Saturday, March 22, 2014

আপনার হারিয়ে যাওয়া এন্ড্রোয়েড ফোনকে খুঁজে বের করুন

আসসালামু আলাইকুম,
আজ আমি আপনাদের এন্ড্রয়েড সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ন এপ্ সম্পর্কে জানাব যা এন্ড্রয়েড এন জন্য খুবই দরকারি, এই এপটি আপনার এন্ড্রয়েডকে হারানোর পর আপনার কাছে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। এর নাম xtrasec mobile security.

তো মূল কথায় আসা যাক,এই এপসটি আপনার অবর্তমানে যখন কেউ আপনার ফোনের লক খোলার চেষ্টা করবে,front camera তখন তার ছবি তুলবে,আর আপনার email address setting menu তে রাখলে ছবিগুলো আপনাকে email করবে যা থেকে আপনি চোরকে চিনতে পারবেন।
এছাড়াও,এর settings মেনুতে আপনার পরিচিত অথবা আপনার নিজস্ব নম্বরগুলো add করে রাখলে যখনই কেউ আপনার সিমটি খুলে অন্য সিম লাগাবে সাথে সাথে এটি আপনাকে উক্ত সিম থেকে ফোনের লোকেশন পাঠাবে যা আপনার হারানো ফোন খোঁজায় আপনাকে সাহায্য করবে,এছাড়াও sms command এর মাধ্যমে আপনি ফোনের ডাটা মুছে ফেলা ছাড়াও আরো অনেক সুবিধা পাবেন।
এ্যপটি ডাউনলোডের জন্য  ক্লিক করুন সাইজ 858kb , Requires Android 2.3 and up

কি বোর্ড এর এক ডজন F (Function key) জেনে রাখা ভাল

কম্পিউটারের কি বোর্ডের ওপরের দিকে F1  থেকে F12  পর্যন্ত যে ডজন কি আছে সেগুলোকে বলা হয় ফাংশন কি। এসব কি একবার চেপেই বিভিন্ন সফটওয়্যার নানা রকম কাজ করা যায় ।
  • F1: সহায়তাকারী কি হিসেবে ব্যবহৃত হয় । F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের হেল্প চলে আসে।
  • F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহৃত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর নতুন ফাইল খোলা হয়।
  • F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা যায় ।
  • F4: ওয়ার্ডের Last action performed  আবার (Repeat ) করা যায় এ কী চেপে । Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয় ।
  • F5: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে । পাওয়ার পয়েন্ট এর শো শুরু করা যায় । ওয়ার্ড এর find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয় ।
  • F6: এই কী চেপে মাউস কারসরকে ওয়েব ব্রাউজার এর ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয় । Ctrl+Shift+F6  চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্ট টি সক্রিয় করা হয় ।
  • F7: ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয় এ কী চেপে । ফায়ারফক্সের Caret browsing  চালু করা যায় ।  Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোন নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ শব্দের ধরন ইত্যাদি  জানার অভিধান চালু করা হয় ।
  • F8: অপারেটিং সিস্টেম চালু করার হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী । সাধারনত উইন্ডোজ safe mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয় ।
  • F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে ।
  • F10: ওয়েব ব্রাউজার বা কোন খোলা উইন্ডো এর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে । shift+F10 চেপে কোন নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটন এ ক্লিক করার কাজ করা হয় ।
  • F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুরে দেখা যায় ।
  • F12: ওয়ার্ডের Save as  উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে । Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয় । এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয় ।
  • এছাড়া F12 প্রেস করে অভ্র বাংলা কী বোর্ড চালু করা যায় ।
কোন ভুল ভ্রান্তি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । আর ভুলগুলো আমাকে ধরিয়ে দিবেন ।
ধন্যবাদ সবাইকে ...

আপনার PC কে করুন সুপার ফাস্ট by only 1.81 MB

শেয়ার করছি আমার প্রিয় একটা সফট যা আপনার পিসি কে রাখবে রকেটের মত গতিশীল। আমরা অনেকেই পিসি স্লো সমস্যায় ভুগি তখন c cleaner আমদের শেষ ভরসা হয়ে দারায়। অনেকে windows setup করে থাকেন আমার মত। এখন আমি মাত্র ১.৮১ মেগাবাইট এর একটা সফট দিব যা আপনার পিসি কে নিয়ে যাবে গরুর গাড়ী থেকে রকেট এর গতি তে । বিশ্বাস না হয় ১ বার ট্রাই  করেই দেখুন...
ডাউনলোড করতে এখানে  ক্লিক করুন।
ডাউনলোড করার পর ইন্সটল করুন। আর Start Smart Cleaning Process ক্লিক করে Yes করুন আর লক্ষ করুন কিছু পরিবর্তন দেখতে পান কি না আপনার শখের পিসি এর...

জেনে নিন এনড্রয়েড এর খুঁটিনাটি

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আমার আজকের পোস্ট । বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল এনড্রয়েড । আজ এই পোস্ট এ আলোচনা করবো এনড্রয়েড এর খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে ।

এনড্রয়েড কি ?

এনড্রয়েড হলো লিনাক্স ভিত্তিক মোবাইল বা ট্যাবলেট পিসির জন্য অপারেটিং সিস্টেম । যা সি (কোর), সি++, ও জাভা(ইউআই) প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে তৈরী । আপনি যদি কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাহলে আপনার অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হবে যেমনঃ উইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ৯, লিনাক্স বা ম্যাক । এনড্রয়েড হল তেমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেটের জন্য ব্যবহার হয় । তাছাড়া রয়েছে আরও কিছু মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যেমনঃ জাভা, এপলের iOS, নকিয়ার Symbian, রিম এর ব্ল্যাকবেরি OS, মাইক্রোসফটের Windows Phone ইত্যাদি। তবে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল এনড্রয়েড ।

এনড্রয়েড এর ইতিহাস

২০০৩ সালের অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়ার পালো আল্টোয় এনড্রয়েড ইনকর্পোরেট প্রতিষ্ঠা হয়েছিল । এটির প্রধান প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি রুবিন এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডেন্জারের,তাছাড়া রিচ মাইনার যিনি ওয়াইল্ডফায়ার কমউনিকেশনস এ নিয়োজিত ছিলেন, ইনকর্পোরেটেডের সহ প্রতিষ্ঠাতা, নিক সিয়ারস তিনি টি-মোবাইলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ক্রিস হোয়াইট তিনি ওয়েবটিভি’র ডিজাইন এবং ইন্টারফেস প্রধান ছিলেন ।যেহেতু তারা এক এক জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়োজিত ছিলেন তাই এনড্রয়েড প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম চালাত অনেকটা লুকিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে এটা বলা হত যে তারা শুধু মোবাইলের একটি সফটওয়্যারের কাজ করছে । ২০০৫ সালের আগষ্ট মাসে গুগল এনড্রয়েড কিনে নেয় ।

এনড্রয়েড কেন জনপ্রিয় ?

