেনু সিলেক্ট এর জন্য go to<menu name>বললে সেই মেনুতে চলে যাবে।
আপনি আপনার প্রোগ্রাম ওপেন করবেন Start<Program Name>. Start বলে প্রোগ্রাম এর নাম
বললেই সেই প্রোগ্রাম অন হবে।
তারপর মেনু থেকে Speech Recognition Voice Training এ ক্লিক করে আপনাকে Training দিতে হবে।এটা করলে কম্পিউটার এর সাথে আপনার Voice টা Adjust হবে।
এখানে কিছু লেখা দিবে সেগুলো আপনাকে পড়তে হবে।
Windows পরিবেশে Computer,RecycleBin ইত্যাদি বললে সেটা সিলেক্ট হবে,আর Enter বললে সেটা অন হবে।
যেকনো জায়গায় আপনি Show Numbers বললে সেখানে বিদ্যমান সকল Object এর উপর নাম্বার ভাসতে থাকবে আপনার পছন্দমত নাম্বার টি বললে সেটা সিলেক্ট হবে তারপর Ok বললে সেটা অন হবে।
যেকনো এডিটর স্ক্রীন এ আপনি কথার সাহায্য লিখতে পারবেন।
আশা করি আপনারা এটি উপভোগ করবেন।
windows XP তে ব্যবহার এর জন্য নিয়ম দেখুন এখানে http://support.microsoft.com/kb/306537
ধন্যবাদ সবাইকে ,ভালো থাকবেন।
এবার আপনার কম্পিউটার থেকে মোবাইল নিয়ন্ত্রন করুন!!!!!!
বন্ধুরা আপনারা নিশ্চয়ই এমন অনেক সফটওয়্যার এর কথা শুনেছেন যার মাধ্যমে
মোবাইল থেকে পিসি কে নিয়ন্ত্রন করা যায়। তাহলে এর উল্টোটা কেন সম্ভব
নয়।!!!!
সম্ভব… কিন্তু এটি সুধু android মোবাইল এর জন্য কাজ করবে। তাই এই সফটওয়্যার এর পরিচয় এবং সেটআপ সহ আজ সবকিছু আপনাদের সামনে তুলে ধরব,
MY MOBILIOR FOR ANDROID >
MY MOBILIOR হল একটি ডেস্কটপ অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যান ড্রয়েড ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন ইউএসবি কেবল বা ওয়াইফাই এর মাধ্যমে। আপনি আপনার পিসি থেকে ভিডিও বা ছবি তুলতে পারবেন। আপনার ডিভাইস কে কি বোর্ড এবং মাউস দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
MY MOBILIOR এর সুবিধা সমূহ
> আপনার পিসি থেকেই ছবি তুলতে পারবেন।
> যে কোন ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন।
> মোবাইল ও পিসিতে একসাথে কপি পেস্ট করতে পারবেন ।
>অ্যান ড্রয়েড ২.২ বা পরবর্তী ভার্সন সমর্থিত
Download Link
http://mymobiler-for-android.en.lo4d.com/
এটি কিভাবে সেটআপ করবেন?
হবে। ink. http://www.samsung.com/us/support/downloads
android support usb draiver এর জন্য http://developer.android.com/tools/extras/oem-usb.html এখানে ভিসিট করতে পারেন।
আর আপনি যদি এই ঝামেলা না করতে চান তবে ওয়াইফাই দিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারেন।
সম্ভব… কিন্তু এটি সুধু android মোবাইল এর জন্য কাজ করবে। তাই এই সফটওয়্যার এর পরিচয় এবং সেটআপ সহ আজ সবকিছু আপনাদের সামনে তুলে ধরব,
MY MOBILIOR FOR ANDROID >
MY MOBILIOR হল একটি ডেস্কটপ অ্যাপ যার মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যান ড্রয়েড ডিভাইস নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন ইউএসবি কেবল বা ওয়াইফাই এর মাধ্যমে। আপনি আপনার পিসি থেকে ভিডিও বা ছবি তুলতে পারবেন। আপনার ডিভাইস কে কি বোর্ড এবং মাউস দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
MY MOBILIOR এর সুবিধা সমূহ
> আপনার পিসি থেকেই ছবি তুলতে পারবেন।
> যে কোন ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন।
> মোবাইল ও পিসিতে একসাথে কপি পেস্ট করতে পারবেন ।
>অ্যান ড্রয়েড ২.২ বা পরবর্তী ভার্সন সমর্থিত
Download Link
http://mymobiler-for-android.en.lo4d.com/
এটি কিভাবে সেটআপ করবেন?
