Saturday, April 5, 2014

বের করুন লুকিয়ে রাখা ফেসবুক মোবাইল নাম্বার বা ই-মেইল

আসসালামুআলাইকুম ।
আশা করি সবাই ভালো আছেন।
আমি ও আল্লাহতালার মেহেরবানিতে ভালো আছি।যাই হক কাজের কথায়
আসি সামাজিক যোগাযোগের এক
অন্যতম মাধ্যম ফেসবুক।
তবে বর্তমানে ফেসবুকে আসল ও
নকলের তফাৎ বোঝা দায়। ফেক
আইডি খুলে ঠোকানো হচ্চে বহু
মানুষকে। তাই এদের ধরার
একটি সহজ উপায় রয়েছে, আর
তা হলো"". এর
ম্যাধ্যমে আপনারা যেকোনো আইডির
হাইড করা মোবাইল নাম্বার অর ই-
মেইল দেখতে পারবেন, তাছাড়াও
দেখতে পারবেন যে ঐ ইউজার
কোথা থেকে ফেসবুক ব্যবহার করে,
ঢাকা নাকি কুমিল্লা নাকি অন্য কোথাও ।

Link name

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুণ।]
ডাউনলোড করে সফটওয়্যার টিই
ওপেন করুণ।
যার ই-মেইল বা মোবাইল নাম্বার
দেখবেন তার প্রোফাইল address
টি "Profile URL" এ বসিয়ে "Go" বাটন এ ক্লিক করুণ। বাস, পেয়ে যাবেন তার সকল
details।
আজকের মত বিদায় নিচ্ছি আগামি দিন আবার ভালো কোন বিষয় নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
আমার লেখার মধ্য ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
ভালো থাকুন এবং banglawap সাথে থাকুন।
""খোদা হাফেজ""

আপনার কম্পিউটারকে বানিয়ে ফেলুন APPLE ম্যাক এখনি !


ম্যাক এমন একটা অপারেটিং সিস্টেম যা আমাদের সবার মন কেরে নেয় । আমদের সবার হয়ত ম্যাক কিনার সামর্থ্য নেই কিন্তু আমরা ম্যাক ব্যাবহার করবনা তা কি করে হয় আর সেই জন্যই আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ম্যাক থিম ফর উইন্ডোজ ৭ । এটি একটি প্রিমিয়াম থিম কিন্তু আমি আপনাদের কে তা উপহার দিচ্ছি একদম ফ্রীতে । এখনি ডাউনলোড করে নিন আর উপভোগ করুন ম্যাক এর মজা ।
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ।

Friday, April 4, 2014

ফেসবুকে Pending Friend Request তালিকা দেখুন (সর্বোৎকৃষ্ট সহজ পদ্ধতিতে), আইডি ব্লক হওয়া থেকে বাঁচুন !!!

আপনাদের সাথে ফেসবুক সম্পর্কে একটা ট্রিকস শেয়ার করব। অনেকেই হয়ত জানেন, আবার অনেকেই হয়ত জানেননা। যারা জানেননা তাদের জন্য এই ট্রিকসটি অনেক উপকারে আসবে। এবার আসল কথায় আসা যাক। আজকের ট্রিকসটি হল ফেসবুকে Pending Friend Request নিয়ে। আমরা সাধারণত অনেকেই ফেসবুকে নতুন বন্ধুর খোঁজে যাকে-তাকে, চেনা-অচেনা নানা আইডিতে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট  পাঠিয়ে থাকি। কিন্তু ফেসবুকের নিয়ম নীতির মাঝে এই কাজটি একটি অন্যতম নিষিদ্ধ কাজ। কিন্তু ফেসবুক তো আর বুঝেনা যে আমরা ফেসবুক ব্যবহার করিই শুধুমাত্র অচেনা কাউকে বন্ধু বানাতে অর্থাৎ নতুন নতুন বন্ধুত্ত করতে। তাই ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী ঃ- অপরিচিত কাউকে অতিরিক্ত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে, আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট বেশিরভাগ লোক Cancel করলে বা বাতিল করলে, আপনাকে কেউ ব্লক মারলে সাধারণত আপনিও অর্থাৎ আপনার আইডিকে ফেসবুক থেকে দেয়া শাস্তি ভোগ করতে হবে। এই শাস্তি হিসেবে অনেকসময় আমাদের আইডি ব্লক করে দেয়া হয়, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্লক করা হয়।
এসব শুরুর কথা বললাম। আর একটা কথাও অযথা বাড়াবনা। এখন দেখাব আপনি কাকে কাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন এবং সেগুলো এখন পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়নি। খুবই সোজা এবং ছোট একটা কাজ করলেই আপনি এই কাজটি করতে পারবেন। আর তালিকাটি পাওয়ার পর সেগুলো Cancel Friend Request ক্লিক করেই আপনার আইডি অনেকটা সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন :-
  • ফেসবুকে লগিন থাকা অবস্থায় এই লিঙ্ক - এ ক্লিক করুন
  • একটি পেজ আসবে যেখানে আপনি আপনার Pending Friend Request তালিকা পেয়ে যাবেন।
  • এবার সেখান থেকে Cancel Request বাটন ক্লিক করে একটা একটা একটা করে রিকোয়েস্ট বাতিল করুন।
  • ব্যাস কাজ শেষ। সমস্যা হলে নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন।
Cancel Pending Friend Request