এনড্রয়েড অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম গুলোকে পিছনে ফেলে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ও পরিচিত হচ্ছে । আর এর প্রধান কারণ হল এনড্রয়েডের রয়েছে ব্যবহার বান্ধব ইন্টারফেস অর্থাৎ আপনি যদি একটি জাভা আপস তৈরী করেন তাহলে যা ডিভাইসের জন্য তৈরী করা হয়েছে তার মধ্যেই সাপোর্ট করে তথা আপনি যদি Nokia C3-00 একটি জাভা এপ্লিকেশন তৈরী করেন তাহলে তা Nokia 5130 এর মধ্যে ভালবাবে সাপোর্ট করবে না যদিও করে তবে আপস এর সাইজ গুলো ঠিক থাকবে না । দেখা যাবে ডানের টা বামে আর বামের টা ডানে এসে পরেছে অথবা একটি না একটি সমস্যা হবেই । আর আপনি যদি এনড্রয়েড আপস বানান তাহলে সকল ডিভাইসে সাপোর্ট করবে । তাছাড়া এটি লাইসেন্স ফ্রী মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম যে কারণে দিন দিন লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে চলছে, সে কারণেই আমরা অনেকেই এনড্রয়েডের প্রতি আকর্ষিত হচ্ছি ।

এনড্রয়েড ফোন কোনটি ?

মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট প্রস্তুতকারক যেসকল কোম্পানি তাদের মোবাইল বা ট্যাবলেট ডিভাইসে এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সেটিই হল এনড্রয়েড মোবাইল বা ট্যাবলেট, বর্তমানে অনেক মোবাইল ও ট্যাবলেট প্রস্তুতকারক কোম্পানী এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে তাদের মধ্যে Samsung, Symphony, Micromax Acer, Alcatel, Dell, Gigabyte, HTC, Huawei, LG, Motorola, Nexus, T-Mobile, Toshiba, Vodaphone, ZTE ছাড়াও আরও অনেকে এই জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহার করে ।
এনড্রয়েড সংক্রান্ত যে কন সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের এনড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট গ্রুপে জয়েন করতে পারেন ।
– ধন্যবাদ সবাইকে ।

Thursday, March 20, 2014

কম্পিউটার থাকুক আপনার ঘরে কিন্তু বাহির থেকে দেখে নিন আপনার কম্পিউটার এ কি হচ্ছে।। কম্পিউটার কে হাতের মুঠোয় করে নিন।

আপনারা তো ওনেক ডেস্কটপ রিমোট দেখেছেন তাইনা, কিন্তু আমি আপনাদের সাথে এমন একটি ডেস্কটপ রিমোট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যে সফটয়্যার দিয়ে আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে পুরা কম্পিটার কে নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন খুব সহজেই।
যা যা করা যাবে,
০১.ফুল ডেস্কটপ আপনার মোবাইল এ দেখতে পাবেন,
০২. ভিডিও কন্ট্রল করতে পারবেন
০৩. PC Off,Restart, Hibernet Log Off
০৪. মোবাইল এ মাউস কন্ট্রল
০৫.কি বোর্ড কন্ট্রল
০৬.টেক্সট সেন্ড
০৫.WINAM Other Media Player And  Other Applications কন্ট্রল
০৬.ভলিওম কন্ট্রল
এক কথায় বলতে আপনার মাউস ও মনিটর মোবাইলে চলে যাবে। সব কিছু হাতের মুঠোয়
আসুন তাহলে আসল কথাই যায়,
যা যা লাগবে,
01. WINAMP v5.X.X.X.X
02. ControlFreak (Winamp Plugins)
03. যেকনো নকিয়া S60 V2  সিরিজের ব্লুতুথ যুক্ত মোবাইল (যেমন, N70,N71,6630,3230,6600,7610,ETC)
04.একটি যেকন ব্রান্ডের কম্পিটার ব্লুতুথ

যা যা করতে হবে,
প্রথমে WINAMP Install করতে হবে............

NEXT > বাটনে ক্লিক করতে হবে তার পরের Window থেকে কনো কিছু পরিবরতন না করে NEXT > NEXT> বাটনে ক্লিক করুন। তারপর Installatin Complete এ

চেক বক্স এর চেক টা আনচেক করে Finish বাটনে ক্লিক করতে হবে। যাতে WINAMP অপেন না হয়।

এই রকম WINDOW আসলে FINISH বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এই Window আসলে Skip বাটনে করতে হবে।
২য় বার ControlFreak Install করতে হবে...........................।

NEXT বাটনে ক্লিক করে WINAMP এর মত কন কিছু পরিবরতন না করে NEXT > NEXT> বাটনে ক্লিক করুন।

তারপর Show Readme তে চেক দিয়ে FINISH করুন।
ReadMe.txt টি পড়ে নিলে বেশি ভাল হয়।
৩য় বার যা করতে হবে।

ডেস্কটপ থেকে WINAMP অপেন করুন। তারপর Options বাটনে ক্লিক করুন

এবং Preferences… বাটনে ক্লিক করন

এবার Winamp Preferences Window থেকে General Purpose এ ক্লিক করুন তারপর সাইডের মেনু থেকে ControlFreak Plug-In V2.22 টে ডাবল ক্লিক করুন।
এখন এই WINDOW থেকে যা যা করতে হবেঃ-