Dekstop Setup
1. Installing a USB driver
প্রথমে আপনাকে আপনার ডিভাইস এর জন্য এর ইউএসবি ড্রাইভার ডাউনলোড করতে হবে। আমার স্যামসাঙ ফোন তাই আমার ড্রাইভার আছে স্যামসাঙ সাপোর্ট পেজে । আপনাকেও তেমনিভাবে আপনার ডিভাইস এর মডেল অনুসারে ড্রাইভার খুযে বের করতেহবে। ink. http://www.samsung.com/us/support/downloads
android support usb draiver এর জন্য http://developer.android.com/tools/extras/oem-usb.html এখানে ভিসিট করতে পারেন।
আর আপনি যদি এই ঝামেলা না করতে চান তবে ওয়াইফাই দিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারেন।
2. Android pre-setup
- Enable USB Debugging (Settings > Apps > Development > USB Debugging)
- Enable Unknown Source (Settings > Apps > Unknown sources)
3. Connect with USB cable.
আপনার ডিভাইস কে ইউএসবি কেবল দিয়ে সংযুক্ত করুন। আপনাকে দেখতে হবে “USB Conencted” এবং “USB debugging connected“. আসছে কিনা।
আপনি ইউএসবি কানেকশান এর বরতমান অবস্থাও চেক করতে পারেন । 4. Installing MyMobiler Desktop
উপরের লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যার টি নামিয়ে নিন। আপনার ডিভাইস সংযুক্ত থাকলে সেখানে allow আসবে। আর allow না আস্লেও কোন সমসসা নেই।
;
কিন্তু আপনার অ্যান ড্রয়েড ডিভাইস এ যদি কিছু না হয় তাহলে আবার ইন্সটল করুন ।
(Mobiler icon – Android Device – Install)
5. Connect from Desktop
এবার আপনার ডেক্সটপ এ যান ট্রে আইকন থেকে কানেক্ট করুন । কানেক্ট হলে নিচের ছবির মত দেখাবে।
Android Setup
1. Mobiler Service
আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেটিং দেখায় mobiler service : yes]. (Android – Setup Device)
কিন্তু এটি যদি দেখায় [mobiler service : no], connect with USB cable and connect from desktop. (Desktop – Tray icon – Connect)
2. Keyboard
এবার মোবাইল কি বোর্ড চালু করুন। Android: [Change Keyboard] – [Setup input method] । অথবা ডেস্কটপ এ রাইট বাটন ক্লিক করে এটি পরিবর্তন করুন -
-
যদি কোন ভুল ডিসপ্লে দেখায় তবে এটি ট্রাই করতে পারেন। Android – [Setup Device] – [display] – [display] – [3. Other]
Uninstall
আপনি অ্যান দ্রয়েড এ এটি অ্যান ইন্সটল করতে পারেন। "Setting"-"Apps". Or click Mobiler icon on desktop -"Device"-"Uninstall".
আর ডেস্কটপ এ এর কোন registry থাকে না তাই সরাসরি সব ফাইল ডিলিট করে দিলেই হবে।
এই সফটওয়্যার এর কিছু শর্ট কার্ট কি
Screenshot: Save current screen to clipboard [Ctrl-S]
Screenshot: Save current screen to file (jpg, png) [Ctrl-F]
Video capture: Video record [Ctrl-M]
Presentation : Toggle a full screen mode. [F11]
কি ভাবে আপনি আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্ট গোপন রাখবেন ???