ফেসবুক এ FRIEND REQUEST BLOCK হলে Request পাঠানোর নিয়ম

ফেসবুক এ FRIEND REQUEST BLOCK হওয়ার পর আপনার যদি খুব দরকার হয় Request পাঠানোর তাহলে নিচের নিয়মে পাঠাতে পারবেন.
1.যাকে REQUEST পাঠাবেন তার EMAIL ID COLLECT করুন / অথবাসে ফেজবুক Id ফোন নাম্বার দিয়ে খোলে সে নাম্বার collect করুন
2.তারপর এই নিচের লিঙ্কে যান https://www.facebook.com/invite.php
3.প্রথম বক্সে তার Email id অথবা ফোন নাম্বার দ...
4.দ্বিতীয় বক্সে কিছু বলার থাকলে লিখতে পারেন।
5.এবার invite এ ক্লিক করুন।

Wednesday, April 2, 2014

(Updated Link)ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক করুন খুব সহজে। (হ্যাক হওয়া Guarantee )


কেমন আছেন? আসা করি ভালই আছেন। শিরোনাম দেখে বুঝে ফেলেছেন, আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে ফেসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে হয়। কিন্তু একটি কৌশল করে এটি করতে হবে। তাই ভালকরে সব ধাপগুলো পড়তে হবে। তাহলে শুরু করা যাকঃ
১। প্রথমে যার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করবেন তাকে আপনার কম্পিউটারে লগিন করান।
২। সে যাওয়ার সময় লগ আউট তো করবেই।
৩। এবার  আপনার কম্পিউটারে লগিন করান।
২। সে যাওয়ার সময় লগ আউট তো করবেই।
৩। এবার আপনি নিম্নের দেওয়া লিঙ্ক থেকে রার ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
৪। রার ফাইলটি উইনরার দিয়ে extract করুন।
৫। এবার Setup_FacebookPasswordDecryptor.exe ফাইলটি রান করুন এবং ইন্সটল করুন।
৬। ইন্সটল করে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন।
৭। ওপেন করলে নতুন উইন্ডো আসবে।
৮। এইবার Start Recovery তে ক্লিক করুন।
৯। এবার এখান থেকে Show Password এ ক্লিক করুন।
১০। পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত পাসওয়ার্ড।HACK (1) 2014-02-21_052142HACK (3)

BZ7ny
or
BZ7ny
New Bitmap Image2014-02-03_142015-1

Easy Mobile Balance Recharge by bKash (সহজেই মোবাইল এ রিচার্জ করুন বিকাশ দিয়ে,যে কোনো অপারেটরে)


প্রিয় পাঠক, আসসালামু-আলাইকুম । আশাকরি আল্লাহর রহমতে সবাই খুব ভাল আছেন ।সবাইকে স্বাগত জানাই,সেই সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই পিসি হেল্পলাইন বিড়ি কতৃপক্ষ কে । যাদের অসামান্য অবদানের জন্য আমরা প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু নতুন নতুন তথ্য জানতে পারি । অত্যন্ত আনন্দের সহিত জানাচ্ছি যে, দীর্ঘ দুই বছর ধরে সফলতার সাথে অনলাইন মোবাইল রিচার্জ ও ডলার টু টাকা এক্সচেঞ্জ সেবা দানকারী প্রতিষ্টান RECHARGE POINT এই বার চালু করেছে বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো মোবাইল অপারেটরে মোবাইল বালেন্স রিচার্জ এর সুবিধা । সল্প সময়ে অল্প খরচে যে কোন সময় যে কোন স্তান হতে বিকাশ ব্যবহারকারীগণ এই সেবা গ্রহন করতে পারবেন ।যে কোন অপারেটরে সর্বনিম্ন ৳ ১০টাকা থেকে ১০০০ টাকা যে কোন পরিমান টাকা রিচার্জ করা যাবে।
Brac Bank Bkash
**চার্জ সমুহ-
*প্রতিটি রিচার্জ এ ২ টাকা অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করতে হবে।যেমন ১০ টাকা হলে ১২ টাকা ,১০০ টাকা হলে ১০২ টাকা এবং ১০০০ টাকা হলে ও ১০০২ টাকা প্রদান করতে হবে ।
* 01857525252 (bkash Marchent Number) যে কোন সময় রিচার্জ সুবিধা নিতে এই নাম্বারটি আপনার মোবাইল ফোনে সেইভ করে রাখুন ।
*নির্দেশাবলী-
  • *247# ডায়াল করুন
  • 3. Payment select করুন
  • Enter Merchant bkash number এ 01857525252 নাম্বারটি লিখুন
  • amount লিখুন (যে পরিমাণ টাকা রিচার্জ করতে চান)
  • Enter Reference এ আপনার ১১ ডিজিট নাম্বারটি (01xxxxxxxxx) লিখুন(যে নাম্বার এ রিচার্জ করতে চান
  • Enter Counter Number এ 1 লিখুন
  • প্রদর্শনকিত তথ্যাদি সঠিক হলে bkash PIN প্রবেশ করুনHow to Do payment by bkash murchent
উপরুক্ত নিয়মে সঠিক ভাবে টাকা প্রেরন করলে আপনি ১০ -১৫ মিনিট এর মধ্যে মোবাইল টাকা পেয়ে যাবেন । আশা করছি উপকৃ্ত হবেন ।
**লেনদেন এর সুবিধারতে লিঙ্কটি ব্যবহার করতে ও সেইভ করে রাখতে পারেন – https://docs.google.com/forms/d/1q7oDvNZU_ON3KbhuIg5dSCWmTgJyWQkWNy5i_pFQP4s/viewform
আশা করছি, সম্মানিত পিসি হেল্পলাইন বিড়ি কতৃপক্ষ  পোস্টটি রিমুভ না করে যাচাই বাচাই এর মাধ্যমে  সবাইকে জানার সুযোগ করবে।
ধন্যবাদ –