Bluetooth Drive থেকে আপনার ডিভাইস বদল করতে পারবেন।
COM Port থেকে কোন COM Port এ আপনার মোবাইল ডিভাইস কানেক্ট হয়ে আছে তা সিলেক্ট করতে পারবেন।
সব সেষে Start Server এ ক্লিক করে OK করুন।
ব্যাস ।
এবার মোবাইল এ ControlFreak_2.22.sis Install করে অপেন করুন এবং সেখান থেকে অপশন এ গিয়ে কানেক্ট এ ক্লিক করুন। সার্চ হওয়ার পর আপনার কাঙ্খিত ডিভাইস (কম্পিউটার) সিলেক্ট করুন।

আপনার ফোন COM18 এ কানেক্ট হয়েছে অতএব Control Freak Configuretion এ COM18 নির্বাচন করতে হবে।
নোটঃ মনে রাখবেন যতক্ষন আপনি মোবাইল রিমট ব্যবহার করবেন ততক্ষন WINAMP অন রাখতে হবে
DOWNLOAD LINK

চোখের ইশারায় চলবে কম্পিউটার।মাথা না ঘুরে উপায় নেই।মাথা নড়াতে হবেই।কেমন হয় যদি আপনার নড়াচড়ায় কম্পিউটার চলে।কি পারবেন না? চলুন দেখি কিভাবে মাথা ঘুরায়।

যা যা লাগবে। আগের মতই।
১. একটি কম্পিউটার।
২. একটি ওয়েবক্যাম।
তারপর নিচের লিংক থেকে সফ্টওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। http://sourceforge.net/projects/eviacam/?source=dlp
সফ্টওয়ারটি কিভাবে চালাবেন তা আস্তে আস্তে লিখে দিব।নিজেরাও পারবেন।
যেভাবে কাজ করবেন।
প্রথম ধাপ: কিছু না জানা থাকলে শুধু নেক্সট ক্লিক করুন। সর্বশেষ ফিনিশ।
দ্বিতীয় ধাপ (একটু লম্বা):
১. প্রথমে সফ্টওয়ারটি ইনস্টল করে নিন তারপর ডাবল ক্লিক করে সফ্টওয়ারটি চালু করুন।
২. এই লেখাটি Welcome to the eViacam comfiguration wizard
আসবে। নেক্সট ক্লিক করুন।
৩. এখন Camera setup আসবে।আপনার ক্যামেরা চেক করবে। Camera setting থেকে আপনার ক্যামেরার Brightnss, White Balance, Backlight ঠিক করে নিন।যদি না বুঝেন তাহলে ক্যামেরা সেটিংয়ে ‍ঢুকার প্রয়োজন নেই। শুধু নেক্সট ক্লিক করুন।
৪. এবার Tracker setup বক্সটি আসবে। ‍এখান থেকে configure motion tracking aria থেকে মোশন কন্ট্রোল করুন। আপনার চেহারা কম্পিউটার অটোম্যাটিক পেয়ে যাবে।আপনি যদি চান কিছুক্ষণ নড়াচড়া বন্ধ থাকলে যেন মোশন অটোম্যাটিক বন্ধ হয়ে যায় তাহলে নিচে Disable after .... seconds দিয়ে দিন।
৫. pointer calibration, setting motion parameters থেকে পরবর্তীতে যান তবে সাবধান। এখন থেকে মাউস কাজ করবে না।নড়াচড়া কাজ করবে।
৬. pointer calibration আসবে। পরবর্তী ক্লিক করুন।এবার কম্পিউটার আপনার মাথা ঘুরাবে। মাথাকে ডান বাম এবং উপর নিচ করতে বলবে, তাই করুন।
৭. এখন সমস্যা ক্লিক করবেন কিভাবে। মাথাকে ডান বাম এবং উপর নিচ করে যে অপশনে যাবেন সেখানে একটু থেমে থাকুন। দেখবেন ক্লিক হয়ে গেছে।
৮. Click mode আসবে। এখন আপনি ইচ্ছা করলে ভাল পারফমেন্স পাওয়ার জন্য নিজে নিজে Click here to test এ ক্লিক করে আপনার পারফমেন্স যাচাই করতে পারবেন।
৯. এখন ফিনিশে ক্লিক করে মাথা ঘুড়ান।
১০. মনিটরের উপরের দিকে একটি বক্স আসবে। সেখান থেকে বাছায় করতে পারেন আপনি কি রকম ক্লিক করতে চান। ক্লিক না করতে চাইলে একদম বা দিকে ”নো ক্লিক” ডাবল ক্লিক করতে চাইলে ডান দিকে ”ডাবল ক্লিক”।
ফেইসবুকে আমাকে পাবেন আমার নাম দিয়ে।
সবাইকে আমার সলাম জানিয়ে শেষ করছি আজকের মত। কাল আবার দেখা হবে, নতুন জিনিস নিয়ে ততক্ষণ ভাল থাকুন।

আপনার কম্পিউটারকে করে তুলুন দ্রুতগামী !! এখন আপনার কম্পিউটার চলবে না দৌড়াবে █▓▒

এইটা বিশেষ করে আপনার WINDOWS 7 এর জন্য প্রযোজ্য।


১ম ধাপ-ভিসুয়াল এফেক্ট মিনিমাইয়য

আপনার কম্পিউটারের ভিসুয়েল এফেক্ট কমিয়ে পারফরম্যান্স বাড়ানো যায়।ভিসুয়েল এফেক্ট কমাতে নিচের দেখানো মত করে কাজ করুন।
১)আপনার COMPUTER এর PROPERTIES এ ক্লিক করুন | তারপর বাম পাশ থেকে ADVANCED SYSTEM SETTING এ ক্লিক করুন।তারপর ADVANCED ট্যাব থেকে PERFORMANCE এর SETTING এ ক্লিক করুন।
২)তারপর VISUAL EFFECTS ট্যাব থেকে চাইলে আপনি সব আনচেক করতে পারেন। অথবা চাইলে ADJUST FOR BEST PERFORMANCE এ ক্লিক করতে পারেন।আপনি চাইলে শেষের ৪টি ছাড়া আর সব আনচেক করতে পারেন।
৩)তারপর APPLY করে SAVE করতে পারেন।