আমি আজকে যে বিষয়ে বলব তা হোল "কি ভাবে আপনি আপনার ফেসবুক Friend লিস্ট
গোপন রাখবেন ?" আপনি যদি ফেসবুক Friend লিস্ট গোপন রাখতে চান তাহলে নিচের
স্টেপ গুলো ফলো করুন।
১ প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল এ ক্লিক করুন
২ এরপর আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিস্ত এ ক্লিক করুন
৩ আপনি ফ্রেন্ড লিস্ত এ ক্লিক করার পর আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিস্ত দেকতে পাবেন, আপনি এই পেজ এর উপরের দিকে খেয়াল করুন এবং "EDIT" ওপশাণ এ ক্লীক করুণ । নিচের ছবির মতো ।
৪ এডিট অপশন এ ক্লিক করার পর আপনি একটা পপ আপ মেনু দেকতে পাবেন এবং ঐ খানে এই লেখা দেকতে পাবেন "Who can see your friend list on your timeline?' এবং এই লেখার নিচে একটা অপশন দেকতে পাবেন এখন ঐ অপশন এ ক্লিক করে আপনার পছন্দ মতো সেটিং করে নিন।
১ প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইল এ ক্লিক করুন
২ এরপর আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিস্ত এ ক্লিক করুন
৩ আপনি ফ্রেন্ড লিস্ত এ ক্লিক করার পর আপনি আপনার ফ্রেন্ড লিস্ত দেকতে পাবেন, আপনি এই পেজ এর উপরের দিকে খেয়াল করুন এবং "EDIT" ওপশাণ এ ক্লীক করুণ । নিচের ছবির মতো ।
৪ এডিট অপশন এ ক্লিক করার পর আপনি একটা পপ আপ মেনু দেকতে পাবেন এবং ঐ খানে এই লেখা দেকতে পাবেন "Who can see your friend list on your timeline?' এবং এই লেখার নিচে একটা অপশন দেকতে পাবেন এখন ঐ অপশন এ ক্লিক করে আপনার পছন্দ মতো সেটিং করে নিন।
কি ভাবে আপনার পেণ ড্রাইব কে রেম হিসেবে ব্যবহার করবেন ?
আমি আজকে যে বিষয়ে বলব তা হোল "কি ভাবে আপনি আপনার পেণ ড্রাইব কে রেম
হিসেবে ব্যবহার করবেন ? এ বিষয়ে হয়তো অনেকে জানেন তবু ও লিখছি যারা জানেন
না তাদের কথা ভেবে । যা হোক এখন শুরু করি কি ভাবে আপনার পেণ ড্রাইব কে রেম
হিসেবে ব্যবহার করবেন ?
১. প্রথমে আপনি আপনার পেণ ড্রাইব কে আপনার পিসির ইউএসবি পোর্ট এ ইন্সাট করুন
২ এরপর আপনি আপনার ডেক্সটপ এর মাই কম্পিউটার অপশন এ গিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করে প্রপারটিজ অপশন যান।
৩ এরপর আপনি প্রপারটিজ অপশন এর এডবান্স অপশন এ ক্লিক করুন
৪ এরপর পারপরমেনস্ অপশন এ গিয়ে সেটিং এ ক্লিক করুন
৫ সেটিং এ ক্লিক করার পর এডবান্স টেব এ ক্লিক করুন
৬ এখন আপনি ভাচু্য়াল মেমরি তে গিয়ে চেঞ্জ বাটন ক্লিক করুন
৭ এখন আপনি আপনার ইউএসবি ড্রাইভ সিলেকট্ করুন এবং কাসটম সাইজ রেসু বাটন ক্লিক করুন এবং ভেলু হিসেবে শুরুতে ১০২০ এবং শেষে ১০২০ দিন। ভেলু কত দিবেন এটা ডিপেনড করে আপনার পেণ ড্রাইব এর কেপাসিটির উপর।
৮ এখন আপনি সেট বাটন ক্লিক করে ওকে করুন এবং সবষেশে আপনার পিসি রি-ইসটাট করুনা
এই কাজটুকু ভালো ভাবে করতে পারেল আপনার পিসি অনেক দ্রুত হবে। কোন সমস্যা হলে কমেনট করে জানাবেন।
১. প্রথমে আপনি আপনার পেণ ড্রাইব কে আপনার পিসির ইউএসবি পোর্ট এ ইন্সাট করুন
২ এরপর আপনি আপনার ডেক্সটপ এর মাই কম্পিউটার অপশন এ গিয়ে রাইট বাটন ক্লিক করে প্রপারটিজ অপশন যান।
৩ এরপর আপনি প্রপারটিজ অপশন এর এডবান্স অপশন এ ক্লিক করুন