কিভাবে Youtube থেকে আয় করবেন?জেনে নিন ইউটিউব থেকে আয়ের খুঁটিনাটি A to Z তথ্য ।


বিশ্বের সবচাইতে ভিডিও View হয় এমন প্রথম তিনটি সাইটের একটি হল ইউটিউব (Youtube). ইউটিউব (Youtube)এর নাম শোনেননি এমন কাউকে হয়ত খুজে পাওয়া দুষ্কর । 2005 সালে 23 April ইউটিউব যাত্রা শুরু করে । কয়েক বিলিয়ন ভিডিও’র মালিক এখন Youtube .
কিন্তু আপনি কি জানেন Youtube থেকে আয় করা যায় ??
আজকের লেখায় আমি সেটাই আপনাদের দেখাব ।

যা যা লাগবেঃ

1. Camera
2. Youtube account
3. Google Adsense Account (১৮ কিংবা তার বেশি বয়স হতে হবে)
4. Computer বা Mobile বা অন্য কিছু, যার দ্বারা আপনি Youtube-এ ঢুকবেন ।
5. Regular Video Upload
এখন আমরা ধাপে ধাপে কাজগুলো শিখে নিবঃ

Youtube Account তৈরি

http://www.wikihow.com/images/1/14/YouTubeStartJing2.png
Image:YouTubeStartJing3.png
  • Youtube -এ প্রথমে Account খুলুন । যদি আগে থেকেই Account থাকে তবে ওটাই ব্যবহার করতে পারেন ।
  • আপনার Channel খুঁজে পেতে Keyword ব্যবহার করুন ।
  • আপনার Account-এর সঠিক ধরণ নির্বাচন করুন । (যেমনঃ যদি Movie নিয়ে কাজ করেন Director Account দিন )
  • Username অবশ্যই ছোট রাখুন, এতে দর্শক মনে রাখতে পারবে।

Video Upload করা

Image:Get Tons of Subscribers on YouTube Step 2 Version 2.jpg
Account-এ প্রথমে Sign in করুন । এরপর উপরে দেখুন UPLOAD লেখা আছে । সেখানে ক্লিক করে Video Upload করুন ।
যেই বিষয়গুলো মনে রাখবেনঃ
  • Video’র Quality যেন ভাল হয় (আমি বলতে চাইছি, আলতু-ফালতু Video দিবেন না)
  • Video যেন খুব বেশি বড় না হয়
  • Account Type-এর দিকে লক্ষ রেখে Video upload করবেন ।
  • ভাল Software-এর সাহায্যে Video Edit করলে ভাল হয় ।

দর্শক বাড়ান

Image:Earn Money on Youtube Step 3.jpg
এটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।
  • Youtube-এ কিছু Friend তৈরি করে ফেলুন ।
  • দর্শকদের কমেন্ট করতে বলুন ।
  • নিজে কমেন্টের Reply দিন ।

Youtube-এর Partner হয়ে যান

Image:Earn Money on Youtube Step 4.jpg
হ্যাঁ, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । আপনি Youtube-এর Partner হলে কিছু এক্সট্রা Facility পাবেন, যা আপনার আয় বাড়িয়ে দিতে বড় ভুমিকা রাখতে পারে।

Google Adsense

Image:Earn Money on Youtube Step 5.jpg
প্রথমেই Google adsense-এর কথা বলেছিলাম । ওরা আপনার বয়স বেঁধে দিয়েছে, যার জন্য ১৮ কিংবা তার চেয়ে কমবয়সীরা Allowed না ।
যাইহোক, Google Adsense সেটআপ এর কথা আজ বলব না,  এই বিষয় নিয়ে অনেক ভাল ভাল পোস্ট আছে ।
প্রয়জনে সেগুলোর হেল্প নিতে পারেন ।