২য় ধাপ-সাউন্ড মিনিমাইয

১) প্রথমে আপনার স্টার্ট মেনুতে জান তারপর mmsys.cpl টাইপ করে ENTER মারুন।
২)তারপর SOUNDS ট্যাব এ ক্লিক করুন।
৩)তারপর SOUND SCHEME এ NO SOUNDS এ ক্লিক করুন।
৪)আপনি চাইলে Play Windows Startup sound আনচেক করতে পারেন।
৫)তারপর APPLY করে SAVE করতে পারেন।

৩)অপ্রয়োজনীয় স্টার্টআপ সফটওয়্যার ডিসাবেল করুন।

১) স্টার্ট মেনু থেকে msconfig সার্চ করে ওপেন করুন।
২)তারপর STARTUP ট্যাবে যান।
৩)তারপর আপনার যা যা লাগবে না টা আনচেক করুন।
৪)তারপর APPLY করে SAVE করতে পারেন।

৪)HARD DRIVE পরিস্কার করা।

১)এইখানে যান Start > All Programs > Accessories > System Tools > Disk Cleanup
২)তারপর Clean up system files এ ক্লিক করে পরিস্কার করুন আপনার পিসি।

৫)Disk Defragmentation করুন

১)এইখানে যান Start > All Programs > Accessories > System Tools > Disk Defragmenter
২)তারপর আপনি ড্রাইভ সিলেক্ট করে Analyze disk এ ক্লিক করুন।
৩)তারপর হয়ে গেলে Defragment disk এ ক্লিক করুন।
৪)তারপর CLOSE করে দিন।
ইনশাআল্লাহ্‌ এই পদ্যটি আপনার কাজে লাগবে।

ফ্রিতে নিন বাংলা দিন তারিখ দেখার ক্যালেন্ডার (পিসির জন্য দেশী সফটওয়্যার)

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?
আজ আপনাদের জন্য ছোট একটি বাংলা ক্যালেন্ডার নিয়ে হাজির হলাম। আশা করি এটা আপনাদের ভাল লাগবে।
ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
কিছু স্ক্রিনশটঃ

















এটাতে বাংলায় প্রতিদিনের বাংলা বর্ষের তারিখ দেখতে পারবেন। আপাতত এর বেশী সুবিধা এতে পাবেন না। কি আর করব? ৫-৬ ঘন্টার কোডিংয়ে এর চেয়ে বেশী কিছু দিতে পারলামনা বলে দুঃখিত।
বিঃদ্রঃ যেহেতু এটা Visual Studio 2010 প্লাটফর্মে বানানো হয়েছে তাই এটা চালানোর জন্য উইন্ডোজ ভিসতা বা পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম লাগবে। তবে এক্সপিতে চালাতে হলে
DotNetFx 2.0 লাগবে।
তবে এটাতে আরও অনেক কাজ করব এবং আরও সুবিধা যুক্ত করব। এজন্য আপনাদের দোয়া ও অনুপ্রেরণা কামনা করি। আমি একজন ছোটখাটো  ইন্ঞ্জিনিয়ার। তাই ক্যালেন্ডারটিতে যদি কোন ভূল থাকে তবে অভিজ্ঞ ভাইয়েরা শুধরে দিবেন।
এই টিউনটা বাংলা নববর্ষের দিন করেছিলাম, কিন্তু  জানিনা কেন পেন্ডিং ছিল। অ্যাডমিন ভাইয়েরা জানাবেন প্লিজ।
আগামীতে হয়তো আমার তৈরী বাংলা ঘড়িটার ২য় ভার্ষন নিয়ে হাজির হব। যারা ফোন ও মেইলে ঘড়িটার গ্রাফিক্স পরিবর্তন করার কথা বলেছিলেন তাদের জন্যই আবার আসবো।
আজকের মতো বিদায়। আল্লাহ হাফেজ।

Opera Mini এর ৩টি টিপস, বাড়িয়ে নিন নেট speed!

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

১। বর্তমানে মোবাইল ব্রাউজারের মধ্যে সেরা ব্রাউজার Opera Mini তার কারন হল এই Opera Mini মিনি দিয়ে লেখা যেমন সুন্দর দেখা যায় তেমনি স্পীড ও ভাল। যাহা অন্য ব্রাউজারে দেখা যায় না, আমি অনেক গুলো মোবাইল ব্রাউজার ব্যবহার করেছি যেমন One Browser, ডলফিন Browser ইত্যাদি , কিন্তু এগুলো থেকে আমার কাছে অপেরা অনেক ভাল লেগেছে, আশা করি Browser এর মধ্যে সবারি Opera Mini প্রিয়, তাই আজ আমি  আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ৩টি টিপস,
১। Opera Mini তে speed বৃদ্ধি করা নিয়ম!
প্রথমে আপনার Opera Mini Browser টি ওপেন করুন, এরপর URL বক্স এ opera:config লিখে Go তে ক্লিক করুন,

তাহলে নিচের মত কিছু Option দেখতে পাবেন, এবার অপশন Loading Timeout option থেকে 30 থেকে 60 বা 3600 সিলেক্ট করুন।

২। দ্বিতীয় কাজ এবার Loading Timeout option এর নিচে site patches and user agent masking বক্স থেকে Yes থেকে “No” সিলেক্ট করে দিন ।

সবশেষ নিচে “save” এ ক্লিক করে সেভ করুন।

ব্যাস, আপনার কাজ শেষ এবার এবার অপেরা মিনি চালু করে দেখুন কেমন স্পীড পান!
৩।  আমরা যে কোন প্রোগ্রামে থেকে বাহির হতে হলে Exit বাটনে ক্লিক করে বাহির হতে হয়, কিন্তু Opera Mini তে ডিফল্ট ভাবে Exit বাটন OFF থাকে তাই On করতে হলে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

এবার আপনি Opera Mini Exit বাটন বাটনে ক্লিক করে বাহির হতে পারবেন।
ভালো লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না, আজ এই পর্যন্ত,
আল্লাহ হাফেজ।

কম্পিউটার থেকে চোখকে রক্ষা করতে কিছু প্রয়োজনীয় টিপস। কাজেও আসতে পারে!!

