Sunday, February 16, 2014

এবার আপনার সিম্বিয়ান ফোন হ্যাক করুন পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ উপায়ে মাত্র ২ মিনিটে

আজ আপনার সিম্বিয়ান ফোনের একটি বড় সমস্যার সমাধান নিয়ে হাজির হলাম। আপনারা এতোদিনে সবাই তা জানেন, অনেকে এই বিষয়টা জানেন না। তাই এ বিষয়ে লিখতে বসলাম। ভুল হলে ক্ষমা করবেন। এই টিউনটি সিম্বিয়ান ইউজারদের জন্য।
অনেক সময় দেখা যায়যে, সিমবিয়ান ফোনে সফটয়ার ইন্সটল করার সময় Certificate Expired, Unable to isntall জাতীয় বিভিন্ন লেখা আসে ফলে ঐ সফটয়ার ইন্সটল করা যায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় একটাই- তা হল সিমবিয়ান ফোনটি হ্যাক করা।
তাহলে শুরু করি :<br /> যন্ত্রপাতিঃ
১. Norton Symbian Hack
২. RomPatcherPlus_3.1
৩. X-Plore
৪. Isntallserver.exe
কাজের ধারাঃ
১. প্রথমে নিচের লিঙ্ক থেকে জিপ ফাইলটি ডাউনলোড করে Extract করে নিন।এবার Extract করা পুরো ফোল্ডারটি আপনার ফোনের মেমরিতে এ নিয়ে নিন।
মিডিয়াফায়ার
২. Norton Symbian Hack ইন্সটল করুন। এটি ওপেন করে Antivirus>Quarantine list এ যান। এখানে ৩ টি ফাইল পাবেন (কোন কোন ক্ষেত্রে কম হতে পারে)।এবার Option থেকে Restore All করুন।Exit দিয়ে বের হয়ে আসুন। এবার Norton Symbian Hack অ্যাপ্লিকেশন টি ফোন থেকে রিমুভ/ডিলেট করে দিন।
৩. এবার X-Plore সফটওয়ার টি ইন্সটল করুন।
৪. এবার RomPatcherPlus_3.1 ইন্সটল করুন।
৫. RomPatcher+ ওপেন করুন। Option থেকে All Patches> Apply All দিন।
এখন যদি InstallServer RP+ এবং Open4All RP+ সবুজ চিহ্ন হয় তাহলে আপনার কাজ শেষ।
আর যদি InstallServer RP+ লাল ও Open4All RP+ সবুজ চিহ্ন হয় তবে Installserver ....exe লাগবে।
৬. এবার আপনার ফোনের ভার্সন অনুযায়ী C:/sys>bin ফোল্ডারে Isntallserver.exe ফাইলটি কপি পেস্ট করে দিতে হবে।তার জন্যে X-Plore ওপেন করে 0(জিরো) চাপুন। এখান Show Hidden File এবং Show System file/folders এ টিক দিন ।কপি-পেস্ট হয়ে গেলে ফোন টি বন্ধ করে আবার চালু করুন। ব্যাস আপনার ফোনটি হ্যাক হয়ে গেল
ভার্সন অনুযায়ী Isntallserver.exe ফাইল না নিলে দেখবেন যে, আপনার কোন ইন্সটল করা সফটওয়ার রিমুভ করা যাচ্ছে না। তাই নিশ্চিত হয়ে নিন কোনটি আপনার প্রয়োজন।
৭.Isntallserver পেতে হলে All nokia symbian install server by RAIHAN.zip ফইলটি ওপেন করুন সেখানে ৫ টি ফাইল পাবেন। যেকোনো একটি ওপেন করে Informasi.txt টি ওপেন করুন সেখানে আপনার ফোন মডেল থাকলে, ঐ ফাইলে থাকা Isntallserver.exe হচ্ছে আপনার মোবাইলের Isntallserver । যদি না থাকে তাহলে আরেকটি ফাইল ওপেন করে দেখুন।
৮.তাছাড়া google.com এ সার্চ দিয়েও আপনার মোবাইলের মডেল অনুযায়ী Isntallserver.exe পেতে পারেন ।
মন্তব্যঃকোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।

আপনার ল্যাপটপের পরিচর্যার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় টিপস......