Video’র Market বাড়িয়ে দিন


Video শুধু Youtube-এ রাখলেই হবে ?? না, হবে না ।
পুরো ইন্টারনেট-এ ছড়িয়ে দিন । আপনার ব্লগে, ফেসবুকে, টুইটারে সব জায়গায় Video শেয়ার করুন ।

কিছু কার্যকরী টিপস

  • Regular ভিডিও আপলোড করবেন ।
  • Tag নির্বাচন করবেন সঠিকভাবে ।
  • ভিডিও description যেন প্রাঞ্জল ভাষায় হয়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন ।
  • দর্শকের পছন্দ-অপছন্দ কে প্রাধান্য দিন ।
  • দর্শকের রুচি অনুযায়ী ভিডিও আপলোড করুন ।
  • Camera ব্যবহারের দক্ষতা বাড়াতে হবে ।
  • আপনাকে প্রচুর সময় দিতে হবে ।

কিছু কথা

  • কিছু দর্শক খারাপ মন্তব্য করবেই, এতে ভেঙে পড়বেন না ।
  • প্রথম প্রথম ভাল আয় হবে না । এতে ভিডিও আপলোডের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলবেন ?? না, কখনই না।
আশাকরি টিউনটি আপনাদের অনেক কাজে দিবে ।
ভাল লাগলে একটা কমেন্টএকটা শেয়ার দিয়েন ।
ধন্যবাদ । লেখকঃ Galib Shahriar
|| আল্লাহ হাফেজ ||

Fanslave ১০০% Real pay করে !!!!জেনে নিন এর সব সমস্যা সমাধান।সাথে নিন পরিশ্রম বিহীন দুইটি Earning site….


সবাই কেমন আছেন ।আমার postটা টেকটিউনে করেছিলাম,বলেছিলাম কিভাবে Fanslave থেকে আয় করা যায়।
আমার আগের postটা Delete করা হয়েছে তবুও কেউ যদি আগের postটা দেখতে চান তাহলে আমার ব্লগে দেখুন
এবার কাজের কথায় আসি, Fanslave ১০০% Real pay করে নিচে দেখুন,
1
অনেকে বলেছেন নিয়োমিত Fanpage পাওয়া যায় না,হ্যা এটা ঠিক কিন্তু আপনি যদি রেফার বাড়াতে পারেন তাহলে
এমনিতেই Euro বাড়বে ।আর নিয়োমিত fanpage না পাওয়া গেলেও youtube ও website visit নিয়োমিতই পাওয়া যায়।
আবার আনেকেই বলেছেন Euro কেটে নেয়।এর এক মাএ কারন twitter add করলে,কিন্তু এর সমাধানও আছে নিচে দেখুন,
2

twitter add করার পর উপরের চিএের মত delete করে দিন।
তো যারা Fanslave এ Account খুলেছেন তারা এখুনি কাজ শুরু করে দিন।আর নতুনরা এই লিঙ্ক এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশান করুন
এখানে ক্লিক করুন 

২০১৪ সালের সেরা ৩টি অনলাইন আরনিং আইডিয়া

যেহেতু এই আর্টিকেলটি পড়ছেন সুতরাং ইন্টানেট কানেকশন সহ আপনার একটি কম্পিউটার আছে। নিশ্চয়ই শুনেছেন অনেক বন্ধুরা অনলাইনে কাজ করে ডলার ইনকাম করছে। আপনার কি কখনো ইচ্ছা হয়না ডলার ইনকাম করার? তাহলে আসুন আমার সাথে। আমি এখানে খুবই সংক্ষিপ্তভাবে ২০১৪ সালের সেরা ৩টি অনলাইন আরনিং আইডিয়া শেয়ার করেছি যা আপনার সামান্য কাজে লাগতে পারে।
1

৩. অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করা:

আপনার নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট যদি থাকে তাহলে আপনি সহজেই তা অনলাইনে সেল করে দিতে পারেন। নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট নেই? তাতে কি? ঢুকে পড়ুন EBay অথবা Amazon সাইটে সেল করুন অন্যের প্রোডাক্ট আর ইনকাম করুন ডলার।

২. আপনার অভিজ্ঞতা বিক্রা করুন:

অনেকেই প্রশ্ন করবেন অভিজ্ঞতা আবার কিভাবে বিক্রি করব? চিন্তার কোন কারন নেই। অনলাইনে অনেক সাইট আছে যেখানে আপনার অভিজ্ঞতা বিক্রি করতে পারেন। এরকম কিছু সাইট হল: oDesk, Elance, Freelancer, Microworker ইত্যাদি। যদি আপনার Data Entry, Web Research, Article Writing, Social Media Marketing, SEO, Blogging, Web Design অথবা অন্য কোন কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আজকেই একটি একাউন্ট খুলুন আর কাল থেকেই শুরু করুন অনলাইন আরনিং।