৪ এরপর পারপরমেনস্ অপশন এ গিয়ে সেটিং এ ক্লিক করুন
৫ সেটিং এ ক্লিক করার পর এডবান্স টেব এ ক্লিক করুন
৬ এখন আপনি ভাচু্য়াল মেমরি তে গিয়ে চেঞ্জ বাটন ক্লিক করুন
৭ এখন আপনি আপনার ইউএসবি ড্রাইভ সিলেকট্ করুন এবং কাসটম সাইজ রেসু বাটন ক্লিক করুন এবং ভেলু হিসেবে শুরুতে ১০২০ এবং শেষে ১০২০ দিন। ভেলু কত দিবেন এটা ডিপেনড করে আপনার পেণ ড্রাইব এর কেপাসিটির উপর।
৮ এখন আপনি সেট বাটন ক্লিক করে ওকে করুন এবং সবষেশে আপনার পিসি রি-ইসটাট করুনা
এই কাজটুকু ভালো ভাবে করতে পারেল আপনার পিসি অনেক দ্রুত হবে। কোন সমস্যা হলে কমেনট করে জানাবেন।
Windows 8 এর Family Safety, আপনার PC যেই ব্যবহার করুক না কেন থাকবে আপনার পূর্ন নিয়ন্ত্রন
Windows 8 এর একটি অত্যন্ত উন্নত ফিচার হচ্ছে Family Safety. যারা
windows 7 এ Parental controls ব্যবহার করেছেন তারা এটি খুব সহজেই বুঝতে
পারবেন। windows 7 এর Parental controls কে অনেকাংশে upgrade ও modify করে
অনেক নতুন অপশন যুক্ত করে একে Family Safety নামে প্রকাশ করা হয়েছে। মুলত
নিজের কম্পিউটার কে অন্য কারো access থেকে নিয়ন্ত্রন করতে ও বাচ্চাদের
অনুপোযোগী দিক গুলোকে (যেমনঃ Adult sites, Adult games ইত্যাদি) বাচ্চাদের
নাগালের বাইরে রাখতে ও বাচ্চাদের পড়ালেখার সময় তাদের কম্পিউটারের প্রতি
আসক্তি থেকে মুক্ত রাখার জন্যই এই Family Safety.
Administrative user এ Family safety ব্যবহার করা যায় না। Administrative user ছাড়াও আরো একটি Standard user রাখতে হবে যেটি আগন্তুক বা আপনার ঘরের বাচ্চাকাচ্চারা ব্যবহার করবে। এই Standard user টায় আপনি Family safety ব্যবহার করে রাখতে পারবেন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে।
এখন এক নজরে দেখুন আপনি কি কি বিষয়ের উপরে ও কি ভাবে নিয়ন্ত্রন রাখতে পারবেন এই user এর কার্যক্রমের উপর।
1. Time Limits: সপ্তাহের কোন কোন দিন কয়টা থেকে কয়টা এবং দিনে সর্বোচ্চ কতক্ষন ব্যবহার করা যাবে তা আপনি নির্ধারন করে দিতে পারবেন। Week day এবং Week End এ আলাদা আলাদা ভাবে এই সময় নির্ধারন করা যাবে।
2. Web filtering: এই অপশন ব্যবহার করে ঠিক কি ধরনের Web site এই user থেকে visit করা যাবে তা নির্ধারিত করে দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি চাইলে নির্দিষ্ট কিছু website ব্যাতীত বাকি সব website বন্ধ করে রাখতে পারবেন। সেই সাথে ফাইল ডাউনলোড করা যাবে কি যাবে না সেটির নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
3. Game and Windows Store Restrictions: এই অপশন এর মাধ্যমে Windows store এর বিভিন্ন app এবং Game এর নিয়ন্ত্রন রাখতে পারবেন। নির্দিষ্ট রেটিং (যেমনঃ child, mature, adult rating) এর app ও game ব্যতীত অন্য সকল app ও game বন্ধ করে রাখা যাবে।
4. App restrictions: এটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় একটি ফিচার। এই ফিচার এর মাধ্যমে operating system program এবং আপনার নির্ধারন করে দেয়া কিছু সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম ছাড়া আর কোন সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম সেটআপ করা যাবেনা। এর সাথে সেটআপ করা সফটওয়্যার এর মধ্যেও আপনার নির্ধারিত সফটওয়্যার গুলো ছাড়া অন্য সফটওয়্যার চালানো যাবে না। এটি আপনার ফাইল এর নিরাপত্তার বিধানের পাশাপাশি প্রোগ্রাম ভাইরাসের হাত থেকেও আপনার নিরাপত্তা বিধান করবে।