আধুনিক বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠতম উপহার কম্পিউটার। বর্তমান সভ্যতায় কম্পিউটার ছাড়া আমাদের উন্নতি অসম্ভব। একটি দেশের উন্নয়নের পেছনে ICT-টির ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিসেরই একটা ক্ষতিকর দিক রয়েছে।দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখে সমস্যা, ব্রেন ক্যান্সার ইত্যাদি জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা যায় যে, মোবাইল ফোনের মতো কম্পিউটারের হেডফোন থেকে যে ভায়োল্যান্স বের হয় তা মাথা ব্যাথা, কানের সমস্যা এমনকি ব্রেন ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ সৃষ্টি করে। তাই বলে তো আর কম্পিউটার কে বাদ দেয়া যায় না।
নিচে আমার স্বল্পজ্ঞানে ধারণ করা কিছু টিপস দিলাম। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।
  • কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় সোজা হয়ে বসুন। মেরুদন্ড বাকাঁ করে বসলে পিঠে ব্যথা, ঘাড় ব্যাথা সৃষ্টি হতে পারে।
  • যথাসম্ভব হেডফোন পরিহার করে চলুন। কারো সমস্যা না হলে স্পিকার ব্যবহার করুন।
  • কম্পিউটারের মনিটরের দিকে একটানা চেয়ে থাকবেন না। এতে আপনার চোখের ক্ষতি হতে পারে।
  • সম্ভব হলে ৫/১০/১৫ মিনিট পর পর মনিটর ছেড়ে বইরের প্রকৃতির দিকে  দৃষ্টিপাত করবেন।
  • মনিটরের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখবেন এবং কনট্রাস্ট বাড়িয়ে রাখবেন। আমি আপনাদেরকে রিকমান্ডেড করব ব্রাইটনেস:৫০ এবং কনট্রাস্ট ৯০/১০০ রাখার জন্য।
  • মনিটরকে কিছুটা কোণিক করে রাখুন। তথা কিছুটা হেলিয়ে রাখুন। যাতে সরাসরি মনিটরের দিকে আপনার দৃষ্টি না পড়ে।
  • কম্পিউটার মনিটর থেকে আপনার দূরত্ব ৩০-৩২ ইঞ্চি দূর রাখুন।
  • কম্পিউটারে প্রাকৃতিক দৃশ্য ব্যবহার করতে পারেন। িএতে আপনার প্রশান্তি আসবে।
  • কম্পিউটারের মনিটরের কালার কিছুক্ষণ পর পর চেঞ্জ হবে এরকম সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন। আপনি এর জন্য থেকে F.lux সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার মনিটরের কালারকে দিনের সাথে সামঞ্জ স্য রেখে পরিবর্তন করবে।F.lux ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে
  • ডাক্তারের পরামর্শে সানগ্লাস/চশমা বা আই গ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার চোখকে মনিটরের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করবে।
অবশেষে আপনাদের কাছে অনুরোধ আপনারা কম্পিউটারকে ব্যবহার করবেন কিন্তু লক্ষ্য রাখবেন যেন চোখের/শরীরের কোন ক্ষতি না হয়।
কারণ চোখ অমুল্য সম্পদ।
অনেক লিখে ফেললাম। ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
আর যদি উপকৃত হোন বা ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন বলে আশা রাখি।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের অতিরিক্ত ব্রাইটনেস থেকে চোখকে রক্ষা করুন..

অতিরিক্ত ব্রাইটনেস,এমনকি অনেক কম ব্রাইটনেস চোখের জন্য যে কতটা ক্ষতিকর সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।আর বিশেষ করে যারা কম্পিউটারেরর সামনে ও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল নিয়ে রাত জেগে কাজ করেন তাদের জন্য ব্রাইটনেস ব্যাপারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।অতিরিক্ত ব্রাইটনেসের কারনে আমাদের চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন-চোখ দিয়ে পানি পরা,মাথা ব্যথা করা,চোখে কম দেখা এমনকি সারা জীবনের জন্য আপনার মূল্যবান চোখটিও হারাতে পারেন।আর আজকালতো বলা যায় অ্যান্ড্রয়েডের স্মার্টফোন সবার হাতে হাতে।দিনে তো বটেই অনেকেই দেখা যায় সারারাত তাদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে কাজ করেন।অনেকেই হয়তোবা Default Brightness শূন্য করেই রাতে কাজ করেন কিন্তু তাতেও দেখা যায় চোখ জ্বালাপোড়া করেই।কারন Default Brightness টা দিনের আলোর জন্য ভালো কিন্তু রাতের বেলায় যে লাউ সেই কদুই।তাই রাতজাগা পাখিদের জন্য নিয়ে এলাম Android operating system এর জন্য একটি সম্পূর্ণ Custom Brightness application..App টির নাম হল 'Lux'। আর এই Appটি চালানোর জন্য সেট রুট করার কোন প্রয়োজনই নেই।অ্যাপটির মাধ্যমে আপনার ইচ্ছামত ব্রাইটনেস কমাতে বা বাড়াতে পারবেন।Google playstore এ অ্যাপটির rank দেখলাম 4.6। বুঝতেই পারছেন অ্যাপটি কততটা জনপ্রিয়।তাই দেরী না করে এখনই ডাউলোড করে ফেলুন। নিচে অ্যাপটির ডাউলোড লিংক দিলাম-
ডাউলোড:http://bit.ly/19sGdiD

Android ব্যবহারকারীরা নিয়ে নিন দারুন একটি অ্যাপস, যা আপনাকে অতিরিক্ত ব্রাইটনেস থেকে রক্ষা করবে

সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টিউন । চেষ্টা করছি নিয়মিত আপনাদেরকে Android বিষয়ক টিউন উপহার দিতে, আর সেই ধারাবাহিকতায় এই টিউন । এই টিউনে আপনাদেরকে উপহার দেবো অনেক দারুন একটি অ্যাপস । অ্যাপসটি ব্যবহার করার মাধ্যমে ফোনের অতিরিক্ত ব্রাইটনেস এর হাত থেকে চোখ কে রক্ষা করতে পারবেন ।
অনেকেই ভাবতে পারেন, ফোনে তো লাইট সেন্সর আছেই, আটো ব্রাইটনেস করে রাখলেই হলো, তাহলে এই অ্যাপসের প্রয়োজন কি ?
আপনার কথা ঠিক আছে, কারন লাইট সেন্সর দিয়েও ব্রাইটনেস কনট্রোল করা যায় । কিন্তু আমার ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা থেকে মনে করি, লাইট সেন্সর দিয়ে (আটো ব্রাইটনেস করে রেখে) ব্রাইটনেস কনট্রোল করা গেলেও সেটা সম্পুর্ন সুবিধাজনক হয় না । কারন,  লাইট সেন্সর (আটো ব্রাইটনেস) বেশ ব্যাটারি ড্রেইন করে থাকে, বিশেষ করে গেমিং এর সময় হঠাৎ ব্রাইটনেস কম বেশি হওয়ার করনে গেমে কিছুটা ল্যগের সৃষ্টি হয় এবং অনেক সময়ই সুবিধাজনক ব্রাইটনেস পাওয়া যায় না । আর এইসব কারনে অনেকেই লাইট সেন্সর (আটো ব্রাইটনেস) ব্যবহার না করে ব্রাইটনেস অনেক বাড়িয়ে রাখে, যা বাইরের পরিবেশের (বেশি আলোতে) জন্য সুবিধাজনক হলেও ঘরোয়া পরিবেশ (কম আলোতে) চোখের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায় ।
তাই আশা করি আজকের এই Lux Auto Brightness অ্যাপসটি আপনাকে সুবিধাজনক ভাবে ব্রাইটনেস কনট্রোল করতে বেশ সহযোগিতা করবে ।

লাক্স আটো ব্রাইটনেস (Lux Auto Brightness):

লাক্স আটো ব্রাইটনেস এটি প্রথম পিসির জন্য তৈরি হয়েছিল, পরবর্তীতে Android ভার্শন বের হয় । অ্যাপসটি ব্যবহার করে আমার বেশ ভালো লেগেছে, তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম । অ্যাপসটির প্লে স্টোর রেটিং প্রায় '5 ★★★★★' এর কাছাকাছি এবং মূল্য $3.59 । প্লে স্টোর থেকে ইউজার রিভিউ দেখে নিতে পারেন ।
এবার চলুন দেখি অ্যাপসটির প্রধান ফিচার গুলো কি কি...
■ Stable, custom auto brightness with root plug-in support.
■ Use your ambient light sensor or camera(s) to read in ambient light.
■ Subzero brightness for night viewing.
■ Select between Auto, Day, Night, Car and Cinema light profiles
■ Automatic night mode. Change the colour temperature of your display.
■ Astronomer mode. Adds a red filter to your display to preserve the eyesight of stargazers.
■ Power-user settings such as choice of interpolation, filters, and linked sample editing.
■ Add app specific exceptions via sleep mode.
■ Customisable fade for backlight adjustments.
■ Tasker and Locale support
■ Battery efficient.
■ Backup to SD.
■ No ads or other nuisances.

Tuesday, March 18, 2014

এ্যান্ড্রয়েডে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করবেন- জেনে নিন !

lockpattern new
বর্তমানে প্রায় সবাই এ্যান্ড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে । এ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনগুলোতে রয়েছে অনেক ধরনের সুবিধা । আর এরই অংশ হিসেবে ফোনটি নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে রয়েছে কয়েক ধরনের সুবিধা যেমন- পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন লক, পিন লক । এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সিকিউরিটি সিস্টেমটি হচ্ছে ‘প্যাটার্ন লক’ , এটি অনেকেই ব্যবহার করে থাকে । আবার এটি ভুলেও যায় অনেকে । যেকারনে ফোনটিকে পুনরুদ্ধার করার জন্য ফ্ল্যাশ বা পুনরায় অপারেটিং সেটআপ দিতে হয় । আর এটি করার জন্য অর্থও খরচ করতে হয় । কিন্তু, এবার কারও কাছে না গিয়ে আপনি নিজেই এই কাজটি করতে পারেন । আর এজন্য :-
১. প্রথমে ভলিউমের (আওয়াজ কমান-বাড়ানোর) বাটন দুটি চেপে ধরুন
২.  ফোন অন-অফ করার  বাটনটি চেপে ধরে রাখুন, যতক্ষণ না পর্যন্ত ফোনটি চালু হয় ।
৩.এরপর দেখবেন চারটি অপশন আসবে, তার মধ্য থেকে রিসেট ফ্যাক্টরি সেটিংস্-এ চাপুন । এটি করার জন্য অপশন পছন্দের জন্য ভলিউমের বাটনগুলো এবং অন-অফ করার বাটনটি পছন্দ করার জন্য ব্যবহার করতে হবে ।
৪. এরপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে, ফোনটি রিস্টার্ট হওয়া পর্যন্ত ।

ফ্রি ডাউনলোড করুন Avast Antivirus/Internet Security v9 2014 With Serial key/License File 2050

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন আছেন। আসাকরি ভালোই আছেন। আপনারা যারা পিসি ব্যবহার করেন এবং সাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাদের জন্য Antivirus ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন। যদি Antivirus যদি ব্যবহার না করেন তাহলে তো আপনার পিসির জন্য খুবই মারাত্বক ব্যাপার হয়ে দ্বারাবে।  Avast Antivirus/Internet Security v9 2014 With Serial key/License File 2050 । নিম্মে সেটার করা পদ্ধতি এবং ডাউনলোড লিংক দেওয়া হল:—-
Avast-1
avast-2
avast-3
avast-4
avast-5