১. ব্লগিং:

ব্লগিং হচ্ছে সবচেয়ে সহজ এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। তবে একটা ব্লগ দাঁড় করাতে অনেক পরিশ্রম ও সময় ব্যয় করতে হয়। ব্লগিং শুরুর আগে এর আগা থেকে মাথা সব কিছু জেনে শুরু করবেন তাছাড়া সাফল্য আসবেনা।

অনেকেই মনে করেন কিছু টাকা খরচ না করলে অনলাইনে আয় করা যায় না। আপনার ধারনা ভুল। অনলাইনে আয় করার জন্য শুধু প্রয়োজন অভিজ্ঞতা আর কঠোর পরিশ্রম করার সামর্থ। আপনার কি পরিশ্রম করার সামর্থ আছে? তাহলে অভিজ্ঞতাটা অর্জন করুন এখান থেকে

এবার বাড়ান আপনার Laptop/Desktop এর Screen Resulation (for Winows 7 and 8 Beta only)


Hi guys ! আমি বাংলা খুব একটা ভাল পারিনা ... তাও লিখলাম সবার জন্য :p
আমাদের মধ্যে অনেকেই ATOM Processor নোটবুক ব্যাবহার করে , আমিও ব্যাবহার করি।
But .. অনেক সময় অনেক important softwares (Encyclopedia Britannica, Virtual Dj) … games , Mobile Flasher ইত্যাদি ইত্যাদি  install করতে পারিনা… এমনকি কোন ছবি দেখতে চাইলে বার বার উপরে নিচে up-down করতে হয় ...
সেজন্য আমি একটি  solution দিলাম ( tested with Windows 7 and 8 ) ...
also tested with all laptops / desktops with Windows 7 and 8 ! Windows 98 / XP mayn't support that ! )
Originally আমাদের Screen Regulation এর step কম থাকে , যেমন ATOM Processor এর ক্ষেত্রে maximum resulation : 1024x600

১। Start menu থেকে “ Run “ ক্লিক করুন

২।  Type : “ regedit “   and press OK !

৩। Press : Ctrl + F   / or go to Edit > Find

৪। " Display1_DownScalingSupported "  লিখে  search দিন এবং wait করুন 2-3 min

৫/  Right Click করে Modify click করুন

৫/  Value Data “ 0 “  থেকে  “1” করে  ok press করুন

৬/  RESTART করুন
এবার দেখুন Magic !!! ;)

আপনার পেন ড্রাইভের সকল ফাইল হাইড হয়ে শটকাট হয়ে যাচ্ছে ? উইনন্ডোস এক্সপি/সেভেন/এইট থেকে সহজে ভাইরাস রিমুভ করতে চান ? তাহলে এই টিউনটি আপনার জন্য!!!!


পান্ডা ক্লাউড ক্লিনার ( Panda Cloud Cleaner ) - ই হচ্ছে সেই  ম্যালওয়ার ক্লিনার যার মাধ্যমে আমরা উইনন্ডোস পিসি থেকে ম্যালওয়ার রিমুভ করবো। এটি মুলত একটি অনলাইন ভাইরাস ক্লিনার তবে এটি অফলাইনেও কাজ করে। সেক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হবে সম্ভব হলে অনলাইনে থেকে সফটওয়ারটি ব্যবহার করার জন্য। তো আর দেরি নয়, পান্ডা ক্লাউড ক্লিনার ( Panda Cloud Cleaner ) টি ডাউনলোড করে নিন নিচের লিংক থেকে।
http://acs.pandasoftware.com/pandacloudcleaner/installers/master/PandaCloudCleaner.exe

এখানে  Next - এ ক্লিক করুন।

ইন্সস্টলেশন শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।


এখানে Accept & Scan -এ ক্লিক করে Virus স্কেনিং শুরু করুন।

ভাইরাস স্কেনিং শেষ হলে উপরের ছবির মত আসবে। ভাইরাস ক্লিন করার আগে ডান পাশে এ্যারো চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে  ভাইরাস ডিটেকশনের বিস্তারিত রিপোর্ট দেখে  নিতে পারেন।
সবাইকে ধন্যবাদ।