আপনার প্রিয় ল্যাপটপটির স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য এর পরিচর্যা করা প্রয়োজন। কোনো কিছু প্রতিকারের চেয়ে তা প্রতিরোধ করা উত্তম। তাই সামান্য অসাবধানতার জন্য আপনার ল্যাপটপের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। সেই জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। নিচের স্টেপগুলো মনে রেখে সেই অনুযায়ী কাজ করলে আপনার ল্যাপটপটির স্থায়িত্ব বাড়বে এবং ল্যাপটপ মেরামতের খরচও কমে যাবে। একইসাথে কিছু স্টেপ আপনার ল্যাপটপের গতি বাড়াতেও সাহায্য করবে।
১. যে কোনো ধরনের তরল পদার্থ ল্যপটপ থেকে দূরে রাখুন
ল্যপটপের আশেপাশে যে কোনো ধরনের তরল পদার্থ যেমন পানি, চা, কফি, সফট ড্রিংস ইত্যাদি রাখবেন না। এসব পানিয় দ্রব্য পানের সময় অসাবধানতার কারনে যদি ল্যপটপে পড়ে যায় তবে তা আপনার ল্যাপটপের অনেক ক্ষতি করতে পারে। এসব পানিয় দ্রব্য ল্যপটপের অভ্যন্তরীণ ইলেক্ট্রনিক সার্কিটগুলোকে অকেজো করে দিতে পারে। যা মেরামত করা অনেক খরচ সাপেক্ষ।
২. ভালো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন:যে কোনো ডাউনলোডকৃত ফাইলেই ভাইরাস থাকতে পারে যা অনেক ক্ষেত্রে সার্কিটের সমস্যা ও সফটওয়্যার সমস্যার সৃস্টি করতে পারে। এছাড়া অনেক ভাইরাস আপনার ল্যপটপের স্পিড স্লো করে দিতে পারে। তাই অনেকেই স্পিড কমে যাওয়ার ভয়ে ল্যাপটপে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেনা। তারা দ্রুত একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।
৩. খাদ্যদ্রব্য ল্যপটপ থেকে দূরে রাখুন:ল্যপটপ ব্যবহারের সময় খাওয়া দাওয়া করবেন না। খাবারের ছোট ছোট টুকরা বা গুড়া ল্যাপটপের কী-বোর্ডের ফাঁক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এছাড়াও এর মাধ্যমে ল্যাপটপের ওপরের অংশে ময়লার আস্তরন জমতে পারে।
৪. ল্যাপটপ ব্যবহারের আগে হাত পরিষ্কার করে নিন:হাতে জমে থাকা ময়লা আপনার ল্যাপটপের কী-প্যাড ও টাচ প্যাডে ময়লার আবরন তৈরি করতে পারে। এছাড়াও হাত ধুয়ে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে ঘাম ও ছোট ছোট ধুলাবালির কারনে কীপ্যাডের রং ক্ষয়ও অনেকটা কমানো যাবে।
৫. ল্যাপটপের মনিটরটির যত্ন নিন:ল্যপটপটি বন্ধ করার সময় খেয়াল রাখুন যেন কী-বোর্ডের ওপরে কোনো ছোট বস্তু না থাকে। যে কোনো ছোট জিনিস হলেও তা আপনার এলসিডি স্ক্রিনটিতে দাগ সৃষ্টি করতে পারে। এলসিডি মনিটরটি বন্ধ করার সময় মাঝখানে ধরে বন্ধ করবেন। বারবার শুধু সাইডে ধরে বন্ধ করার ফলে তা বেঁকে যেতে পারে।
৬. ল্যপটপ তোলার সময় এর কেসিং ধরে তুলুন মনিটর ধরে নয়:যদি আপনি ল্যাপটপ তোলার সময় এর মনিটর ধরে তোলেন তাহলে তা স্ক্রিনে দাগ সৃষ্টি করতে পারে এমনকি ডিসপ্লে নষ্টও হয়ে যেতে পারে।
৭. ল্যাপটপের ওপর ভারি বস্তু রাখবেন না:ভারি বস্তু যেমন বইপত্র আপনার ল্যাপটপের ওপর রাখবেন না। এর ফলে ল্যপটপের মনিটরের ওপর কী-বোর্ডের চাপ পড়তে পারে। এছাড়াও সিডি-রম এর প্রবেশপথটিও সংকুচিত হয়ে যেতে পারে যার ফলে ড্রাইভটি ভেঙ্গে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে।
৮. সঠিক মাপের ল্যাপটপ ব্যাগ ব্যবহার করুন:ল্যপটপের ব্যাগ নির্বাচনের সময় খেয়াল রাখুন যেন আপনার ল্যাপটপটি সহজেই ভ্যাগটিতে তোলা ও নামানো যায় অর্থ্যাৎ ব্যাগটিকে পর্যাপ্ত বড় হতে হবে। ল্যাপটপ নিয়ে কোথাও যাওয়ার সময় ল্যাপটপ ব্যাগ ব্যবহার করবেন। এতে ল্যাপটপটি পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
৯. বিছানায় ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না: সবসময় বিছানাতেই ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে বিছানার ময়লাগুলো ল্যাপটপের ফ্যানের মাধ্যমে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। যা ফ্যানটিকে ব্লক করার পাশাপাশি অভ্যন্তরিন যন্ত্রপাতিরও ক্ষতি করতে পারে।
১০. ল্যাপটপ ব্যাগে অতিরিক্ত কিছু নেওয়ার সময় সতর্ক থাকুন:ল্যাপটপ ব্যাগে ল্যাপটপের সাথে ভারি কিছু নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ল্যাপটপের কেসিং ভেঙ্গে যাওয়ারও কারন হতে পারে।
১১. পায়ের ওপর রেখে বেশি সময় ধরে ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না:এতে ল্যাপটপের ভেতরে গরম হয়ে যেতে পারে যা আপনার ল্যাপটপের আয়ু কমিয়ে দেবে।
১২. হঠাৎ পরিবর্তিত কোনো তাপমাত্রায় ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না:আপনি যদি বাইরে থেকে কোনো শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে প্রবেশ করেন তাহলে তখনই আপনার ল্যাপটপটি চালু করবেন না। আগে নতুন তাপমাত্রার সাথে এর অভ্যন্তরিন তাপমাত্রা পরিবর্তিত হতে দিন।
১৩. যে কোনো প্রকার ম্যাগনেটিক ফিল্ড থেকে ল্যাপটপটি দূরে রাখুন:বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি হতে সৃষ্ট ম্যাগনেটিক ফিল্ড হতে আপনার ল্যাপটপটি দুরে রাখুন। এসব ম্যাগনেটিক ফিল্ডের আকর্ষনে আপনার ল্যাপটপের অভ্যন্তরিন ক্ষতি হতে পারে।
১৪. ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখুন:নরম কাপড় দ্বারা ল্যাপটপের মনিটর পরিষ্কার করুন। একইভাবে নরম কাপড় বা পুরোনো টুথব্রাশ দিয়ে কী-বোর্ড ও অন্যান্য অংশ পরিষ্কার করতে পারেন।
১৫. ল্যপটপের কোনো অংশ না জেনে খুলতে যাবেন না:ল্যাপটপের কোনো সমস্যা দেখা গেলে কোনো কিছু না জেনে নিজেই ঠিক করতে যাবেন না। এতে অন্য কোনো অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই কোনো সমস্যা দেখা দিলে উপযুক্ত ব্যক্তিকে দিয়ে তা ঠিক করিয়ে নিন। অথবা চলে আসুন মাইসিস আইটি ইন্সটিটিউ সার্ভিস সেন্টার

