Friday, January 30, 2015

কোন রকম সফটওয়্যার ছারাই delete করুন আপনার পিসি এর সব shortcut folder

আমরা মোটামুটি সবাই sortcut virus সম্বন্ধে জানি।
আর এও জানি shortcut ভাইরাস যদি একবার পিসি তে প্রবেশ  করে
তাহলে ...তা সরানো...খুবি ঝামেলার
তো যা হোক আমি একটি পদ্ধতি পেয়েছি জার মাধ্যমে shortcut ভাইরাস কে
ডিলিট করা যাবে
এবার কাজের কথায় আসি কি করতে হবে
প্রথমে আপনার পিসি এর কম্পিউটার এর ভিতর ঢুকুন
এরপর একেবারে ডানদিকে উপরে যে search box টা  পাবেন ওইটায়
টাইপ করুন .lnk এবার enter দিন ...একটু অপেক্ষা করুন যতক্ষণ না
searching সম্পূর্ণ হয়
searching শেষ হওয়ার পর ধিরে ধিরে সব shortcut ফোল্ডার গুলু আসতে থাকবে
এখন কীবোর্ড এর ctrl+A একসাথে চেপে ধরে সবগুলো সিলেক্ট করে
ডিলিট করে ফেলুন
কিছু কিছু ফাইল নাও ডিলিট হতে পারে...এতে কোন সমসসা নেই :)
ডিলিট করার পর পর ই ভাল মানের একটি ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ ৭ অথবা ৮ দিয়ে  নতুন করে সেটআপ  দিন
আশা করি সব কিছু যদি  ঠিক ঠাক  মত করতে পারেন তাহলে ১০০% সফল হবেন
চিত্র...১

চিত্র...২

পরবর্তীতে জাতে shortcut virus আর না আসে এ জন্য ভাল মানের একটা antivirus ব্যবহার করুন
আমার কাছে  kaspersky টা খুব ভাল লেগেছে
note: আপনার যদি কম্পিউটার বিষয়ে  কম জ্ঞান থাকে ,তাহলে আপনি এটা করতে জাবেন না...computer সম্বন্ধে মোটামুটি জানে তাদের কাছে নিয়ে জান...............

Sunday, January 25, 2015

অনলাইনে নিরাপদ থাকতে করনীয়। জানুন ও মানুন, নইলে পস্তাবেন!!!

অনলাইনে কোনোকিছু প্রকাশ করার পর তা কখনোই মুছে ফেলা যায় না। এমনকি তার ওপর আর পোস্টদাতার নিয়ন্ত্রণও থাকে না। আপনি অনলাইনে থাকতে ভালোবাসেন তার মানে এই নয় যে, আপনার সবকিছু ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। টাইমস অফ ইন্ডিয়া অনুসরণে পাঁচটি বিষয় এখানে উল্লেখ করা হল। আপনার অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসি যতই নিশ্ছিদ্র হোক, যত বাছাই করা অনলাইন বন্ধু থাকুক না কেন, ভবিষ্যতের ঝামেলা এড়াতে এ লেখায় দেওয়া কয়েকটা বিষয় কখনোই অনলাইনে প্রকাশ করবেন না।
১. অন্তরঙ্গ ফটো ও ভিডিও
আপনার বর্তমান সময়ে সঙ্গীর সঙ্গে দারুণ উত্তেজনায় যদি কোনো অন্তরঙ্গ ভিডিও বা ছবি অনলাইনে পোস্ট করেন তা শিগগিরই আপনাকে ভোগানো শুরু করবে। অনলাইনের কোনো কিছু সম্পূর্ণ ডিলিট করা যায় না। যে মুহূর্ত আপনি কলিগ, বস, ভাইবোন বা পিতামাতাকে দেখাতে চান না, সেগুলো কখনোই ইন্টারনেটে দেবেন না।
২. ফোন নম্বর ও বিস্তারিত ঠিকানা
অনলাইন বন্ধুদের খুব ভালোভাবে বিশ্বাস করলেও এ ঝুঁকিটি নিতে যাবেন না কখনোই। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সরল হওয়া কোনোভাবেই উচিত নয়। ঠিক একই ভাবে অনলাইনে কোনো ভুয়া প্রতিষ্ঠানের লাকি ড্রয়ের জন্য ফর্ম ফিলাপ এড়িয়ে চলবেন। ভুয়া লাকি ড্র আপনাকে আনলাকি করে দিতে পারে।
৩. কাউকে আক্রমণ করবেন না
আপনার যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তা করাই ভালো। অনলাইন ব্যবহার করে কাউকে সরাসরি কোনো আক্রমণ করা উচিত নয়। কারণ তারা আপনাকে অনলাইন থেকে খুঁজে বের করতে পারবে সহজেই।
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত
আপনার বিল যদি অনলাইনে পরিশোধ করতে হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যাংকের বা বিল গ্রহণকারীর নিজস্ব ওয়েবসাইটে করা যেতে পারে। কিন্তু কখনোই আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর, এটিএম কার্ডের বিস্তারিত, পিন নম্বর কিংবা এ ধরনের কোনো তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করবেন না। কেউ এ ধরনের তথ্য চাইলে তাকে সন্দেহজনক তালিকায় রাখুন।
৫. প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত
আপনার দৈনন্দিন অনুভূতি, ভালোলাগা, খারাপলাগা, হাস্যরস ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করায় কোনো বাধা নেই। কিন্তু যদি ওমুক দোকানে কেনাকাটা করতে গেলাম, চায়ের দোকানে বসলাম ইত্যাদি প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত প্রকাশ শুরু করেন তাহলে তা বিপদ ডেকে আনতে পারে। এ কারণে প্রতি মুহূর্তের বিস্তারিত অনলাইনে প্রকাশ করা অনুচিত।

জেনে নিন ব্লগ থেকে আয় করার সেরা ৪টি উপায়

আমার আজকের লেখাটি মুলত যাদের নিজের ব্লগ আছে বা যারা নিজের ব্লগ চালু করে ইন্টারনেটে ক্যারিয়ার গড়তে চায় তাদের জন্য। এই টিউনে আমি ব্লগ থেকে আয় করার ৪ টি জনপ্রিয় উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
১। অ্যাড নেটওয়ার্কঃ ব্লগে অ্যাড শো করে আয় করা সম্পর্কে আমরা সবায় কম বেশি জানি কারণ এটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয় করার সবচেয়ে কমন উপায়। এই পদ্ধতিতে আয় করার জন্য আপনার ব্লগে অনেক ভিসিটর থাকতে হবে। অবশ্যই সব ভিসিটর রিয়েল হতে হবে। অ্যাড শো করে আপনি প্রধাণত দুই ভাবে আয় করতে পারেন CPM এবং CPC.
CPM: CPM এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Mile, অর্থাৎ প্রতি ১০০০ জন ভিসিটরের জন্য আপনাকে পে করা হবে। তারা কোন অ্যাডে ক্লিক করলো কি করলো না তা চিন্তার বিষয় না। এই CPM রেট দেশ ভেদে ভিন্ন হয়। যেমনঃ সাধারণত আমাদের মত দেশের ক্ষেত্রে $0.10 - $1.50 এবং USA বা ইউরোপীয় দেশের ক্ষেত্রে $0.50 - $10 হয়ে থাকে।
CPC: CPC এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Click, অর্থাৎ আপনার অ্যাডে প্রতি ক্লিকের জন্য আপনাকে পে করা হবে। CPC দিয়ে ভাল আয় করতে হলে আপনার ব্লগের ভিসিটর অবশ্যই টার্গেটেড হতে হবে। CPC এর ক্লিক রেট দেশ এবং নেটওয়ার্ক ভেদে ভিন্ন হয়। সাধারণত প্রতি ক্লিকের জন্য $0.10 - $100, কিছু কিছু ক্ষেত্রে $400 - $500 ও পে করে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাড নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Adsense
2. Chitika.com
3. Bidvertiser.com
4. Infolinks.com
5. Yllix.com
6. Green-red.com
২। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অনলাইনে আয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেখানে আয়ের কোন সীমা নেই। মুলত কোন পণ্য অনলাইনে বিক্রি করাই হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। হতে পারে সেটা আপনার নিজের কোন পণ্য বা অন্য কারো পণ্য। বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে অনেক ধরনের পণ্য থেকে, আপনি আপনার নিজের পছন্দের পণ্য নিয়ে প্রমোট করতে পারেন। প্রত্যেক সেলের জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন দেয়া হবে। এই কমিশনের পরিমাণ পণ্যের মূল্যের 5% শুরু করে 100% পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কিছু ভাল অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কের নাম নিম্নে দেওয়া হলঃ
1. Amazon associates
2. JVZoo
3. ClickBank
4. PeerFly
5. ShareAsale
6. ClickSure
৩। রিভিউ পোস্টঃ রিভিউ পোস্ট এর মাধ্যমে আয় করতে হলে আপনার ব্লগ অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির হতে হবে। সাধারণত বাজারে কোন নতুন পণ্য আসলে সেটার প্রচার বাড়ানোর জন্য পেইড রিভিউ পোস্ট দেয়া হয়। ব্লগের মান ভেদে এক একটি রিভিউ পোস্টের জন্য $10 থেকে শুরু করে $2,000 পর্যন্ত দেয়া হয়। আপনি চাইলে আপনার ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ sponsoredreviews.com, payperpost.com)।
৪। অ্যাড স্পেস বিক্রিঃ সরাসরি কারো কাছে আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস বিক্রি করে আপনি সহজেই আয় করতে পারেন। সরাসরি অ্যাড বিক্রি করার জন্য আপনার ব্লগের মান ভাল হতে হবে এবং টার্গেটেড ভিসিটড় থাকতে হবে। সাধারণত ১ সাপ্তাহ, ১ মাস, ৩ মাস ইত্যাদি সময়ের জন্য আপনি আপনার ব্লগের অ্যাড স্পেস সেল করতে পারেন। এক্ষেত্রেও আপনি ব্লগে একটি “Advertise Here”পেজ তৈরী করে Advertiser এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন কিংবা কোন থির্ড পার্টির সাহায্য নিতে পারেন (যেমনঃ buysellads.com)।