Skype call recorder


আমরা সবাই Skype দিয়ে সাধারণত কথা বলে থাকি । অনেক সময় আমরা আমাদের প্রিয় জনের কথা রেকর্ড করতে চাই । দেখুন কি ভাবে তা করা য়ায।Skype-এর কল রেকর্ড করুন iFree Skype Recorder দিয়ে
নেট ব্যবহার করে এমন বেশীর ভাগ মানুষই Skype ব্যবহার করে ফ্রিতে কল করতে । Skype কল রেকডিংয়ের অনেক সফটওয়্যার আছে । তাদের মধ্যে অন্যতম হল iFree Skype Recorder । এটি আসলেই একটি কাজের সফটওয়্যার । এর দ্বারা যতক্ষন ইচ্ছা Skype কল ফ্রিতে রেকর্ড করতে পারবেন । এটি খুবই হালকা একটি টুল । এর ব্যবহারের ইন্টারফেসও অনেক সহজ , তাই যে কেউ অনায়েসে এটি ব্যবহার করতে পারবে । এটি চালাতে পিসিতে Skype ইন্সটল থাকতে হবে । সফটওয়্যারটি প্রথমবার চালালে এটি Skype থেকে অথরাইজেশন চাইবে তা করে দিলেই শুরু করতে পারবেন কল রেকডিং । এটি Windows Vista এবং Seven এ কাজ করে ।

 বিশেষ কিছু ফিচার:

  •  যেকোন এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তের সাউন্ড রেকডিং ।
  • ম্যানুয়াল বা অটোমেটিক কল রেকডিং ।
  • কল রেকডিং mp3 ফরম্যাটে করা যায় ।
  • এতে রেকডিং প্লে করতে বিল্টইন প্লেয়ার আছে ।
  • এটি Skype-টু-Skype কল, SkypeOut অথবা SkypeIn calls, Conference কল ইত্যাদি রেকর্ড করতে পারে ।

সফটওয়ার টি এখান থেকে ডাউনলোড  করেন.
ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য! দেখা হবে আগামি পোস্টএ। আল্লাহ হাফেজ..
আল্লাহ হাফেজ..

Tuesday, April 1, 2014

নিজেই বানিয়ে ফেলুন আপনার Computer এর Control Panel!!


আমার আজকের টিউন টা Computer বিষয়ে। Computer এ প্রায় সময়ই যেকোনো Setting Change করতে হয়। অনেক সময় হারিয়েও ফেলি যে কোন Setting কোন জায়গায় আছে!কেমন হয় যদি Computer এর সকল Setting এক Folder এ পেয়ে যায়। সেটা কম খারাপ হবে না হয়তো :lol: হ্যাঁ আজ আমি সেটাই দেখাবো। এখানে আপনি আপনার Computer এর সমস্ত Setting একসাথে পেয়ে যাবেন। তাহলে আর দেরি না করে পদ্ধতি টা দেখে নিন.....................একেবারে Simple একটা কাজ। প্রথমে Desktop এ একটা Folder তৈরি করুন। এবার সেটা Rename করে

Settings.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}

এটা হুবহু Copy করে বসিয়ে দিয়ে Enter চাপুন।এবার দেখুন Settings নামে একটা ফোল্ডার হয়েছে Control panel এর Icon দিয়ে।এবার এটা ওপেন করে দেখেন আপনি কি করলেন আর কি হল!!!!

Settings.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}

বিঃদ্রঃ-উপরের লেখা টুকু সব  copy করতে হবে!!!!

গরম কাল তো এসে গেল! আর এই গরমে কম্পিউটারকে ঠাণ্ডা রাখার ৮টি উপায় (জেনে রাখুন)


১. বায়ু প্রবাহ নিশ্চিত করুনঃ কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় এর কম্পোনেন্টগুলো ব্যবহারের কারণে উত্তপ্ত হয়ে যায়। ফলে কম্পিউটারের কেসিং-এর ফাঁকা স্থানে থাকা বাতাস গরম হয়ে ওঠে। এই গরম বাতাস উত্তপ্ত হতে থাকা কম্পোনেন্টগুলোকে আরও বেশি উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। এ জন্য আপনার কম্পিউটারের কেসিং-এর কিছু নির্দিষ্ট স্থানে ছোট ছোট কুলার ফ্যান এর সাহায্যে ভিতরের এই গরম বাতাস বাইরে বের করে দেয়ার ব্যবস্থা থাকে যাতে করে এই ফ্যানগুলো ভেতরের গরম বাতাস বাইরে বের করে দিয়ে ভেতরের বাতাসের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে।

কেসিং এর কিছু স্থানে আবার ছোট কুলার ফ্যান ব্যবহার না করে শুধু কেসিং-এর গায়ে প্রয়োজন মতো ছিদ্র করা থাকে, যেমন মাদারবোর্ডের পেছনের অংশ। খেয়াল রাখবেন গরম বাতাস বেড়িয়ে যাবার এই পথগুলোর সামনে যেন কোন প্রতিবন্ধকতা না থাকে; এতে করে ভেতরের গরম বাতাস সম্পুর্ন বের হতে পারবে না, ফলে আপনার কম্পিউটারটির বিভিন্ন কম্পিউটার অতিরিক্ত গরম হয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অন্ততপক্ষে চারপাশ ২ থেকে ৩ ইঞ্চি খালি জায়গা রাখুন।