আপনি কি কোন ফ্যানপেজের এডমিন, ফ্যানের সংখ্যা কম, তাহলে এই টিপ্‌স আপনার জন্যই।

প্রথমে , তোমাদের এই ওয়েবসাইট ( you like hits  ) এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করলেই বোনাস ৫০ পয়েন্ট পাবে। এখানে সবচেয়ে বড় সুবিধা প্রতিদিন শুধু লগিন করে Claim 50 Free Points Daily! বাটনটিতে ক্লিক করলেই ৫০ পয়েন্ট।  এছাড়াও এখানে অন্যন্য সবার ফেসবুক পেজে লাইক দিলে , টুইটারে ফোলো করলে , ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইব করলে কিংবা ওয়েবসাইটে ভিজিটের মাধ্যমেও পয়েন্ট পাওয়া যাবে। রেফারেল করেও ১০০ পয়েন্ট পাওয়া যায়।
এবার আলোচনা করা যাক, তুমি যে পয়েন্ট গুলো পাবে তা তোমার কি কাজে লাগবে। ওয়েবসাইট টির বামপাশের Your Settings এর নিচে FB বাটনে ক্লিক করে প্রথমে নিজের ফেসবুক প্রফাইলের এড্রেস দিতে হবে। এরপরে যে ফ্যানপেজের ফ্যান বাড়াতে হবে তা ্যুক্ত করতে হবে নিচের Add a Page অংশ থেকে। এখানে প্রতি লাইকের জন্য পয়েন্ট ঠিক করে দিতে হবে।
এভাবেই তুমি  তোমার ফ্যান পেজের ফ্যান সংখ্যা বাড়িয়ে নিতে পারবে।

আপনি কি ল্যাপটপ ইউজ করেন? ল্যাপটপ খুব গরম হয়ে যায়? তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্যই


১) ল্যাপটপ রাখার জন্য একটা মসৃণ , শক্ত ও সমতল জায়গা খুঁজুন :

আমরা অনেক সময় বিছানায় ল্যাপটপটা নিয়ে কাজ করি । কখনই বিছানাতে রেখে ল্যাপটপ এ কাজ করবেন না । ল্যাপটপটা একটা মসৃণ , সমতল আর শক্ত জায়গাতে রাখুন যাতে হাওয়া চলাচল রুদ্ধ না হয় । কোলে রেখেও কাজ করাটা ঠিক না , মাটিতেও রাখবেন না ল্যাপটপটা কে কারন মাটি থেকে খুব সহজেই ধুলোবালি প্রবেশ করবে । সবথেকে ভালো একটা পরিস্কার টেবিল এ ল্যাপটপটা রেখে কাজ করুন । পারলে ঠাণ্ডা ঘরে ল্যাপটপটা রেখে কাজ করুন আর ল্যাপটপটাতে কখনই সরাসরি সূর্যালোক পরতে দিবেন না ।

২) ল্যাপটপকে ধুলোবালি মুক্ত রাখুন :

ল্যাপটপ গরম হওয়ার একটা অন্যতম কারন হল ল্যাপটপে ময়লা জমা । ময়লা পরিস্কার করার জন্য আপনি computer vacuum ইউজ করতে পারেন । আর একটা উপায় হল ল্যাপটপটা খুলুন আর সরাসরি ফ্যানের তলায় রাখুন তবে খেয়াল রাখবেন যাতে ল্যাপটপটার কোন অংশে ক্ষতি না হয় । তবে এসব করার আগে যেটা অবশ্যই মনে রাখবেন সেটা হল ল্যাপটপটা যেন বন্ধ করা থাকে । আর যদি আপনি ল্যাপটপটার ময়লা পরিস্কার করতে না পারেন তাহলে service center এ নিয়ে গিয়ে দেখতে পারেন । কোন কোন ল্যাপটপ এ Dedusting বলে একটা অপশন থাকে যাতে আপনার ল্যাপটপটার ফ্যান এর স্পীড বেড়ে গিয়ে ময়লা পরিস্কার হয় । চেক করুন আপনার ল্যাপটপটাতে এ ধরনের কোন অপশন আছে কিনা ।

৩) একটা স্ট্যান্ড কিনুন :

ল্যাপটপ এর জন্য বিভিন্ন স্ট্যান্ড কিনতে পাওয়া যায় সম্ভব হলে এরকম একটা স্ট্যান্ড কিনুন ।

৪) ল্যাপটপ এর সেটিংস্‌ চেক করুন :

চেষ্টা করবেন একটু দামি ল্যাপটপ কিনতে বিশেষত যারা Game খেলেন আর Movie দেখেন । যদি আপনার ল্যাপটপ এর সফটওয়্যার গুলো ভালো কাজ করে তাহলে ওগুলো কে বিনা কারনে আপডেট করবেন না । যখন আপনি ল্যাপটপটা ব্যাটারিতে চালাবেন তখন চেষ্টা করবেন স্ক্রীন এর brightness কমিয়ে রাখার , যেসব application আপনি তখন ব্যবহার করবেন না সেগুলো বন্ধ করে রাখবেন । এতে করে আপনার ল্যাপটপটার সিপিউ এর উপর চাপ কমবে । সর্বোপরি, দেখবেন যেন ল্যাপটপটার power-management settings গুলো সব ঠিক আছে ।

৫) ল্যাপটপটাকে রেস্ট দিন :

একটানা গেম খেলবেন না বা বেশি ভারি কাজ করবেন না । পারলে আপনার ল্যাপটপটাকে রেস্ট দিন । ল্যাপটপটাকে একটানা কয়েকদিন চালানও ঠিক না । ল্যাপটপটাকে ঠাণ্ডা করার জন্য কুলারও ব্যবহার করতে পারেন ।
এছারা আপনি ইউটিউব থেকে এই ভিডিওটাও দেখতে পারেন এটা খুব কাজে দেবে ।   টিউনটা ভালো লাগলো না খারাপ লাগলো সেটা অবশ্যই জানাবেন । ভালো থাকবেন । ধন্যবাদ