5. Activity reports: এটি আপনাকে দেবে বিগত এক সপ্তাহের বিস্তারিত রিপোর্ট। এই রিপোর্টে যা যা থাকবে তা হলঃ
প্রথমেই দেখতে হবে আপনার Family safety ব্যবহারের জন্য একটি standard user আছে কিনা। যদি আপনার সিস্টেমে একটি ইউজার থাকে তবে আরেকটি ইউজার তৈরী করুন এবং এটিকে Standard user হিসাবে রাখুন।
এবার Administrator user থেকে Control panel এ যান ও Family Safety তে ক্লিক করুন।

এখন আপনার কম্পিউটারের ইউজার লিস্ট দেখাবে। এখানে আপনি যেই ইউজার এ Family safety দিতে চান তাতে ক্লিক করুন।

এতে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে।

এখানে স্ক্রিনশটের দেয়া নাম্বার অনুযায়ী কাজগুলো করুন,

যদি সকল সাইট উন্মুক্ত রাখতে চান তবে উপরের রেডিও বাটন আর যদি নির্দিষ্ট কিছু সাইট উন্মুক্ত রাখতে চান তবে নিচের রেডিও বাটনে ক্লিক করুন। এখন set web filtering level এ ক্লিক করুন। এতে নিচের মত আরেকটি উইন্ডো আসবে।

এখানে সবুজ বক্সের ভিতরে কয়েকটি ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট আছে। কোন ক্যাটাগরি পর্যন্ত সাইট মুক্ত রাখতে চান তা সিলেক্ট করে দিন। যদি ডাউনলোড বন্ধ রাখতে চান তবে নিচের Block file downloads এ ক্লিক করুন। আর যদি নির্দিষ্ট কয়েকটি সাইট শুধু মাত্র খোলা রাখতে চান তবে Allow list only তে ক্লিক করুন। এখন আপনার Allow list এ যেসব website খোলা রাখতে চান সেগুলো যুক্ত করতে হবে। এ জন্য পাশের Allow or Block websites এ ক্লিক করুন। এতে Allow list আসবে। এখানে যেসব সাইট আপনি উন্মুক্ত রাখতে চান সেসব Web Address লিখে allow এ ক্লিক করে allow list এ যুক্ত করুন। তাহলে আপনার Allow list ছাড়া বাদ-বাকি সব সাইট ই ব্লক হয়ে যাবে ও access করা যাবে না।

প্রথম অপশন Set time allowance, এই অপশন ব্যবহার করে আপনি সপ্তাহের কোন কোন দিন কত ঘন্টা করে user কাজ করতে পারবে তা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। দ্বিতীয় অপশন set curfew, এই অপশন ব্যবহার করে দিনের কখন কখন user কাজ করতে পারবে তা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। এই অপশন নির্ধারন করে দিলে সময় শেষ হবার ১৫ মিনিট আগে user কে warning দেবে কাজ গুছিয়ে log out করার জন্য।

যদি সকল গেম ও উইন্ডোজ স্টোর অ্যাাপ ব্যবহার উন্মুক্ত রাখতে চান তবে উপরের রেডিও বাটন আর যদি নির্দিষ্ট কিছু গেম ও অ্যাাপ দিতে চান তবে নিচের রেডিও বাটন সিলেক্ট করুন।
ব্লকিং এর জন্য এখানে দুটি অপশন পাবেন।
১. রেটিং অনুযায়ী গেম ব্লক
২. নির্দিষ্ট কোন গেম ব্লক
এবার রেটিং অনুযায়ী গেম ব্লক করতে চাইলে Set game and windows store ratings এ ক্লিক করুন। এখানে কোন রেটিং এর গেম allow করবেন তা সিলেক্ট করে দিন এবং কোন গেম এ রেটিং দেয়া না থাকলে সেটি allow হবে কি হবে না তার রেডিও বাটনে ক্লিক করে দিন।
যদি রেটিং এর মাধ্যমে না দিয়ে কোন নির্দিষ্ট গেম বা অ্যাাপ ব্লক করতে চান তবে দ্বিতীয় অপশন Allow or block specific games এ ক্লিক করুন। অ্যাাপ এবং গেম ইন্সটল করা থাকলে তার একটা লিস্ট দেখাবে এখানে কোন কোন অ্যাাপ ও গেম মুক্ত রাখবেন ও কোন কোন গেম ব্লক করবেন তা সিলেক্ট করে দিন।

সকল সফটওয়্যার মুক্ত রাখতে উপরের ও নির্ধারিত কিছু সফটওয়্যার উন্মুক্ত রাখতে নিচের রেডিও বাটনে ক্লিক করুন। এবার নির্ধারিত সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে নিচের বিশাল সফটওয়্যার লিস্ট থেকে যেসকল সফটওয়্যার ব্যবহারের অনুমতি দিতে চান তাতে টিক মার্ক দিন। অন্য কোন সফটওয়্যার এ টিক মার্ক না দিলেও বিভিন্ন ড্রাইভার ও এন্টিভাইরাস এ অবশ্যই টিক মার্ক দিয়ে allow করে রাখবেন। যদি লিস্টে না থাকে তবে নিচের Browse বাটনে ক্লিক করে Hard disk থেকে সফটওয়্যার/প্রোগ্রাম টি ব্রাউজ করে দিন।
তাহলে আপনার এই Standard user এ সম্পুর্ন রুপে Family safety activated হয়ে গেছে। এবার কম্পিউটার একটি রিস্টার্ট দিন ও এই standard user এ লগইন করুন। দেখবেন আপনার ব্লক করে দেয়া কোন কিছুতেই অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। অ্যাক্সেস করতে হলে আপনার Administrative password লাগবে। তারপর আপনি আপনার Administrator user এ লগইন করে দেখুন আপনি একটু আগে standard user এ যা যা করেছেন তার একটি লিস্ট Activity report এ জমা হয়েছে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
Administrative user এ Family safety ব্যবহার করা যায় না। Administrative user ছাড়াও আরো একটি Standard user রাখতে হবে যেটি আগন্তুক বা আপনার ঘরের বাচ্চাকাচ্চারা ব্যবহার করবে। এই Standard user টায় আপনি Family safety ব্যবহার করে রাখতে পারবেন সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে।
এখন এক নজরে দেখুন আপনি কি কি বিষয়ের উপরে ও কি ভাবে নিয়ন্ত্রন রাখতে পারবেন এই user এর কার্যক্রমের উপর।
1. Time Limits: সপ্তাহের কোন কোন দিন কয়টা থেকে কয়টা এবং দিনে সর্বোচ্চ কতক্ষন ব্যবহার করা যাবে তা আপনি নির্ধারন করে দিতে পারবেন। Week day এবং Week End এ আলাদা আলাদা ভাবে এই সময় নির্ধারন করা যাবে।
2. Web filtering: এই অপশন ব্যবহার করে ঠিক কি ধরনের Web site এই user থেকে visit করা যাবে তা নির্ধারিত করে দিতে পারবেন। এছাড়া আপনি চাইলে নির্দিষ্ট কিছু website ব্যাতীত বাকি সব website বন্ধ করে রাখতে পারবেন। সেই সাথে ফাইল ডাউনলোড করা যাবে কি যাবে না সেটির নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
3. Game and Windows Store Restrictions: এই অপশন এর মাধ্যমে Windows store এর বিভিন্ন app এবং Game এর নিয়ন্ত্রন রাখতে পারবেন। নির্দিষ্ট রেটিং (যেমনঃ child, mature, adult rating) এর app ও game ব্যতীত অন্য সকল app ও game বন্ধ করে রাখা যাবে।
4. App restrictions: এটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় একটি ফিচার। এই ফিচার এর মাধ্যমে operating system program এবং আপনার নির্ধারন করে দেয়া কিছু সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম ছাড়া আর কোন সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম সেটআপ করা যাবেনা। এর সাথে সেটআপ করা সফটওয়্যার এর মধ্যেও আপনার নির্ধারিত সফটওয়্যার গুলো ছাড়া অন্য সফটওয়্যার চালানো যাবে না। এটি আপনার ফাইল এর নিরাপত্তার বিধানের পাশাপাশি প্রোগ্রাম ভাইরাসের হাত থেকেও আপনার নিরাপত্তা বিধান করবে।
5. Activity reports: এটি আপনাকে দেবে বিগত এক সপ্তাহের বিস্তারিত রিপোর্ট। এই রিপোর্টে যা যা থাকবে তা হলঃ
- কবে, কখন ও কতক্ষন user কাজ করেছে।
- কি কি website visit করেছে ও কতক্ষন করেছে।
- কি কি website ভিসিট করতে চেয়েছিল কিন্তু family safety তা ব্লক করেছে।
- কি কি software ব্যবহার করা হয়েছে ও Game খেলা হয়েছে ও কতক্ষন।
প্রথমেই দেখতে হবে আপনার Family safety ব্যবহারের জন্য একটি standard user আছে কিনা। যদি আপনার সিস্টেমে একটি ইউজার থাকে তবে আরেকটি ইউজার তৈরী করুন এবং এটিকে Standard user হিসাবে রাখুন।
এবার Administrator user থেকে Control panel এ যান ও Family Safety তে ক্লিক করুন।
এখন আপনার কম্পিউটারের ইউজার লিস্ট দেখাবে। এখানে আপনি যেই ইউজার এ Family safety দিতে চান তাতে ক্লিক করুন।
এতে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে।
এখানে স্ক্রিনশটের দেয়া নাম্বার অনুযায়ী কাজগুলো করুন,
- Family Safety অন বা অফ রাখতে on/off রেডিও বাটনে ক্লিক করুন
- Activity Report দেখার ব্যবস্থা রাখতে চাইলে On না চাইলে Off রেডিও বাটনে ক্লিক করুন
- Website নিয়ন্ত্রন কাজের জন্য Web Filtering এ এখানে ক্লিক করুন।
- User এর জন্য সময় নির্দিষ্ট করে দেয়ার জন্য Time Limits এ ক্লিক করুন।
- Game এর বাধ্যবাধকতার জন্য Windows store and game restriction এ ক্লিক করুন
- Software ও program নির্ধারনের জন্য App restriction এ ক্লিক করুন।
- বিগত এক সপ্তাহে User এর activity দেখার জন্য view activity reports এ ক্লিক করুন।
Website Control
প্রথমেই ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রনের জন্য Web filtering এ ক্লিক করুন। এতে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে।যদি সকল সাইট উন্মুক্ত রাখতে চান তবে উপরের রেডিও বাটন আর যদি নির্দিষ্ট কিছু সাইট উন্মুক্ত রাখতে চান তবে নিচের রেডিও বাটনে ক্লিক করুন। এখন set web filtering level এ ক্লিক করুন। এতে নিচের মত আরেকটি উইন্ডো আসবে।
এখানে সবুজ বক্সের ভিতরে কয়েকটি ক্যাটাগরির ওয়েবসাইট আছে। কোন ক্যাটাগরি পর্যন্ত সাইট মুক্ত রাখতে চান তা সিলেক্ট করে দিন। যদি ডাউনলোড বন্ধ রাখতে চান তবে নিচের Block file downloads এ ক্লিক করুন। আর যদি নির্দিষ্ট কয়েকটি সাইট শুধু মাত্র খোলা রাখতে চান তবে Allow list only তে ক্লিক করুন। এখন আপনার Allow list এ যেসব website খোলা রাখতে চান সেগুলো যুক্ত করতে হবে। এ জন্য পাশের Allow or Block websites এ ক্লিক করুন। এতে Allow list আসবে। এখানে যেসব সাইট আপনি উন্মুক্ত রাখতে চান সেসব Web Address লিখে allow এ ক্লিক করে allow list এ যুক্ত করুন। তাহলে আপনার Allow list ছাড়া বাদ-বাকি সব সাইট ই ব্লক হয়ে যাবে ও access করা যাবে না।
Time Control
সময় নির্ধারনের জন্য Time limits এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডোতে দুটি অপশন দেখতে পাবেন।প্রথম অপশন Set time allowance, এই অপশন ব্যবহার করে আপনি সপ্তাহের কোন কোন দিন কত ঘন্টা করে user কাজ করতে পারবে তা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। দ্বিতীয় অপশন set curfew, এই অপশন ব্যবহার করে দিনের কখন কখন user কাজ করতে পারবে তা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। এই অপশন নির্ধারন করে দিলে সময় শেষ হবার ১৫ মিনিট আগে user কে warning দেবে কাজ গুছিয়ে log out করার জন্য।
Games control
Game control করার জন্য Windows store and Game restriction এ ক্লিক করুন। এতে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে।যদি সকল গেম ও উইন্ডোজ স্টোর অ্যাাপ ব্যবহার উন্মুক্ত রাখতে চান তবে উপরের রেডিও বাটন আর যদি নির্দিষ্ট কিছু গেম ও অ্যাাপ দিতে চান তবে নিচের রেডিও বাটন সিলেক্ট করুন।
ব্লকিং এর জন্য এখানে দুটি অপশন পাবেন।
১. রেটিং অনুযায়ী গেম ব্লক
২. নির্দিষ্ট কোন গেম ব্লক
এবার রেটিং অনুযায়ী গেম ব্লক করতে চাইলে Set game and windows store ratings এ ক্লিক করুন। এখানে কোন রেটিং এর গেম allow করবেন তা সিলেক্ট করে দিন এবং কোন গেম এ রেটিং দেয়া না থাকলে সেটি allow হবে কি হবে না তার রেডিও বাটনে ক্লিক করে দিন।
যদি রেটিং এর মাধ্যমে না দিয়ে কোন নির্দিষ্ট গেম বা অ্যাাপ ব্লক করতে চান তবে দ্বিতীয় অপশন Allow or block specific games এ ক্লিক করুন। অ্যাাপ এবং গেম ইন্সটল করা থাকলে তার একটা লিস্ট দেখাবে এখানে কোন কোন অ্যাাপ ও গেম মুক্ত রাখবেন ও কোন কোন গেম ব্লক করবেন তা সিলেক্ট করে দিন।
সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রাম নির্ধারন
সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রনের জন্য App restriction এ ক্লিক করুন। এতে নিচের মত একটি উইন্ডো আসবে।সকল সফটওয়্যার মুক্ত রাখতে উপরের ও নির্ধারিত কিছু সফটওয়্যার উন্মুক্ত রাখতে নিচের রেডিও বাটনে ক্লিক করুন। এবার নির্ধারিত সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে নিচের বিশাল সফটওয়্যার লিস্ট থেকে যেসকল সফটওয়্যার ব্যবহারের অনুমতি দিতে চান তাতে টিক মার্ক দিন। অন্য কোন সফটওয়্যার এ টিক মার্ক না দিলেও বিভিন্ন ড্রাইভার ও এন্টিভাইরাস এ অবশ্যই টিক মার্ক দিয়ে allow করে রাখবেন। যদি লিস্টে না থাকে তবে নিচের Browse বাটনে ক্লিক করে Hard disk থেকে সফটওয়্যার/প্রোগ্রাম টি ব্রাউজ করে দিন।
তাহলে আপনার এই Standard user এ সম্পুর্ন রুপে Family safety activated হয়ে গেছে। এবার কম্পিউটার একটি রিস্টার্ট দিন ও এই standard user এ লগইন করুন। দেখবেন আপনার ব্লক করে দেয়া কোন কিছুতেই অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। অ্যাক্সেস করতে হলে আপনার Administrative password লাগবে। তারপর আপনি আপনার Administrator user এ লগইন করে দেখুন আপনি একটু আগে standard user এ যা যা করেছেন তার একটি লিস্ট Activity report এ জমা হয়েছে।
সবাইকে ধন্যবাদ।
Subscribe to:
Posts (Atom)