২. কম্পিউটারের কেসিং খুলে ব্যবহার করবেন নাঃ উপরের পয়েন্টটি থেকে আপনার মনে হতেই পারে যে আপনি যদি আপনার কেসিংটি খুলে ব্যবহার করেন তবে স্বাভাবিক ভাবেই কোন রকম কুলার ফ্যান ছাড়াই যথেষ্ট পরিমাণ এয়ার-ফ্লো আপনার পিসিতে থাকবে। হ্যাঁ,

সেক্ষেত্রে আপনার যুক্তি ঠিক। কিন্তু আপনি ধুলো-বালির কথা ভুলে যাচ্ছেন। ধুলো-বালি আপনার প্রসেসরের উপরে থাকা ফ্যানটির গতিরোধ করবে এবং গতিরোধের কারণে প্রসেসরের ফ্যানটি স্বাভাবিকের চাইতে কম সময় টিকবে। অর্থাৎ প্রথম প্রথম আপনি হালকা সুবিধা পেলেও এটি মূলত আপনার ক্ষতিই করছে।

৩. আপনার কম্পিউটারটি পরিষ্কার রাখুনঃ আপনার কম্পিউটার সিস্টেমকে ঠাণ্ডা রাখে কেসিং-এর ভিতরে থাকা কুলিং ফ্যানগুলো। আস্তে আস্তে সেই ফ্যানগুলোতে ধুলো এবং অনান্য ময়লা জমে যায় যা ফ্যানের পারফরম্যান্সকে কমিয়ে দেয় এবং কুলিং ফ্যান এর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাঁধা দিয়ে থাকে।

এ জন্য আপনার কম্পিউটারের কেইস খুলে ব্লোয়ার এর সাহায্যে ভিতরের কম্পোনেন্টগুলো এবং পাখাগুলো পরিষ্কার করুন। সাধারণত, কম্পিউটারে প্রসেসরের উপরে, পাওয়ার সাপ্লাই এর ভেতরে এবং কেসিং-এর সাথে দুটি অথবা তিনটি কুলিং ফ্যান থেকে থাকে। সেগুলো পরিষ্কার করুন। চেষ্টা করুন পাওয়ার সাপ্লাইটি খুলে এর কুলিং ফ্যানটি পরিষ্কার করতে।
কম্পিউটার বাজারে একটি ব্লোয়ার আপনি ১৫০০ টাকার মাঝে পেয়ে যাবেন।

৪. সিপিইউ-এর ফ্যান ও থার্মালপেস্ট পরিবর্তন করুনঃ সাধারণত প্রসেসর কম্পিউটারটির মধ্যে থেকে থাকা সবচাইতে দামি এবং স্পর্শকাতর কম্পোনেন্ট হয়ে থাকে এবং ব্যবহারের সময় প্রসেসরই দ্রুত গরম হয়। আপনি যদি ইতিমধ্যেই আপনার স্টক প্রসেসরের কুলারটি পরিবর্তন করে থাকেন তবে খেয়াল করুন ফ্যানটি ফুল স্পিডে চলছে কিনা। আর যদি এখনো পরিবর্তন না করে থাকেন তবে আপগ্রেড করতে চেষ্টা করুন। কেননা, অনেক কোম্পানিই আছে যারা প্রসেসরের জন্য কিছুটা বড় মাপের কুলার ফ্যান তৈরি করে থাকে। যা প্রসেসরকে স্টক কুলার থেকেও ঠাণ্ডা রাখতে সক্ষম। সেক্ষেত্রে প্রসেসরের ফ্যান আপগ্রেড করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

মনে রাখবেন, স্বাভাবিকভাবে পিসিতে প্রি-ইন্সটলড থেকে থাকা যন্ত্রাংশগুলোর চাইতে নতুন কেনা যন্ত্রগুলো বেশি ভালো এবং কার্যকর হয়ে থাকে।
৫. কেসিং–এর ফ্যানের সংখ্যা বৃদ্ধি করুনঃ কেসিং-এর ভেতরে সাধারণত একটি ফ্যান সংযুক্ত থাকে। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখবেন প্রায় প্রতিটি কেসিং এর ভেতরেই দু-তিনটি কুলার ফ্যান লাগানোর জায়গা থাকে। সেগুলো ব্যবহার করা উত্তম। কেননা, অতিরিক্ত কুলার ফ্যানের সাহায্যে আপনি আপনার সিস্টেমকে আরও ঠাণ্ডা রাখতে পারবেন নিশ্চিন্তেই। বাজারে নন ব্র্যান্ড এবং ব্র্যান্ড – দু'রকমেরই কেসিং ফ্যান পাওয়া যায়। নন-ব্র্যান্ড গুলো ৭০ থেকে ১৫০ টাকায় এবং ব্র্যান্ডের গুলো ১৫০০-৪০০০ টাকার মাঝে পাবেন।

৬. ওভারক্লক করবেন নাঃ যদি আপনি ‘ওভারক্লকিং’ শব্দটির সাথে পরিচিত না হয়ে থাকেন তবে সম্ভবত আপনি এখনো আপনার সিস্টেম ওভারক্লক করেননি। কিন্তু যারা ওভারক্লকিং এর সাথে পরিচিত তারা বুঝে শুনে ওভারক্লক করুন। ওভারক্লকিং প্রসেস আপনার কম্পোনেন্টকে এর সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সে কাজ করতে বাধ্য করে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ওভারক্লকিং এর কারণে ওভারক্লকড কম্পোনেন্টটি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি উত্তপ্ত হয়ে যায়।

ধরুন, আপনি আপনার প্রসেসরটি ওভারক্লক করলেন কিন্ত অন্যান্য সতর্কতা গ্রহণ করলেন না। এতে করে খুব সহজেই আপনার প্রসেসরটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই, আপনার একেবারেই যদি প্রয়োজন না হয় তবে আপনার সিস্টেমটিকে এর স্বাভাবিক ক্ষমতায় ব্যবহার করুন। আর যদি ওভারক্লক করেই থাকেন তবে প্রয়োজন অনুযায়ী কুলিং সিস্টেম এবং ভালো পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট ব্যবহার করুন।
৭. পাওয়ার সাপ্লাই চেক করুনঃ আপনার কেসিং-এর ভেতরে যদি আপনি কোন প্রকার কুলিং ফ্যান ব্যবহার করে না থেকেন তবে আপনার পাওয়ার সাপ্লাই-ই একমাত্র পন্থা যা ভেতরের গরম বাতাসকে বাইরে ট্রান্সফার করতে পারে। তাই পাওয়ার সাপ্লাই চেক করুন। যদি এর ফ্যান কোনোভাবে কাজ না করে তবে যেকোন সময় আপনার সিস্টেম অতিরিক্ত তাপমাত্রা জনিত কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কোনোভাবে যদি আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ের কুলার কাজ না-ই করে তবে আপনার সম্পূর্ণ নতুন পাওয়ার সাপ্লাই কিনতে হবে; কেননা এর ফ্যান রিপেয়ারযোগ্য নয়।

ভালো মানের পাওয়ার সাপ্লাই ব্যবহার করুন। বাজারে নন-ব্র্যান্ডের পাওয়ার সাপ্লাই ৬০০-৯০০ টাকায় এবং ব্র্যান্ডের পাওয়ার সাপ্লাই ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মাঝে পাবেন।
৮. প্রতিটি যন্ত্রাংশের জন্য আলাদা কুলিং ফ্যান ব্যবহার করতে পারেনঃ যদিও প্রসেসরই কেসিং-এর তাপমাত্রার জন্য দায়ী কিন্তু কম্পিউটারের অন্যান্য যন্ত্রাংশও তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সমানভাবে কাজ করে। যেমন, যদি আপনি আপনার কম্পিউটারে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করে থাকেন তবে দেখতে পাবেন গ্রাফিক্স কার্ডের সাথেই দু’টি কিংবা একটি ছোট কুলিং ফ্যান ডিফল্ট ভাবে যুক্ত করা আছে। কিন্তু যদি সেই কুলারগুলে কাজ করা সত্ত্বেও আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে যায় তাহলে আপনি আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য এক্সট্রা কুলিং ফ্যান লাগিয়ে নিতে পারেন।

এরকম কিছু ছোট ছোট নিয়মের মাঝে থেকেই আপনি আপনার কম্পিউটারটিকে খুব সহজেই ঠাণ্ডা রাখতে পারবেন। এতে করে আপনার মূল্যবান কম্পিউটারটি তাপমাত্রাজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া থেকে কিছুটা হলেও বেঁচে যাবে।

Android মজা [পর্ব-৪৭] :: এবার Android 2 Android ফোন দিয়ে ফ্রি কথা বলুন Bluetooth অথবা Wifi ব্যবহার করে !


আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ১টি Apps! এই Apps দুটি দিয়ে আপনি Android To Android ফোনে ফ্রি কথা বলতে পারবেন, এবং কি বন্ধুর সাথে মজা করে কথা বলতে পারবেন, এই apps টির না হচ্ছে Bluefi এইটা দিয়ে আপনি চাইলে কোন অফিসে, বাসায়,স্কুল,কলেজ ইত্যাদি জায়গায় অল্প দুরুত্বে কথা বলতে পারবেন এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন, আর ইন্সটলার করে নিচের নিয়ম অনুসারে কথা বলুন বন্ধুর সাথে। আমি নিজেও বন্ধুর সাথে অনেকক্ষণ মজা করে কথা বলে টিউন টি করলাম!

১।

২।

২। কম্পিউটার এ যেমন Control Panel নামে একটি অপশন আছে, তেমনি Android এর জন্য তৈরি হল Android Easy Panel, এখান শর্টকাট আকারে সবগুলো পাবেন। ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

বিঃদ্রঃ যার সাথে কথা বলবেন তার কাছেও Apps টি ইন্সটল থাকতে হবে, আর এটা ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক জোনের ভেতরেই থাকতে হবে !