Monday, March 17, 2014

নিয়ে নিন ২০১৮ সাল পর্যন্ত AVG Internet Securtiy একদম ফ্রী


আসসালামুয়ালাইকু সবাইকে,
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি গত ২-২.৫ বছর ধরে টেকটিউনস এর একজন নিয়মিত পাঠক। আমি এখান থেকে অনেক কিছুই শিখেছি যা আগে জানতাম না। কিন্তু এই প্রথম আমি টিউনস লিখলাম। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
এবার আসি মূল আলোচনায়। আমরা কম্পিউটার কে ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য অনেকেই এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা প্রধানত জানিনা কোন এন্টি ভাইরাসটি ভাল মানের। যা আপনার কম্পিউটারের সুরক্ষার পাশাপাশি এর গতি কমাবে না। অনেকেই অনেক এন্টি ভাইরাসের কথা বলে থাকে। কিন্তু আপনার এন্টি ভাইরাসটি যদি লাইসেন্স না হয় তাহলে কাজের কাজ কিছুই হবে না। আবার এক বছরের লাইসেন্স কিনতে ১০০০+ টাকা ব্যয় করতে অনেকেই রাজি না। তাই আমি আপদের কাছে আমি শেয়ার করব একটি সেরা এন্টি ভাইরাস যা শুধু আপনার কম্পিউটার কে ভাইরাস থেকেই সু-রক্ষা দিবে না পাশাপাশি আপনার কম্পউটার এর গতিও বাড়াবে। এটি হল AVG Internet security 2014. এই এন্টি ভাইরাস সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। আপনি ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন এর মান কত ভাল আমি গত ৫ বছর যাবৎ ব্যবহার করছি এবং আমি ১০০% সন্তুষ্ট।
আপনাকে প্রথমেই যা করতে হবে। এখান থেকে https://www.avg.com.au/download/home-security/avg-internet-security-2014/#tba2?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C3433769069 ডাউনলোড করে নিন অথবা আপনার কাছে ব্যকাআপ থাকলে ইন্সস্টল করুন। তারপর ইন্স্‌স্টল করুন আপনার কম্পিউটারে। আর Serial key: 8MEH-RLKZO-8CQHH-HSYKA-KDLXC-SEMBR-ACED তারপর দেখুন আপনার এন্টি ভাইরাসটি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সাল পর্যন্ত রেজিষ্ট্রেশন হয়েগেছে। আর আপনার কম্পিউটারও থাকবে ভাইরাস মুক্ত।
সবাই কে কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে আজকেরম মত শেষ করছি।
[বিঃদ্রঃ বছরের শেষে যদি কম্পিউটারে নতুন উন্ডোস্‌ দেন তাহলে অব্যশই সেই বছরের মেইন ফাইল নামিয়ে নিয়ে তারপর একই Serial key ব্যবহার করবেন]

Sunday, March 16, 2014

ফেসবুকে Pending Friend Request তালিকা দেখুন (সর্বোৎকৃষ্ট সহজ পদ্ধতিতে), আইডি ব্লক হওয়া থেকে বাঁচুন !!!

আজ আপনাদের সাথে ফেসবুক সম্পর্কে একটা ট্রিকস শেয়ার করব। অনেকেই হয়ত জানেন, আবার অনেকেই হয়ত জানেননা। যারা জানেননা তাদের জন্য এই ট্রিকসটি অনেক উপকারে আসবে। এবার আসল কথায় আসা যাক। আজকের ট্রিকসটি হল ফেসবুকে Pending Friend Request নিয়ে। আমরা সাধারণত অনেকেই ফেসবুকে নতুন বন্ধুর খোঁজে যাকে-তাকে, চেনা-অচেনা নানা আইডিতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট  পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু ফেসবুকের নিয়ম নীতির মাঝে এই কাজটি একটি অন্যতম নিষিদ্ধ কাজ। কিন্তু ফেসবুক তো আর বুঝেনা যে আমরা ফেসবুক ব্যবহার করিই শুধুমাত্র অচেনা কাউকে বন্ধু বানাতে অর্থাৎ নতুন নতুন বন্ধুত্ত করতে। তাই ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী ঃ- অপরিচিত কাউকে অতিরিক্ত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে, আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বেশিরভাগ লোক Cancel করলে বা বাতিল করলে, আপনাকে কেউ ব্লক মারলে সাধারণত আপনিও অর্থাৎ আপনার আইডিকে ফেসবুক থেকে দেয়া শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই শাস্তি হিসেবে অনেকসময় আমাদের আইডি ব্লক করে দেয়া হয়, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্লক করা হয়।
এসব শুরুর কথা বললাম। আর একটা কথাও অযথা বাড়াবনা। এখন দেখাব আপনি কাকে কাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন এবং সেগুলো এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। খুবই সোজা এবং ছোট একটা কাজ করলেই আপনি এই কাজটি করতে পারবেন। আর তালিকাটি পাওয়ার পর সেগুলো Cancel Friend Request ক্লিক করেই আপনার আইডি অনেকটা সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন :-
  • ফেসবুকে লগিন থাকা অবস্থায় এই লিঙ্ক - এ ক্লিক করুন
  • একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনার Pending Friend Request তালিকা পেয়ে যাবেন।
  • এবার সেখান থেকে Cancel Request বাটন ক্লিক করে একটা একটা একটা করে রিকোয়েস্ট বাতিল করুন।
  • ব্যাস কাজ শেষ। সমস্যা হলে নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।
Cancel Pending Friend Request

বন্ধুর ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করুন ১মিনিটে । ১০০% গ্যারান্টি ।

আগেই বলে নিচ্ছি এ কাজটা করে খারাপ কিছু করবেন
না এবং কোন প্রকার ক্ষতির জন্য আমি দায়ি থাকব
না ।
আমরা অনেকেই ফেসবুক ইউজ
করি কমবেশি তাইনা Janith । আমাদের সবার
একটা ইচ্ছা থাকে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করার ।
কিন্তু পারি না । আজকে এটাই তোমাদের শেখাব ।
ধাপ ১ >> যার Account হ্যাক করবে তার ফোনের
অপেরা তে যাও । একটা কথা বলে রাখা ভাল
সে যে অপেরা মিনি ইউজ করে ঐ টা তে যেতে হবে ।
২য় ধাপ >> এবার sunchorise opera তে ক্লিক কর ।
এবার একটা নাম দাও আর তোমার ইমেল অ্যাড্রেস
দিয়ে সাইন আপ কর ।
কাজ শেষ । এবার বাড়িতে এসে তোমার
অপেরা মিনি Open কর । তারপর sunchorise
opera তে ক্লিক কর । তারপর ঐ ইমেল আর পাসওয়ার্ড
দিয়ে লগিন কর । ফেসবুক এ ক্লিক করলেই
সরাসরি ফেসবুক এ চলে যাবে Janith
একটা কথা বলি । পোষ্টটা অনেক কষ্ট করে লিখলাম
। একটা কমেন্ট আশা করছি । ভাল থাকবেন ।
কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবে