screenshort দেখতে এখানে আসুন
আজ আমি আপনাদের সাথে সেয়ার করব কিভাবে Pendrive কে Bootable করতে হয় ।
আমি আজ সেসম্পরকে বলবো । প্রথমে একটি Software Download করতে হবে |
Software টির নাম হল Win to flash । এটা দিয়ে Pen drive এর সাহায্য
Windows xp , windows 7 , windows vista , ইত্যাদি Bootable করে আপনার
পিসিতে Windows বা software ভালো ভাবে Sutep দিতে পারবেন|
এটি আমি গত ১ বছর ধরে ব্যবহার করছি | কোন অসুবিধা হয়নি |
Software টি মাএ ২ MB এটি দিয়ে Pendrive কে Bootable pendrive এ রুপান্তর করা খুব সহজ|
এই Sofware টি Download করতে এখানে click
ডাওনলোড করেন
প্রথমে আপনার ১ টি Format দেয়া pendrive প্রয়োজন|
pendrive নিরভর করবে windows copy kora Disk space এর উপর |
আপনার widows 7/8 আপনার পেনড্রাইভ ৪-৮ GB, লাগবে|
নিচে Screen Shot দেয়া হল|
---
---
advanced mode যান আপনি প্রোয়জন মতাও সেটিং করে নিতে পারেন । ।
Then Click windows setup transfer wizard
---
এখান থেকে windows files path বা windows file এর Disk কোথাই কপি করা আছে সেটা চিনিয়ে দিন |
USB drive ; এবার apnar pendrive টি চিনিয়ে দিন |
বাস আপনার কাজ শেষ |
এবার next এ click করেন ।
এবার আপনাকে একটা question kora hobe *yes* din| abar copy hoa suru hobe কপি না হয়া porjonto opekkha করুন ।
---
সবাই ভালো থাকবেন ।
Monday, March 24, 2014
বাড়িয়ে নিন আপনার Windows এর 100% Net Speed এবং Windows কে দেখিয়ে দিন বুড়ো আঙ্গুল আর উপভোগ করুন Full Speed এ Download এবং Browse।সব পদ্ধতি এখন আপনার হাতের মুটোয়
আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই। ব্যাবসার কারনে টিউন করার সময় বের করতে পারছি না।
তারপরও যতটুকু সময় পাই টিউন করার চেষ্টা করি।
আজকের টিউনে আমি আলোচনা করব কি ভাবে windows থেকে ১০০% নেট Speed পাওয়া যায়।

windows বিভিন্ন ভাবে bandwidth কেটে রেখে আমাদের নেট Speed কমিয়ে দেয়।
এখন কি ভাবে Windows কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে Full Speed এ Download এবং Browse করার যায়?
এর জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে।
পদ্ধতি গুল আমি ধাপে ধাপে তুলে ধরব।
আমি নিজে এ পদ্ধতি গুল ব্যবহার করে আমার windows থেকে ১০০% নেট Speed পাচ্ছি।
তাই আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।
এ পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে আপনার নেট Speed দেখেনিন।
পদ্ধতি শেষ করার পর আপানার পিসি টি Restart দিন এবং নেট Speed চেক করে দেখুন,
তাহলেই বুঝতে পারবেন আপনার নেট Speed বেরছে কিনা?
পদ্ধতি ১ Drain out DNS Cache
এ পদ্ধতি টি খুবই সহজ।নিচে তুলে ধরলাম।১।প্রথমে আপনি CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।(Cmd লিখে windows যে drive এ আছে সেখানে Search দিন।তাহলে cmd পাবেন)
২।এখন টাইপ করুন IPCONFIG /FLUSHDNS এবং ইন্টার চাপুন।
৩।নিচের ছবির মত হলে Close করে দিন।
পদ্ধতি ২ Disable Unnecessary Services
এ পদ্ধতি টি একটু ভাল ভাবে বুঝে করবেন।কিছু service আছে যে গুল আপনার নেট Speed কমিয়ে দেয়।তাই সে গুল কে নিয়ন্তন করার পদ্ধতি নিচে দিয়ে দিলাম।
১।Run গিয়ে services.msc লিখে Enter চাপুন।
২।নিচের ছবির মত আসবে
৩।এখন নিচের service গুলতে right click করে properties এ click করুন।
এখন নিচের ছবির মত automatic থেকে Manual করে ok দিয়ে বের হয়ে যান।
service গুলোর নাম।সব গুল service কে উপরের নিয়মে করতে হবে।
Diagnostic Policy Service, Distributed Link Tracking Client,
Offline Files, Performance Logs & Alerts, Program Compatibility Assistant Service,
Secondary Logon, Windows Error Reporting Service, Windows Image Acquisition (WIA)
পদ্ধতি ৩ Reset WinSock
WinSock রিসেট দিলে আপনার ইন্টারনেট এর গতি বেরে যায়।তাই মঝে মাঝে WinSock রিসেট দিবেন।
কি ভাবে WinSock রিসেট দেবেন নিচে তুলে ধরলাম।
১।CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।
২।এখন NETSH INT IP RESET C:\RESETLOG.txt লিখে ইন্টার চাপুন
৩।নিচের ছবির মত আসলে Cmd Close করুন।ব্যাস এটুকুই।
পদ্ধতি ৪ Update Network Card Driver
এ পদ্ধতিতে আপনার Network Card Driver সফট টি Update করে নিতে হবে।আমাদের motherboard সিডি তে নতুন Network Card Driver থাকে না।
তাই এটিও নেট speed কম হওয়ার কারন।
কিভাবে নতুন Network Card Driver সফট টি আপডেট করব তা নিচে দিলাম।
১।device manager ওপেন করুন।
২।Network adapters এ ভিতরে ঢুকুন।
৩।আপনার Network Card Driver right click করে Update Driver Software click করুন।
৪।নিচের ছবির মত আসলে Search automatically for updated driver software এ click করে
আপনার Network Card Driver সফট টি আপডেট করে নিন।
পদ্ধতি ৫ Disable Bandwidth Reserves
এ পদ্ধতিটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।এ পদ্ধতি টি হয়ত অনেকেই জানেন।
যারা জানেন না তাদের জন্য কঠিন।
পদ্ধতি 1
১।Run গিয়ে gpedit.msc টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে
২। এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান Local Computer Policy\Computer Configuration\Administrative Templates\Network\QoS Packet Scheduler
৩।এবার Limit reservable bandwidth এ right click করে Edit এ click করুন।
৪।নিচের ছবির মত আসলে enabled এ click করুন এবং Bandwidth limit to”0 লিখে ok দিয়ে বের হয়ে যান।
পদ্ধতি 2
১।Run গিয়ে regedit.exe টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে২।এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows
৩।এবার Pshed click করুন।দেখবেন ডান পাশে এই লিখাটি আছে NonBestEffortLimit।
৪।NonBestEffortLimit right click করে Modify এ ঢুকুন।
৫।এখন Decimal এ click করুন এবং Value data 1 থেকে 100 দিন।তারপর ok দিন।
সব গুল ধাপ শেষ করে আপনার computer টি Restart দিন।
এখন উপভোগ করুন আপনার windows এ ১০০% Bandwidth।
দেখবেন আপনার নেট অনেক খানি ফাস্ট হয়েছে।
সব গুল পদ্ধতি আপনি ভাল ভাবে শেষ করতে পারলে windows এ ১০০% Bandwidth পারবেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য আমি ভিডিও টিউট্রিয়াল দিয়ে দিচ্ছি
কার যদি কোন যায়গায় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমাকে যানাতে পারেন আমি সাহায্য করতে চেষ্টা করব।
যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাকে জানাবেন আমি ঠিক করে দেব।
আজ এখানেই শেষ করছি।
আমার জন্য দোয়া করবেন, আমার ব্যাবসার জন্য দোয়া করবেন।
আল্লাহ্ হাফেজ।
Sunday, March 23, 2014
খুব সহজেই রিমুভ করুন Windows is not genuine Notification.
আজকে আমি এসেছি ছোট্ট একটা ট্রিক্স নিয়ে আর সেটা হলো, অনেক সময় আমাদের
Windows 7-এর Screen এ Windows is not genuine Notification দেখতে পাই। আর
এটা সাধারনত হয় যখন আমাদের Windows-এ Update Option চালু থাকে এবং
ইন্টারনেট চালু থাকে।

যখন এমন হয় তখন অনেকেই হয়তো নতুন করে Windows Setup করেছেন। তো ভবিষ্যতে যদি কেউ এমন সমস্যায় পরেন তাহলে নিচের প্রক্রিয়া অনুসরন কইরেন আসা করি সমস্যার সমাধান পাবেন।
Start=>All Programs=>Accessories=>Command Prompt-এ ডান বাটন এ ক্লিক করে Run as Administrator করুন।
এর পর Command Prompt-টি চালু হলে সেখানে শুধু "SLMGR –REARM" টাইপ করে Enter চাপুন।
কাজ শেষ এখন একটা Restart- দিন।
ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন।
যখন এমন হয় তখন অনেকেই হয়তো নতুন করে Windows Setup করেছেন। তো ভবিষ্যতে যদি কেউ এমন সমস্যায় পরেন তাহলে নিচের প্রক্রিয়া অনুসরন কইরেন আসা করি সমস্যার সমাধান পাবেন।
Start=>All Programs=>Accessories=>Command Prompt-এ ডান বাটন এ ক্লিক করে Run as Administrator করুন।
এর পর Command Prompt-টি চালু হলে সেখানে শুধু "SLMGR –REARM" টাইপ করে Enter চাপুন।
কাজ শেষ এখন একটা Restart- দিন।
ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন।
যেভাবে নিরাপদ রাখবেন আপনার পাসওয়ার্ড ৷
আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন ৷ আজ আপনাদের
সাথে শেয়ার কিভাবে আপনার ডিজিটাল সম্পদ পাসওয়ার্ডটি নিরাপদ রাখবেন বা
কিভাবে একটি নিরাপদ নির্ধারণ করবেন ৷
কি ভাবে পাসওয়ার্ড দিলে হ্যাকার আপনার ধারে-কাছে আসতে পারবে না !
অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অনেকেই পাসওয়ার্ড হিসেবে কি দেওয়া যায়, তা নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েন।
কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পাসওয়ার্ড যত দীর্ঘ হবে, ব্যবহারকারীর
মনে রাখা তত সহজ হবে এবং হ্যাকারদের তা অনুমান করা তত কঠিন হবে। পাসওয়ার্ড হিসেবে হয়তো কেউ বসান মোবাইল নম্বর আবার কেউ বা বসান জন্মদিনের সংখ্যা বা প্রিয় জনের নাম। কেউ ব্যবহার করেন ‘Password’
শব্দটিকেই আবার কেউ লেখেন ১২৩৪৫৬ বা I Love u, I hate u বিভিন্ন শব্দ।.পাসওয়ার্ড দিতে হবে বলেই যে কেবল একটি মাত্র শব্দ বা কয়েকটি সহজ
সংখ্যা বসিয়েই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি মিলবে ভাবছেন, তাহলে কিন্তু ভুল করবেন। সম্ভব হলে কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করে একটি বাক্যাংশ বা একটি পুরো বাক্যকেই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করুন। সম্প্রতি প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘পিসি’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত
একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে হ্যাকাররাও অনায়াসেই এ
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তা ভেঙে ফেলতে পারে। কষ্ট করে হলেও জটিল পাসওয়ার্ড মুখস্থ রাখতে পারলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক
হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
কম্পিউটার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোসের নিরাপত্তা বিশ্লেষক গ্রাহাম ক্লুলেই জানিয়েছেন, আপনার স্মরণীয়
কোনো বাক্যের সঙ্গে ছোট-বড় অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন মিলিয়ে জটিল একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারেন। পাসওয়ার্ডটি মুখস্থ রাখুন। পাসওয়ার্ড যত দীর্ঘ হবে, ততই নিরাপদ থাকবে আপনার অ্যাকাউন্ট। শক্ত ও জটিল পাসওয়ার্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি।
আর্থিক লেনদেনের অ্যাকাউন্ট, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা জরুরি।
দীর্ঘ বাক্যে পাসওয়ার্ড তৈরির নিয়মকানুন
দীর্ঘ বাক্যে পাসওয়ার্ড তৈরির বিষয়টি অনেক সহজভাবে করা সম্ভব। এটা সহজ
কোনো বাক্যের অংশবিশেষ বা পুরো বাক্যটি হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বাক্যের পরিবর্তে আপনি সংখ্যা ব্যবহার
করতে পারেন। অক্ষরগুলো ছোট-বড় মিলিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারেন।
আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেভাবে পাসওয়ার্ডটি তৈরি করবেন তা যেন সহজে মনে থাকে কিন্তু অন্য কেউ
সহজে তা অনুমান করতে না পারে। গবেষকদের দেওয়া পাসওয়ার্ড বিষয়ক কিছু পরামর্শ পরামর্শ:
১. সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।
২. দীর্ঘ বাক্যে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
৩. পাসওয়ার্ড নিয়মিত হালনাগাদ করুন।
৪. কম্পিউটার, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও আর্থিক লেনদেনের সময় পাসওয়ার্ড দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
৫. অ্যাকাউন্ট লগআউট ঠিকমতো হয়েছে কি না,পরীক্ষা করুন।
৬. সাইবার-ক্যাফেতে পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় সতর্ক থাকুন।
পাসওয়ার্ড মূল্যবান তথ্য প্রতিরক্ষা করে।
এটা আপনার ডিজিটাল সম্পদ। আপনার পাসওয়ার্ড রক্ষার জন্য সচেতন থাকুন। সবক্ষেত্রেই গুরুত্ব দিয়ে পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন এবং তা মনে সংরক্ষণ করুন। পাসওয়ার্ড যাতে ভুলে না যান, সে জন্য পাসওয়ার্ড
টুকে রাখুন এবং তা সুরক্ষিত স্থানে সংরক্ষণ করুন ৷
কি ভাবে পাসওয়ার্ড দিলে হ্যাকার আপনার ধারে-কাছে আসতে পারবে না !