কম্পিউটার ভাল রাখার টিপস

১. প্রতি ১ বা ২ মাস পর পর
কম্পিউটার
খুলে সব parts মুছে নতুন
করে লাগিয়ে দিন।
২. Ram
খুলে পাতলা তুলো দ্বারা মুছে নতুন করে লাগিয়ে নিন।             ৩. কম্পিউটারের উপর কোন
ভারী কিছু
রাখবেন না।
৪. রাতে ঘুমাবার সময়
কম্পিউটার shut down করে দিন।
৫. বিদু্ৎ চলে গেলে যেন
কম্পিউটার বন্ধ
না হয়ে যায় সে জন্য UPS
ব্যবহার
করা উচিৎ। ৬. কম্পিউটার VIRUS দূর
করার জন্য
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার
করা উচিৎ।
৭. কম্পিউটারকে আলো-
বাতাসপূর্ণ জায়গায় রাখুন।
৮. প্রতিদিন মনিটর, বিশেষ
করে LCD
মনিটর একবার
করে মুছে রাখবেন।
৯. অনেকে কম্পিউটার চলার সময়ও CPU-র
উপর
আলাদা পর্দা দিয়ে রাখেন,
যাতে ময়লা প্রবেশ
না করে। এতে আরও
ক্ষতিই হয়। ১০. ওয়ালপেপার
হিসেবে এমন ছবি সেট
করুন, যা আপনার
চোখকে আরাম দেয়।
ওয়ালপেপার সাইজে যত
ছোট হবে, আপনার কম্পিউটারের গতির জন্য
ততই ভাল।
১১. নিয়মিত ‘কুলিং ফ্যান’
মুছে পরিষ্কার
করে রাখুন।
১২.ঘন ঘন windows Xp সেটআপ দিবেন না।
এতে কম্পিউটারের
তাতখনিক
গতি বারলেও
পরবর্তীতে মাদারবোড এ
সমস্যা হতে পারে।

Laptop,Computer Open করুন রকেটের গতিতে ।

১০সেকেন্ডে চালু
হবে আপনার কম্পিউটার ₹
¤¤ প্রথমে রান-এ
গিয়ে regedit
টাইপ করে এন্টার
দিন।এখানে বাম পাশের HKEY_ LOACAL_MEC ­
HINE এক্লিক
করলে SYSTEM>ContentI ­­
ndex এ প্রবেশ
করতে হবে।ডান
পাশের তালিকায় startupdelay নামের
আইকনটিতে ডাবল
ক্লিক
করতে হবে।
এবার একটি উইন্ডো চালু
হবে। উইন্ডোর ডান
পাশে Base
অংশে Hexadecimal
নির্বাচিত করা আছে।
Decimal বাছাই
করে Base এর বাম দিকে Value
data তে 48000000
এর পরিবর্তে40000
লিখে OK দিন ।
এবার রিস্টার্ট দিন