অ্যাকাউন্ট খোলার সময় অনেকেই পাসওয়ার্ড হিসেবে কি দেওয়া যায়, তা নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েন।
মনে রাখা তত সহজ হবে এবং হ্যাকারদের তা অনুমান করা তত কঠিন হবে। পাসওয়ার্ড হিসেবে হয়তো কেউ বসান মোবাইল নম্বর আবার কেউ বা বসান জন্মদিনের সংখ্যা বা প্রিয় জনের নাম। কেউ ব্যবহার করেন ‘Password’
শব্দটিকেই আবার কেউ লেখেন ১২৩৪৫৬ বা I Love u, I hate u বিভিন্ন শব্দ।.পাসওয়ার্ড দিতে হবে বলেই যে কেবল একটি মাত্র শব্দ বা কয়েকটি সহজ
সংখ্যা বসিয়েই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি মিলবে ভাবছেন, তাহলে কিন্তু ভুল করবেন। সম্ভব হলে কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করে একটি বাক্যাংশ বা একটি পুরো বাক্যকেই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করুন। সম্প্রতি প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘পিসি’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত
একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে হ্যাকাররাও অনায়াসেই এ
পাসওয়ার্ডের নিরাপত্তা ভেঙে ফেলতে পারে। কষ্ট করে হলেও জটিল পাসওয়ার্ড মুখস্থ রাখতে পারলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক
হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
কম্পিউটার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোসের নিরাপত্তা বিশ্লেষক গ্রাহাম ক্লুলেই জানিয়েছেন, আপনার স্মরণীয়
কোনো বাক্যের সঙ্গে ছোট-বড় অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন মিলিয়ে জটিল একটি পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারেন। পাসওয়ার্ডটি মুখস্থ রাখুন। পাসওয়ার্ড যত দীর্ঘ হবে, ততই নিরাপদ থাকবে আপনার অ্যাকাউন্ট। শক্ত ও জটিল পাসওয়ার্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি।
আর্থিক লেনদেনের অ্যাকাউন্ট, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটসহ অনলাইনের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা জরুরি।
দীর্ঘ বাক্যে পাসওয়ার্ড তৈরির নিয়মকানুন
দীর্ঘ বাক্যে পাসওয়ার্ড তৈরির বিষয়টি অনেক সহজভাবে করা সম্ভব। এটা সহজ
কোনো বাক্যের অংশবিশেষ বা পুরো বাক্যটি হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বাক্যের পরিবর্তে আপনি সংখ্যা ব্যবহার
করতে পারেন। অক্ষরগুলো ছোট-বড় মিলিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারেন।
আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যেভাবে পাসওয়ার্ডটি তৈরি করবেন তা যেন সহজে মনে থাকে কিন্তু অন্য কেউ
সহজে তা অনুমান করতে না পারে। গবেষকদের দেওয়া পাসওয়ার্ড বিষয়ক কিছু পরামর্শ পরামর্শ:
১. সব ওয়েবসাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।
২. দীর্ঘ বাক্যে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
৩. পাসওয়ার্ড নিয়মিত হালনাগাদ করুন।
৪. কম্পিউটার, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ও আর্থিক লেনদেনের সময় পাসওয়ার্ড দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
৫. অ্যাকাউন্ট লগআউট ঠিকমতো হয়েছে কি না,পরীক্ষা করুন।
৬. সাইবার-ক্যাফেতে পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় সতর্ক থাকুন।
পাসওয়ার্ড মূল্যবান তথ্য প্রতিরক্ষা করে।
এটা আপনার ডিজিটাল সম্পদ। আপনার পাসওয়ার্ড রক্ষার জন্য সচেতন থাকুন। সবক্ষেত্রেই গুরুত্ব দিয়ে পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন এবং তা মনে সংরক্ষণ করুন। পাসওয়ার্ড যাতে ভুলে না যান, সে জন্য পাসওয়ার্ড
টুকে রাখুন এবং তা সুরক্ষিত স্থানে সংরক্ষণ করুন ৷
Subscribe to:
Posts (Atom)